সংবাদদাতা, ইসলামপুর: একাধিক দাবিতে ইসলামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে বিক্ষোভ দেখালেন সেখানকার সিকিউরিটি গার্ড, হাউস কিপিং স্টাফ, ওয়ার্ডবয় ও গার্লরা। এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত এই কর্মীদের বিক্ষোভে শনিবার সকালে কয়েক ঘণ্টা পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে। ১১ টা নাগাদ এজেন্সির সুপারভাইজারের হস্তক্ষেপে অবশ্য বিক্ষোভ উঠে যায়। সুপারভাইজার মহম্মদ এহসান বলেন, এজেন্সির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসে সমস্যার সমাধানের আশ্বাস পেয়ে বিক্ষোভ তুলে নেওয়া হয়।
Advertisement
ওয়ার্ড বয় হাবিব আলম বলেন, ৬ মাস অন্তর আমাদের বেতন বৃদ্ধি করার কথা। কিন্তু তা হচ্ছে না। অন্যদিকে কারও কারও বেতন থেকে ৭০০ থেকে হাজার টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে। পে-স্লিপও দেওয়া হচ্ছে না। কর্তৃপক্ষকে সমস্যার কথা জানিয়েও কোনও ফল হয়নি। এদিন তাই কাজ বন্ধ রেখে বিক্ষোভ দেখিয়েছি।
ওয়ার্ড গার্ল ফতেমা বেগম বলেন, প্রতিমাসে বেতন সময়ে ঢুকছে না। ৭ তারিখের মধ্যে বেতন দেওয়ার কথা। কিন্তু কোনও মাসে ১৪-১৫ তারিখে দেওয়া হচ্ছে। বেতনও কেটে নেওয়া হচ্ছে। সেই উত্তর কর্তৃপক্ষ দিচ্ছে না। পিএফেরও কোনও হিসেব নেই।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, হাসপাতালে ৪০জন সিকিউরিটি গার্ড রয়েছেন। হাউস কিপিং স্টাফ ৬০ জন এবং ওয়ার্ড বয় ও গার্ল রয়েছেন ৮০ জন। তাঁরা এজেন্সির মাধ্যমে হাসপাতালে পরিষেবা দেন। প্রত্যেকে এদিন সকালে কাজ বন্ধ রেখে বিক্ষোভ দেখান। হাসপাতালের অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার রণজিৎ বিশ্বাস বলেন, পরিষেবা কিছু সময়ের জন্য ব্যাহত হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের সমস্যার কথা আমরা সংশ্লিষ্ট এজেন্সিকে জানিয়েছি।
ওয়ার্ড গার্ল ফতেমা বেগম বলেন, প্রতিমাসে বেতন সময়ে ঢুকছে না। ৭ তারিখের মধ্যে বেতন দেওয়ার কথা। কিন্তু কোনও মাসে ১৪-১৫ তারিখে দেওয়া হচ্ছে। বেতনও কেটে নেওয়া হচ্ছে। সেই উত্তর কর্তৃপক্ষ দিচ্ছে না। পিএফেরও কোনও হিসেব নেই।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, হাসপাতালে ৪০জন সিকিউরিটি গার্ড রয়েছেন। হাউস কিপিং স্টাফ ৬০ জন এবং ওয়ার্ড বয় ও গার্ল রয়েছেন ৮০ জন। তাঁরা এজেন্সির মাধ্যমে হাসপাতালে পরিষেবা দেন। প্রত্যেকে এদিন সকালে কাজ বন্ধ রেখে বিক্ষোভ দেখান। হাসপাতালের অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার রণজিৎ বিশ্বাস বলেন, পরিষেবা কিছু সময়ের জন্য ব্যাহত হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের সমস্যার কথা আমরা সংশ্লিষ্ট এজেন্সিকে জানিয়েছি।



