সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: প্রতিবেশী যুবকের সঙ্গে পালিয়ে মুম্বইয়ে গিয়ে বিয়ে করেছে মেয়ে। মেয়ে শ্বশুরবাড়িতে ফিরতেই, তার পরিবারের লোকজন সেখানে গিয়ে মারধর করল স্বামী, শাশুড়ি ও শ্বশুরকে। স্বামীকে বাঁচাতে গেলে অন্তঃসত্ত্বা মেয়েটির পেটে লাথও মারা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনা ইন্দাসের জয়নগরের। রবিবার সন্ধ্যায় জখম মেয়েটিকে রাতেই ইন্দাস ব্লক হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিস জানিয়েছে, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জয়নগরের বাসিন্দা কলেজ পড়ুয়া এক যুবতীর সঙ্গে প্রতিবেশী এক যুবকের দীর্ঘদিন ধরে ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল। স্নাতক যুবকটি বর্তমানে মুম্বইয়ে একটি কনস্ট্রাকশন কোম্পানিতে সুপারভাইজারের কাজ করেন। কিন্তু তাঁদের সম্পর্ক যুবতীর পরিবারের লোকেরা কখনওই মেনে নিতে চায়নি। বিয়েতে বাবা-মা মত দেবে না জেনেই ছ’মাস আগে মুম্বইয়ে যুবকের কর্মস্থলে গিয়ে তাঁকে বিয়ে করেন ওই যুবতী।
সেই খবর মেয়েটির বাড়ির লোকেদের কানে যেতেই তারা যুবকের বাড়িতে গিয়ে হাত-পা কেটে নেওয়ার হুমকি দিয়ে আসে। সেই ভয়ে নবদম্পতি দীর্ঘ আড়াই মাস গ্রামে ফেরেননি। কিন্তু মেয়ের বাড়ির লোকজন তাঁদের গ্রামে ফেরানোর জন্য যুবকের বাবা ও মায়ের উপর চাপ তৈরি করে। তাঁদেরও মারধরের হুমকি দেয়। সেই খবর পেয়ে ভয়কে উপেক্ষা করে কিছুদিন আগে নবদম্পতি গ্রামে ফেরেন। এরপরেই মেয়ের বাড়ির লোকেরা তাদের মেয়েকে ফিরিয়ে আনতে যুবকের বাড়িতে যায়। কিন্তু যুবতী তাতে রাজি না হওয়ায় রবিবার সন্ধ্যায় দলবল নিয়ে যুবকের বাড়িতে চড়াও হয়ে মেয়েকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। বাধা দিতে গেলে যুবককে প্রচণ্ড মারধর করা হয়। তাঁকে বাঁচাতে গেলে যুবকের বাবা ও মাও মার খান। মেয়ে যেতে না চাওয়ায় অন্তঃসত্ত্বা ওই বধূর পেটে লাথি মারা হয় বলে বলে অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত অবশ্য বধূকে তাঁর স্বামীর কাছ থেকে নিয়ে যেতে পারেনি। মারের কারণে গর্ভের সন্তানের কোনও ক্ষতি হয়েছে কিনা তা জানতে রাতেই বধূকে ইন্দাস ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরের দিন তিনি ইন্দাস থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
যুবকটি বলেন, আমরা ভালোবেসে বিয়ে করেছি। তাছাড়া আমার স্ত্রী সাবালিকা। সে সবদিক বিবেচনা করেই আমাকে বিয়ে করেছে। সেটা ও বাপের বাড়ির লোকেদের বার বার বোঝানোরও চেষ্টা করেছে। কিন্তু ওরা কিছুতেই তা মানেনি। বাড়ির সামনে এসে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। কাজ থেকে ফেরার পরে থেকে বাড়ির বাইরে বেরতে ভয় পাচ্ছি। স্ত্রীকে বাড়িতে রেখে কাজে যেতেও সাহস পাচ্ছি না। ভীষণ অসহায় লাগছে।
সেই খবর মেয়েটির বাড়ির লোকেদের কানে যেতেই তারা যুবকের বাড়িতে গিয়ে হাত-পা কেটে নেওয়ার হুমকি দিয়ে আসে। সেই ভয়ে নবদম্পতি দীর্ঘ আড়াই মাস গ্রামে ফেরেননি। কিন্তু মেয়ের বাড়ির লোকজন তাঁদের গ্রামে ফেরানোর জন্য যুবকের বাবা ও মায়ের উপর চাপ তৈরি করে। তাঁদেরও মারধরের হুমকি দেয়। সেই খবর পেয়ে ভয়কে উপেক্ষা করে কিছুদিন আগে নবদম্পতি গ্রামে ফেরেন। এরপরেই মেয়ের বাড়ির লোকেরা তাদের মেয়েকে ফিরিয়ে আনতে যুবকের বাড়িতে যায়। কিন্তু যুবতী তাতে রাজি না হওয়ায় রবিবার সন্ধ্যায় দলবল নিয়ে যুবকের বাড়িতে চড়াও হয়ে মেয়েকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। বাধা দিতে গেলে যুবককে প্রচণ্ড মারধর করা হয়। তাঁকে বাঁচাতে গেলে যুবকের বাবা ও মাও মার খান। মেয়ে যেতে না চাওয়ায় অন্তঃসত্ত্বা ওই বধূর পেটে লাথি মারা হয় বলে বলে অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত অবশ্য বধূকে তাঁর স্বামীর কাছ থেকে নিয়ে যেতে পারেনি। মারের কারণে গর্ভের সন্তানের কোনও ক্ষতি হয়েছে কিনা তা জানতে রাতেই বধূকে ইন্দাস ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরের দিন তিনি ইন্দাস থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
যুবকটি বলেন, আমরা ভালোবেসে বিয়ে করেছি। তাছাড়া আমার স্ত্রী সাবালিকা। সে সবদিক বিবেচনা করেই আমাকে বিয়ে করেছে। সেটা ও বাপের বাড়ির লোকেদের বার বার বোঝানোরও চেষ্টা করেছে। কিন্তু ওরা কিছুতেই তা মানেনি। বাড়ির সামনে এসে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। কাজ থেকে ফেরার পরে থেকে বাড়ির বাইরে বেরতে ভয় পাচ্ছি। স্ত্রীকে বাড়িতে রেখে কাজে যেতেও সাহস পাচ্ছি না। ভীষণ অসহায় লাগছে।



