নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের অতি উৎসাহে জল ঢেলে আজমির শরিফকে দশম শতাব্দীর সুফি সন্ত খাজা মইনুদ্দিন চিস্তির পবিত্র দরগা হিসেবেই স্বীকৃতি দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পবিত্র ঊরস উপলক্ষ্যে সেখানে চাদর পাঠালেন তিনি।আজ সকালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে চাদর চড়াবেন মইনউদ্দিন চিস্তির সমাধিস্থলে। তার আগে রিজিজু শুক্রবার দিল্লির নিজামুদ্দিন দরগায় হাজির হন এবং প্রার্থনা করেন। বলেন, ‘খাজা মইনুদ্দিন চিস্তি এবং সন্ত নিজামুদ্দিন যে ঘরানার সাধক ছিলেন, তাঁদের সকল শ্রেণি সকল ধর্মের ভারতবাসী শ্রদ্ধা করে, বন্দনা করে। প্রধানমন্ত্রী এই চাদর পাঠিয়ে শান্তি ও সমন্বয়ের বার্তা দিলেন। কারণ, এই সাধকদের চিরকাল সেটাই ছিল লক্ষ্য।’
Advertisement
১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর স্লোগান উঠেছিল, ‘ইয়ে তো সির্ফ ঝাঁকি হ্যায়, কাশী মথুরা বাকি হ্যায়’। সেই পথেই এগিয়েছে পরবর্তীকালে কাশী ও মথুরার বিতর্কও। ২০২৪ সালের শেষ লগ্নে মসজিদ-মন্দির বিতর্কে যুক্ত হয়েছে আজমির শরিফের নাম। দরগার নীচে প্রাচীন শিব মন্দির আছে দাবি করে স্থানীয় আদালতে মামলা হয়েছে। সেই আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করে আজমির আদালত। যা নিয়ে দেশজুড়ে নতুন উত্তাপ ও উত্তেজনার আবহ সৃষ্টি হয়। যদিও সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, নিম্ন আদালত ধর্মস্থান বিতর্কে কোনও সিদ্ধান্ত যেন না নেয়।
হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি নতুন উদ্যমে ময়দানে নেমেছে যে, আর একটি রামমন্দির ইস্যু পাওয়া গেল। কিন্তু মোহন ভাগবত ধাক্কা দিয়েছিলেন প্রথমে। দেশজুড়ে মাথাচাড়া দেওয়া মন্দির-মসজিদ বিতর্কে নিয়ে সম্প্রতি উষ্মা প্রকাশ করেন তিনি। সরসংঘচালকের ওই সর্তকীকরণের পরই খাজা মইনুদ্দিন চিস্তির মৃত্যু দিবসে পবিত্র ঊরসের প্রাক্কালে প্রধানমন্ত্রী নিজেই চাদর পাঠালেন। এবং এভাবে বিতর্ককে স্তিমিত করার বার্তাও দিলেন বলে মনে করা হচ্ছে। যা সরসংঘচালকেরই পরোক্ষ নির্দেশিকা। স্বাভাবিকভাবেই প্রথমে মোহন ভাগবত এবং তারপর প্রধানমন্ত্রী—সঙ্ঘ পরিবার ও সংগঠনগুলির দুই প্রধান চালিকাশক্তির এই বার্তায় কি আজমির শরিফ বিতর্ক দূর হল? দেখার সেটাই।
হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি নতুন উদ্যমে ময়দানে নেমেছে যে, আর একটি রামমন্দির ইস্যু পাওয়া গেল। কিন্তু মোহন ভাগবত ধাক্কা দিয়েছিলেন প্রথমে। দেশজুড়ে মাথাচাড়া দেওয়া মন্দির-মসজিদ বিতর্কে নিয়ে সম্প্রতি উষ্মা প্রকাশ করেন তিনি। সরসংঘচালকের ওই সর্তকীকরণের পরই খাজা মইনুদ্দিন চিস্তির মৃত্যু দিবসে পবিত্র ঊরসের প্রাক্কালে প্রধানমন্ত্রী নিজেই চাদর পাঠালেন। এবং এভাবে বিতর্ককে স্তিমিত করার বার্তাও দিলেন বলে মনে করা হচ্ছে। যা সরসংঘচালকেরই পরোক্ষ নির্দেশিকা। স্বাভাবিকভাবেই প্রথমে মোহন ভাগবত এবং তারপর প্রধানমন্ত্রী—সঙ্ঘ পরিবার ও সংগঠনগুলির দুই প্রধান চালিকাশক্তির এই বার্তায় কি আজমির শরিফ বিতর্ক দূর হল? দেখার সেটাই।



