ভোপাল, ১৭ নভেম্বর: বাড়িতে মুরগির মাংস আনা নিয়ে ঝগড়া। আর তার জেরে ভাইকে খুন করল অন্য দুই দাদা ও ভাই। মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের ভোপালের ইন্দিরা নগর এলাকায়। ধৃত বড় ও ছোট ছেলেকে বাঁচাতে খুনে ব্যবহৃত দড়ি লুকোতেও কসুর করেননি মা! ঘটনায় ভোপাল জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
Advertisement
জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত ৯ নভেম্বর। আনসুল যাদব নামে ২২ বছরের যুবক মুরগির মাংস নিয়ে বাড়ি পৌঁছতেই বাঁধে গণ্ডগোল। নিরামিষ বাড়িতে কোনও মাংস আনা চলবে না, এই কারণ দেখিয়ে আনসুলের সঙ্গে ঝগড়া শুরু করে তাঁরই বড় ও ছোট ভাই কুলদীপ এবং আমন।
পুলিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই ঝামেলার সময় ওই দুই ভাই মদ্যপ অবস্থায় ছিল। নেশার ঘোরেই তাঁরা নিজেদের ভাইকে গলায় দড়ি পেঁচিয়ে খুন করে। এরপর পরিস্থিতি বেগতিক হতে পারে বুঝতে পেরে মৃতদেহটি হাসপাতালে নিয়ে যায় দুই ভাই ও তাঁদের মা। হাসপাতালে গিয়ে ওই পরিবার দাবি করে, বাজার থেকে ফেরার সময় আনসুল অজ্ঞান হয়ে গিয়েছে। যদিও আনসুলের গলায় থাকা দড়ির দাগ দেখে সন্দেহ হয় পুলিসের। এরপরই শুরু হয় তদন্ত।
পুলিসের দাবি, জেরার প্রথম দিকে তদন্তকারী অফিসারদের নজর অন্য দিকে ঘুরিয়ে সন্তানদের বাঁচানোর চেষ্টা করছিলেন মা অনিতা দেবী। তিনিও দাবি করেছিলেন, বাইরে থেকেই মেজ ছেলে আনসুল অসুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছিল। এমনকী খুনে ব্যবহৃত দড়িটিও তিনি লুকিয়ে ফেলার চেষ্টা করেছিলেন বলে অভিযোগ।
ঘটনায় দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। অন্যদিকে অনিতা দেবীর বিরুদ্ধেও প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই ঝামেলার সময় ওই দুই ভাই মদ্যপ অবস্থায় ছিল। নেশার ঘোরেই তাঁরা নিজেদের ভাইকে গলায় দড়ি পেঁচিয়ে খুন করে। এরপর পরিস্থিতি বেগতিক হতে পারে বুঝতে পেরে মৃতদেহটি হাসপাতালে নিয়ে যায় দুই ভাই ও তাঁদের মা। হাসপাতালে গিয়ে ওই পরিবার দাবি করে, বাজার থেকে ফেরার সময় আনসুল অজ্ঞান হয়ে গিয়েছে। যদিও আনসুলের গলায় থাকা দড়ির দাগ দেখে সন্দেহ হয় পুলিসের। এরপরই শুরু হয় তদন্ত।
পুলিসের দাবি, জেরার প্রথম দিকে তদন্তকারী অফিসারদের নজর অন্য দিকে ঘুরিয়ে সন্তানদের বাঁচানোর চেষ্টা করছিলেন মা অনিতা দেবী। তিনিও দাবি করেছিলেন, বাইরে থেকেই মেজ ছেলে আনসুল অসুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছিল। এমনকী খুনে ব্যবহৃত দড়িটিও তিনি লুকিয়ে ফেলার চেষ্টা করেছিলেন বলে অভিযোগ।
ঘটনায় দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। অন্যদিকে অনিতা দেবীর বিরুদ্ধেও প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।



