সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: জগদ্ধাত্রী পুজো ঘিরে উন্মাদনার শেষ নেই হাওড়া গ্রামীণ এলাকা বাউড়িয়ায়। থিমের পুজো হচ্ছে। পাশাপাশি সাবেকি ঢঙেও হচ্ছে পুজো। প্রতিমা থেকে মণ্ডপ সেজে উঠেছে। সর্বত্র জাঁকজমক। সুদৃশ্য আলোকসজ্জা চোখ ধাঁধাচ্ছে। আরও অনেকগুলি জায়গার মতো বাউড়িয়াকেও এখন মিনি চন্দননগর বলে অনেকে। রঘুদেবপুর, ঘোষালচক, বাসুদেবপুর, রাজাপুর ও বাউড়িয়া থানা এলাকায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় শতাধিক পুজো হচ্ছে। এখন সন্ধ্যা থেকে দর্শনার্থীদের ভিড়। জমজমাট সব এলাকা। ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কে পাঁচলা মোড় থেকে বাউড়িয়া ডোমজুড় রাস্তা দিয়ে পূর্বদিকে বাউড়িয়া ষ্টেশনের দিকে এগলে একের পর এক পুজো মণ্ডপ চোখে পড়বে। এই এলাকায় দর্শনার্থীদের নজর কাড়ে সন্তোষপুর কালীতলা সমাজ শিক্ষা কেন্দ্রের পুজো। তাদের এবারের থিম, আফ্রিকার ও বাংলার শিল্পের মেলবন্ধন। মণ্ডপের ভিতর ও বাহির আফ্রিকান ও বাংলার হস্তশিল্প সামগ্রী দিয়ে সাজানো হয়েছে। প্রতিমাও অভিনব। অন্যদিকে পরমানন্দ চক জনকল্যাণ প্রতিষ্ঠান ও ব্যায়ামাগারের এবারের ভাবনা, মুক্ত বিহঙ্গ। মণ্ডপের ভিতরে ও বাইরে পাখি, খাঁচা, বাবুই পাখির বাসা দিয়ে সাজানো হয়েছে। এখানে পাখিদের খাঁচায় আটকে না রেখে মুক্ত করে দেওয়ার বার্তা। বাসুদেবপুর পূর্বপাড়া জুনিয়র সঙ্ঘ এবার তাদের মণ্ডপ গ্রাম-বাংলার বিভিন্ন হস্তশিল্প সামগ্রী দিয়ে সাজিয়েছে। পাশাপাশি বাংলার বিভিন্ন উৎসবকেও তুলে ধরেছে। বাসুদেবপুর পূর্বপাড়া নবোদয় যুগ্ম সঙ্ঘের মণ্ডপ, বাসুদেবপুর বিবেকানন্দ স্মৃতি সঙ্ঘের পুজো দর্শনার্থীদের নজর কাড়বে বলে দাবি। পাশাপাশি ঘোষালচক মাতৃ সঙ্ঘ রঘুদেবপুর বটতলা যুবক বৃন্দের প্রতিমাও নজর কাড়বে বলে অনেকের বক্তব্য।



