সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: শারীরিক প্রতিবন্ধকতার সব শংসাপত্র থাকলেও, কাকদ্বীপ মহকুমার বেশিরভাগ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের নেই ‘ইউ ডি আই ডি’ কার্ড, তথা জাতীয়স্তরের শংসাপত্র। বিভিন্ন সমস্যার কারণে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে এই কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারছেন না। এই কার্ড পাওয়ার জন্য প্রথমে কেন্দ্রীয় সরকারের ওয়েব পোর্টালে আবেদন করতে হয়। ওই আবেদনে নিকটবর্তী হাসপাতালকে বেছে নিতে হয়। এরপরই ওই হাসপাতালে গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা করতে হয়।
Advertisement
কিন্তু এই এলাকার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিরা বিভিন্ন সমস্যার কারণে ওই ওয়েব পোর্টালে আবেদন করতে পারছেন না। তাই মঙ্গলবার কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালের সুপারের কাছে এবিষয়ে ডেপুটেশন দেওয়ার জন্য প্রায় দুই হাজার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি জমায়েত হয়েছিলেন। প্রথমে তাঁরা সভায় বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে সোচ্চার হন। এরপর সংগঠনের পক্ষ থেকে তিনজন প্রতিনিধি হাসপাতালের সুপার কৃষ্ণেন্দু রায়ের কাছে গিয়ে এবিষয়ে একটি ডেপুটেশন জমা দেন। সুপার এই সমস্যার কথা শুনেই তৎক্ষণাৎ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।
এবিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রতিবন্ধী সম্মিলনীর পক্ষে অমলেশ ভট্টাচার্য বলেন, বিভিন্ন সমস্যার কারণে এই এলাকার কয়েক হাজার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি ‘ইউ ডি আই ডি’ কার্ডের আবেদন জমা করতে পারছিলেন না। তবে ডেপুটেশন জমা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সুপার কার্ডের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র হাসপাতালে জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এদিন প্রায় দুই হাজার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি নথি জমা করেছেন।
কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালের সুপার কৃষ্ণেন্দু রায় বলেন, সিস্টেমে আপলোড করার জন্য রোজ ২৫ জনের নথিপত্র জমা নেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু এদিন তাঁরা কাগজপত্র জমা দেওয়ার জন্য ডেপুটেশন দিয়েছিলেন। তাঁদের দাবি মেনে হাসপাতালের চারজন কর্মীকে কাজে লাগিয়ে সবার নথিপত্র জমা নেওয়া হয়েছে। ধীরে ধীরে সবাইকেই ‘ইউ ডি আই ডি’ কার্ড দেওয়া হবে।
এবিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রতিবন্ধী সম্মিলনীর পক্ষে অমলেশ ভট্টাচার্য বলেন, বিভিন্ন সমস্যার কারণে এই এলাকার কয়েক হাজার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি ‘ইউ ডি আই ডি’ কার্ডের আবেদন জমা করতে পারছিলেন না। তবে ডেপুটেশন জমা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সুপার কার্ডের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র হাসপাতালে জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এদিন প্রায় দুই হাজার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি নথি জমা করেছেন।
কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালের সুপার কৃষ্ণেন্দু রায় বলেন, সিস্টেমে আপলোড করার জন্য রোজ ২৫ জনের নথিপত্র জমা নেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু এদিন তাঁরা কাগজপত্র জমা দেওয়ার জন্য ডেপুটেশন দিয়েছিলেন। তাঁদের দাবি মেনে হাসপাতালের চারজন কর্মীকে কাজে লাগিয়ে সবার নথিপত্র জমা নেওয়া হয়েছে। ধীরে ধীরে সবাইকেই ‘ইউ ডি আই ডি’ কার্ড দেওয়া হবে।



