সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: দুগ্ধ শিল্পে বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে পাল্লা দিতে প্রস্তুত হচ্ছে ‘কামুল’। তার জন্য সাড়ে ১১ কোটি টাকা খরচ করে বিষ্ণুপুরে তুড়কিতে উৎপাদন কেন্দ্রের আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে। দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কংসাবতী মিল্ক ইউনিয়ন লিমিটেডের (কামুল) বিষ্ণুপুর ইউনিট থেকে দুগ্ধজাত বিভিন্ন দ্রব্য হয়। কিন্তু চাহিদা থাকলেও বহু বছরের পুরনো প্রযুক্তির মেশিনে চায়ের জন্য স্পেশাল দুধ তৈরি করা সম্ভব হচ্ছিল না। বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা ওই দুধের বাজার ধরে রেখেছে। এবার তাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতে তৈরি হচ্ছে কামুল। তার জন্য পুরনো ইউনিটের পাশেই আধুনিক ইউনিট তৈরি করা হচ্ছে। নির্মাণকাজও শুরু হয়েছে। উৎপাদন শুরু হলেই হাটে বাজারের দোকানে চায়ে চুমুক দিলে ক্রেতারা কংসাবতী প্রজেক্টের দুধের স্বাদ পাবেন।
Advertisement
কামুলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর বিষ্ণুপুরে আধুনিক দুগ্ধ ইউনিট গড়ে তুলতে আরআইডিএফের তহবিল থেকে প্রায় সাড়ে ১১ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। নির্মাণকাজও শুরু হয়েছে। বর্তমানে ১০ হাজার লিটার দুধ প্রক্রিয়াকরণ করা হয়। এবার তা দ্বিগুণ হবে।
দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর ও রাইপুরে কামুলের নিজস্ব ডেয়ারি শিল্প রয়েছে। প্রতিদিনই গোপালকদের কাছ থেকে দুধ সংগ্রহ করা হয়। তা প্রক্রিয়াকরণ করে দুগ্ধজাত বিভিন্ন দ্রব্য তৈরি করা হয়। তবে রাইপুরে কেবল ঘি উৎপাদন করা হয়। বিষ্ণুপুরে চার ধরনের দুধ ছাড়াও দই, লস্যি ও পনির উৎপাদন করা হয়। তা বাঁকুড়া ছাড়াও পার্শ্ববতী পুরুলিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে সরবরাহ করা হয়। কিন্তু বহু বছরের প্রচলিত মেশিন হওয়ায় উৎপাদনের গতি বেশ মন্থর। সেই সুযোগে বেসরকারি বিভিন্ন ডেয়ারি সংস্থার তৈরি দ্রব্যে বাজার ছেয়েছে। তাই যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে এবং প্রতিযোগীদের সঙ্গে পাল্লা দিতে রাজ্য সরকারও ওই শিল্পকে আরও চাঙ্গা করার উদ্যোগ নিয়েছে। নতুন ইউনিটে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি বসবে। তাতে দুধ, দই, লস্যি, ঘি, পনির ছাড়াও চায়ের জন্য স্পেশাল দুধও তৈরি হবে। শুধু তাই নয়। আগামী দিনে কামুল মিষ্টিও তৈরি করবে। সব মিলিয়ে দুধের চাহিদাও বাড়বে। তাতে গোপালকদের কাছ থেকে আরও বেশি দুধ সংগ্রহ করা যাবে।
দপ্তরের আধিকারিকরা বলেন, বর্তমানে প্রায় জেলায় গোপালকদেরকে নিয়ে বহু সমবায় সমিতি গঠন করা হয়েছে। তাঁদের মাধ্যমে দুধ সংগ্রহ করা হয়। বর্তমানে দৈনিক প্রায় ২০হাজার লিটার দুধ সংগ্রহ করা হয়। তার মধ্যে প্রায় অর্ধেক দুধ বাংলার ডেয়ারিকে সরবরাহ করা হয়। বাকি দুধ প্রক্রিয়াকরণ করে বিভিন্ন দ্রব্য তৈরি করা হয়। নতুন ইউনিট হলে দৈনিক ২০ হাজার লিটার দুধের নানা দ্রব্য তৈরি করা হবে। তখন বেশি সংখ্যক গোপালকের কাছ থেকে দুধ সংগ্রহ করা সম্ভব হবে।
দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর ও রাইপুরে কামুলের নিজস্ব ডেয়ারি শিল্প রয়েছে। প্রতিদিনই গোপালকদের কাছ থেকে দুধ সংগ্রহ করা হয়। তা প্রক্রিয়াকরণ করে দুগ্ধজাত বিভিন্ন দ্রব্য তৈরি করা হয়। তবে রাইপুরে কেবল ঘি উৎপাদন করা হয়। বিষ্ণুপুরে চার ধরনের দুধ ছাড়াও দই, লস্যি ও পনির উৎপাদন করা হয়। তা বাঁকুড়া ছাড়াও পার্শ্ববতী পুরুলিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে সরবরাহ করা হয়। কিন্তু বহু বছরের প্রচলিত মেশিন হওয়ায় উৎপাদনের গতি বেশ মন্থর। সেই সুযোগে বেসরকারি বিভিন্ন ডেয়ারি সংস্থার তৈরি দ্রব্যে বাজার ছেয়েছে। তাই যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে এবং প্রতিযোগীদের সঙ্গে পাল্লা দিতে রাজ্য সরকারও ওই শিল্পকে আরও চাঙ্গা করার উদ্যোগ নিয়েছে। নতুন ইউনিটে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি বসবে। তাতে দুধ, দই, লস্যি, ঘি, পনির ছাড়াও চায়ের জন্য স্পেশাল দুধও তৈরি হবে। শুধু তাই নয়। আগামী দিনে কামুল মিষ্টিও তৈরি করবে। সব মিলিয়ে দুধের চাহিদাও বাড়বে। তাতে গোপালকদের কাছ থেকে আরও বেশি দুধ সংগ্রহ করা যাবে।
দপ্তরের আধিকারিকরা বলেন, বর্তমানে প্রায় জেলায় গোপালকদেরকে নিয়ে বহু সমবায় সমিতি গঠন করা হয়েছে। তাঁদের মাধ্যমে দুধ সংগ্রহ করা হয়। বর্তমানে দৈনিক প্রায় ২০হাজার লিটার দুধ সংগ্রহ করা হয়। তার মধ্যে প্রায় অর্ধেক দুধ বাংলার ডেয়ারিকে সরবরাহ করা হয়। বাকি দুধ প্রক্রিয়াকরণ করে বিভিন্ন দ্রব্য তৈরি করা হয়। নতুন ইউনিট হলে দৈনিক ২০ হাজার লিটার দুধের নানা দ্রব্য তৈরি করা হবে। তখন বেশি সংখ্যক গোপালকের কাছ থেকে দুধ সংগ্রহ করা সম্ভব হবে।



