নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: খাদ্যসুরক্ষার উপর জোর দিতে পূর্ব মেদিনীপুর জেলাজুড়ে অভিযানে নামার সিদ্ধান্ত নিল প্রশাসন। বুধবার তমলুকে ডিএম অফিসে এনিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। সেখানে রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের সিনিয়র স্পেশাল সেক্রেটারি শুক্তিসীতা ভট্টাচার্য, জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজী, অতিরিক্ত জেলাশাসক(সাধারণ) সৌভিক চট্টোপাধ্যায় এবং দুই স্বাস্থ্য জেলার সিএমওএইচ উপস্থিত ছিলেন। গত এক বছরে পূর্ব মেদিনীপুরে খাদ্য সুরক্ষা নিয়ে অভিযানে মোট সাড়ে চার লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় হয়েছে। এছাড়াও কয়েকটি দোকানের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।
Advertisement
এদিনের বৈঠকে ঠিক হয়েছে, জেলার মিষ্টির দোকানদারা স্বাস্থ্যসম্মতভাবে মিষ্টি বানাচ্ছেন কি না, সেব্যাপারে নজরদারি বাড়ানো হবে। দীঘা, মন্দারমণির হোটেলেও এই অভিযান বাড়ানো হবে। আইসিডিএস সেন্টার, মিড ডে মিলের রান্না স্বাস্থ্যসম্মত কি না, নজরদারি চলবে। হোটেল, রেস্তরাঁ ও খাবারের দোকানকে সার্টিফিকেট নিতে হবে। ফুড সেফটি লাইসেন্স নিতেই হবে। আগামী ২৩ফেব্রুয়ারি মন্দারমণি ও তাজপুরের হোটেল কর্মীদের নিয়ে খাদ্য সুরক্ষার উপর সচেতনতা শিবির হবে। সেখানে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দীঘাতেও একই কাজ হবে। জেলার চারটি মহকুমায় সকল মিষ্টির দোকানদারকে আলাদা করে একই কর্মসূচি পালন করা হবে।
অনেক সময় মেলার খাবার থেকে বিষক্রিয়ার ঘটনা ঘটছে। তাই এখন থেকে মেলা করলে সেখান সকল খাবারের দোকানের নামের তালিকা প্রশাসনের কাছে জমা করতে হবে। কারা কোন ধরনের খাবার আনছে সেটাও উল্লেখ করতে হবে। কোন খাবার থেকে বিষক্রিয়ার ঘটনা ঘটছে সেটা চিহ্নিত করতে এই পদক্ষেপ। সারা রাজ্য থেকে সংগৃহীত খাবারের নমুনা পরীক্ষা করার জন্য কলকাতায় ল্যাবে পাঠানো হয়। একটিমাত্র ল্যাব থাকায় রিপোর্ট পেতে দেরি হয়। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় এই ল্যাব বানানো যায় কি না, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এজন্য ছ’হাজার বর্গমিটার জমি প্রয়োজন। জেলাশাসক এদিনের মিটিংয়ে ল্যাবের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা দেওয়ার কথা জানান। খাদ্য সুরক্ষা বিভাগের আরেকটি বড় সমস্যা হল কর্মী সঙ্কট। হাতে গোনা কয়েকজন কর্মী নিয়ে এই বিভাগ চলছে। এমনকী, জেলা খাদ্যসুরক্ষা আধিকারিক বিশ্বজিৎ মান্না নিজে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দায়িত্বে। জেলাজুড়ে ফুড সেফটির উপর জোর দিতে কর্মী নিয়োগ প্রয়োজন। সেই বিষয়টি নিয়েও মিটিংয়ে আলোচনা হয়। জেলাশাসক বলেন, এদিন ফুড সেফটির উপর একটি মিটিং হয়েছে। জেলার সকল মিষ্টি দোকানদারকে নিয়ে সচেতনতা গড়া হবে। প্রত্যেক খাবারের দোকানকে খাদ্য সুরক্ষা লাইসেন্স ও সার্টিফিকেট নিতে হবে। এবার থেকে মেলায় আসা খাবারের দোকানের লিস্টও জমা করতে হবে।
অনেক সময় মেলার খাবার থেকে বিষক্রিয়ার ঘটনা ঘটছে। তাই এখন থেকে মেলা করলে সেখান সকল খাবারের দোকানের নামের তালিকা প্রশাসনের কাছে জমা করতে হবে। কারা কোন ধরনের খাবার আনছে সেটাও উল্লেখ করতে হবে। কোন খাবার থেকে বিষক্রিয়ার ঘটনা ঘটছে সেটা চিহ্নিত করতে এই পদক্ষেপ। সারা রাজ্য থেকে সংগৃহীত খাবারের নমুনা পরীক্ষা করার জন্য কলকাতায় ল্যাবে পাঠানো হয়। একটিমাত্র ল্যাব থাকায় রিপোর্ট পেতে দেরি হয়। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় এই ল্যাব বানানো যায় কি না, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এজন্য ছ’হাজার বর্গমিটার জমি প্রয়োজন। জেলাশাসক এদিনের মিটিংয়ে ল্যাবের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা দেওয়ার কথা জানান। খাদ্য সুরক্ষা বিভাগের আরেকটি বড় সমস্যা হল কর্মী সঙ্কট। হাতে গোনা কয়েকজন কর্মী নিয়ে এই বিভাগ চলছে। এমনকী, জেলা খাদ্যসুরক্ষা আধিকারিক বিশ্বজিৎ মান্না নিজে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দায়িত্বে। জেলাজুড়ে ফুড সেফটির উপর জোর দিতে কর্মী নিয়োগ প্রয়োজন। সেই বিষয়টি নিয়েও মিটিংয়ে আলোচনা হয়। জেলাশাসক বলেন, এদিন ফুড সেফটির উপর একটি মিটিং হয়েছে। জেলার সকল মিষ্টি দোকানদারকে নিয়ে সচেতনতা গড়া হবে। প্রত্যেক খাবারের দোকানকে খাদ্য সুরক্ষা লাইসেন্স ও সার্টিফিকেট নিতে হবে। এবার থেকে মেলায় আসা খাবারের দোকানের লিস্টও জমা করতে হবে।



