Bartaman Logo
১৭ জুলাই, ২০২৬

উত্তরপ্রদেশে বুলডোজার এবার বিশ্ববিদ্যালয়েও! ৩৮ ভবন ভেঙে ফেলার নির্দেশ

উত্তরপ্রদেশে মহম্মদ আলি জৌহর বিশ্ববিদ্যালয়ে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে ৩৮টি ভবন ভাঙার নির্দেশ। রাজনৈতিক চাপানউতোর চলছে। বিস্তারিত পড়ুন।

উত্তরপ্রদেশে বুলডোজার এবার বিশ্ববিদ্যালয়েও! ৩৮ ভবন ভেঙে ফেলার নির্দেশ
  • ১৭ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

লখনউ: বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে এবার বিশ্ববিদ্যালয়ে বুলডোজার চালানোর তোড়জোড় উত্তরপ্রদেশে। প্রয়োজনীয় অনুমতি ও বিল্ডিং প্ল্যান ছাড়াই ভবন তৈরির অভিযোগ উঠেছে মহম্মদ আলি জৌহর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। রামপুর উন্নয়ন পর্যদের (আরডিএ) দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০টি ভবনের মধ্যে ৩৮টিই বেআইনি নির্মাণ। সেগুলি ভেঙে ফেলার নির্দেশ জারি করা হয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ১৫ দিনের মধ্যে ওই ভবনগুলি সরিয়ে না নিলে সেগুলি ভেঙে দেওয়া হবে। যদিও আরডিএ-র এই নির্দেশ ঘিরে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। বিশ্ববিদ্যালয়টি পরিচালিত হয় মহম্মদ আলি জৌহর ট্রাস্টের অধীনে। এটির চেয়ারম্যান সমাজবাদী পার্টির জেলবন্দি নেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ আজম খান। সমাজবাদী পার্টি সুপ্রিমো অখিলেশ যাদবের অভিযোগ, শিক্ষাকেও ‘সাম্প্রদায়িক’ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখছে বিজেপি। কংগ্রেস নেতা পবন খেরার খোঁচা, ‘বিশ্বগুরুর বিশ্ববিদ্যালয় সহ্য হয় না।’

Advertisement

শুধু ৩৮টি ভবন নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে দিয়ে তৈরি চার লেনের কনক্রিট রাস্তাও সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য খুলে দেওয়ার নির্দেশ জারি করা হয়েছে। সেখানে প্রশাসনের তরফে বসানো হয়েছে নতুন বোর্ড। নামকরণ করা হয়েছে ‘আম রাস্তা’। সরকারি কর্তৃপক্ষের দাবি, পূর্ত দপ্তরের বরাদ্দ করা অর্থে তৈরি হয়েছিল ওই রাস্তা। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৮টি ভবন ভেঙে ফেলার নির্দেশ ঘিরে সুর চড়িয়েছে সমাজবাদী পার্টি। দলের জাতীয় মুখপাত্র জুহি সিং বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ভবনগুলি যখন তৈরি হয়েছিল, সেই সময় ওই এলাকা আরডিএ-র অধীনে ছিল না। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে কম খরচে শিক্ষালাভের সুযোগ পান ছাত্রছাত্রীরা। বিজেপি সরকার বেছে বেছে ব্যবস্থা নিচ্ছে। বিল্ডিং প্ল্যানের অনুমোদন না থাকা নিয়ে সরকারি বক্তব্যের পালটা জবাব দেগেছেন জুহি। তাঁর তোপ, সরকারের এটাই যদি যুক্তি হয় তাহলে নিজেদের বিধায়ক ও সাংসদদের পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষেত্রেও একই ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ