নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: যথাযথ দায়িত্ব পালন করেও মেলেনি সঠিক বেতন। কথা রাখেনি কাজের বরাত পাওয়া এজেন্সি। তাই কথা মতো বেতনের দাবিতে এমএসভিপি-কে লিখিত অভিযোগ দিলেন বারাসত সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষীরা। ঘটনাকে ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলে।
Advertisement
বারাসত সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে একটি এজেন্সি মারফত নিয়োগ পাওয়া ৯০ জন নিরাপত্তারক্ষী কাজ করেন। এঁদের মধ্যে মহিলারাও আছেন। সরকারি নিয়মানুযায়ী তাঁদের প্রতি মাসে বেতন হওয়ার কথা ৮ হাজার ৭০০ টাকা। পিএফও, ইএসআই’র সুবিধাও দেওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু নিরাপত্তারক্ষীদের অভিযোগ, পুরনো ২১ জন কর্মীকে গত অক্টোবর পর্যন্ত টানা ১১ মাস ৭০০ টাকা করে কম দেওয়া হচ্ছে। মোট ১ লক্ষ ৬১ হাজার ৭০০ টাকা বকেয়া। পুরনো ২১ ও নতুন ৬৯, মোট ৯০ জনের নভেম্বরের বেতন ৭০০ টাকা করে কেটে নেওয়া হয়েছে। ফলে শুধু নভেম্বরেই বকেয়া পড়েছে ৬৩ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে নিরাপত্তারক্ষীদের বকেয়া ২ লক্ষ ২৪ হাজার ৭০০ টাকা। মহিলা নিরাপত্তারক্ষী কৃষ্ণা চক্রবর্তী বলেন, ‘দেড় মাস হল কাজে এসেছি। প্রথম যখন কাজে নেওয়া হয়, তখন বলা হয়েছিল ৮৭০০ টাকা বেতন। ব্যাঙ্কে বেতন ঢুকতে দেখি আট হাজার দেওয়া হয়েছে। কেন ৭০০ টাকা কম, জানি না। সরকারি নিয়ম অবজ্ঞা করা হল বলেই আমাদের মনে হচ্ছে।’ শকুর আলি মণ্ডল, সামিউল হকরা বলেন, ‘সরকারি নিয়ম মেনে আমাদের টাকা দেওয়া হয়নি। ৭০০ টাকা করে কম দিয়েছে এজেন্সি। বাধ্য হয়ে আমরা মেডিক্যাল কলেজের এমএসভিপিকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি শুক্রবার।’ বষিয়টি নিয়ে বরাত পাওয়া এজেন্সি অবশ্য কোনও মন্তব্য করতে চাইনি। তবে এমএসভিপি ডাঃ অভিজিৎ সাহা বলেন, ‘আমার কাছে এখনও লিখিত অভিযোগপত্র আসেনি। এলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’



