নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: বিচার ব্যবস্থার অন্যতম অংশ হল ক্রেতা সুরক্ষা আদালত। কিন্তু মাসখানেক ধরে আইনজীবীদের কর্মবিরতির জেরে এই আদালতের সব কাজই প্রায় বন্ধ। মামলাকারীরা এলেও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে তাঁদের। এখানেই শেষ নয়, প্রায় চার হাজারের মতো মামলা ঝুলে রয়েছে এই আদালতে। ফলে চরম সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বার অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, নিজেদের সুরক্ষার স্বার্থে বাধ্য হয়েই কর্মবিরতির পথে হাঁটতে হয়েছে তাঁদের। তবে, এক্ষেত্রে জেলা প্রশাসনের নীরব ভূমিকা পালন করায় ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন আইনজীবীরা।
Advertisement
একটা সময় বারাসত লরি স্ট্যান্ডের কাছে ছিল জেলা ক্রেতা সুরক্ষা আদালত। ২০০৩ সালের ১৫ জানুয়ারি সেখান থেকে এই আদালত সরিয়ে নিয়ে আসা হয় কলোনি মোড় এলাকায়। তারপর থেকে একটি ভাড়া বাড়িতেই প্রায় ২১ বছর ধরে চলছে এই আদালত। এখানে পর্যাপ্ত জায়গা নেই। আইনজীবীদের বসার জন্য কোনও নির্দিষ্ট ঘরও নেই। শুধু তাই নয়, বারাসত জেলা আদালত থেকে এর দূরত্ব অনেকটা। অনেক সময় রেললাইন ধরে হেঁটে আসতে হয় আইনজীবীদের। ১৪ নভেম্বর এই আদালতে আসার সময় রেলের ধাক্কায় মৃত্যু হয় আইনজীবী বন্দনা মাইতির। সেই সময় আইনজীবীরা দাবি তোলেন, ক্রেতা সুরক্ষা আদালতকে জেলা আদালতের আশপাশে নিয়ে যেতে হবে। এই দাবি বহু আগেই উঠেছিল। তবে বন্দনা মাইতির মৃত্যুর পর এই দাবি আরও জোরালো হয়েছে। নিজেদের সুরক্ষা ও মামলাকারীদের স্বার্থেই কর্মবিরতির পথে হেঁটেছেন জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। রীতিমতো নোটিস জারি করে ১৮ নভেম্বর থেকে চলছে ধর্মঘট। প্রতিদিন একশোর বেশি মামলাকারী আদালতে এলেও কাজ না হওয়ায় ফিরে যাচ্ছেন। এই এক মাসে প্রায় চার হাজার মামলা ঝুলে রয়েছে বলে আইনজীবীদের সূত্রে জানা গিয়েছে।
বারাসত জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ভাস্কর রায় বলেন, যে কারণে ক্রেতা সুরক্ষা আদালত তৈরি, তা থেকে মানুষ বঞ্চিত হচ্ছেন। আমাদের কর্মবিরতির মূলত কারণ হল, ক্রেতা সুরক্ষা আদালতের স্থান পরিবর্তন। জেলা আদালত থেকে বহু দূরে কনজিউমার ফোরাম অবস্থিত। ফলে কাজ করতে আইনজীবীদের ব্যাপক সমস্যা হয়। রেললাইন পারাপার করতে হয়। ফলে কাজের ক্ষেত্রেও ব্যাঘাত ঘটে। আমরা বারে বারে এ নিয়ে দপ্তরকে জানিয়েছি, কিন্তু কাজ কিছুই হয়নি। আমাদের দাবি, এ নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করুক দপ্তর। সরকার দাবি মেনে নিলে আমরা কর্মবিরতি তুলে নেব। বারের সম্পাদক অলোক সমাজপতি বলেন, জেলা কোর্টের আশপাশে এই আদালত তৈরি করা হলে সবার সুবিধা হবে। জেলা ক্রেতা সুরক্ষা আদালত কোথায় অবস্থিত, অনেকেই তা জানেন না। ফলে অনেকেরই সমস্যা হয়। এ নিয়ে জেলাশাসককে ফোন করা হলে তিনি ফোন না ধরায় প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
বারাসত জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ভাস্কর রায় বলেন, যে কারণে ক্রেতা সুরক্ষা আদালত তৈরি, তা থেকে মানুষ বঞ্চিত হচ্ছেন। আমাদের কর্মবিরতির মূলত কারণ হল, ক্রেতা সুরক্ষা আদালতের স্থান পরিবর্তন। জেলা আদালত থেকে বহু দূরে কনজিউমার ফোরাম অবস্থিত। ফলে কাজ করতে আইনজীবীদের ব্যাপক সমস্যা হয়। রেললাইন পারাপার করতে হয়। ফলে কাজের ক্ষেত্রেও ব্যাঘাত ঘটে। আমরা বারে বারে এ নিয়ে দপ্তরকে জানিয়েছি, কিন্তু কাজ কিছুই হয়নি। আমাদের দাবি, এ নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করুক দপ্তর। সরকার দাবি মেনে নিলে আমরা কর্মবিরতি তুলে নেব। বারের সম্পাদক অলোক সমাজপতি বলেন, জেলা কোর্টের আশপাশে এই আদালত তৈরি করা হলে সবার সুবিধা হবে। জেলা ক্রেতা সুরক্ষা আদালত কোথায় অবস্থিত, অনেকেই তা জানেন না। ফলে অনেকেরই সমস্যা হয়। এ নিয়ে জেলাশাসককে ফোন করা হলে তিনি ফোন না ধরায় প্রতিক্রিয়া মেলেনি।



