সংবাদদাতা, বোলপুর: সোমবার বসন্ত বন্দনা অনুষ্ঠান করল বিশ্বভারতীর পাঠভবন কর্তৃপক্ষ। শান্তিনিকেতনের আম্রকুঞ্জের জহর বেদিতে রবীন্দ্রনাথের গানে নাচে পাঠভবনের পড়ুয়ারা ‘বাঁধন-ছেড়া প্রাণ’ এর উৎসবে মেতে ওঠে। উপস্থিত ছিলেন পাঠভবনের অধ্যক্ষা বোধিরূপা সিংহ সহ আশ্রমিক ও বিশিষ্টরা। ছোট পরিসরে হলেও এদিন বসন্ত বন্দনা উপলক্ষ্যে শিক্ষক-শিক্ষিকা, পড়ুয়া ছাড়াও পাঠভবনের অভিভাবক ও স্থানীয়দের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
Advertisement
ছাত্রছাত্রীদের পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি সর্বাঙ্গীণ শিক্ষায় শিক্ষিত করতে চেয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ। তাই পঠনপাঠনের পাশাপাশি নাচ-গান, আবৃত্তি, শিল্পকলা প্রভৃতিতে পড়ুয়াদের পারদর্শী করতে চেয়েছিলেন। তারজন্য প্রকৃতিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছিলেন কবিগুরু। তাই বিশ্বভারতীতে প্রতিটি ঋতুর আলাদা কদর রয়েছে। তবে ঋতুরাজ বসন্ত এলে শান্তিনিকেতনের আকাশ-বাতাস উৎসবের রঙে রঙিন হয়ে ওঠে। প্রতি বছর ঘটা করে বসন্ত উৎসব আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তবে তার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবধারায় পাঠভবন কর্তৃপক্ষ ফাল্গুন মাসের প্রথম সপ্তাহে বসন্ত বন্দনা উদ্যাপন করে। এবছরও যার অন্যথা হয়নি। এদিন সকালে ‘ওরে গৃহবাসী খোল দ্বার খোল লাগল যে দোল’ গানে প্রথমে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে পাঠভবনের কচিকাঁচারা। এরপর ‘আজি দখিন দুয়ার খোলা, আজি দক্ষিণ পবনে, ও মঞ্জরী ও মঞ্জরী, দখিন হাওয়া জাগো জাগো’ প্রভৃতি রবীন্দ্রনাথের বসন্তের গানে-নাচে মুখরিত হয়ে ওঠে জহর বেদি প্রাঙ্গণ। মোট ১৩টি নাচ ও গান পরিবেশন করে পাঠভবনের পড়ুয়ারা। রবীন্দ্রনৃত্যের পাশাপাশি এবছরই প্রথম সমবেতভাবে পড়ুয়ারা মণিপুরী নৃত্যও উপস্থাপন করে।
পাঠভবনের অধ্যক্ষা বলেন, গুরুদেবের শিক্ষাচিন্তা ও জীবন দর্শনে ঋতু উদ্যাপনের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। পাঠভবনে প্রতিটি ঋতুকে বরণ ও বিদায় জানাই। শিক্ষার অংশ হিসেবেই এই ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বসন্তের আবাহনের জন্যই বসন্ত বন্দনার সফল আয়োজন করা হয়েছিল। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বসন্ত উৎসবেরই অঙ্গ হিসেবে আগে তুলে ধরা হয়। কারণ ছাত্র-ছাত্রীরা সারা বছর বিভিন্ন ঋতুর গান-নাচ চর্চা করে। তারই একটি আনন্দের প্রকাশ এই বসন্ত বন্দনা। ছাত্রছাত্রীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে অনুষ্ঠানটি সর্বাঙ্গীন সুন্দর করে তুলেছে।
পাঠভবনের অধ্যক্ষা বলেন, গুরুদেবের শিক্ষাচিন্তা ও জীবন দর্শনে ঋতু উদ্যাপনের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। পাঠভবনে প্রতিটি ঋতুকে বরণ ও বিদায় জানাই। শিক্ষার অংশ হিসেবেই এই ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বসন্তের আবাহনের জন্যই বসন্ত বন্দনার সফল আয়োজন করা হয়েছিল। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বসন্ত উৎসবেরই অঙ্গ হিসেবে আগে তুলে ধরা হয়। কারণ ছাত্র-ছাত্রীরা সারা বছর বিভিন্ন ঋতুর গান-নাচ চর্চা করে। তারই একটি আনন্দের প্রকাশ এই বসন্ত বন্দনা। ছাত্রছাত্রীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে অনুষ্ঠানটি সর্বাঙ্গীন সুন্দর করে তুলেছে।



