নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: প্রেসক্রিপশনে লেখা এমবিবিএস (ক্যাল), এমডি। কিন্তু তার নীচে আবার লেখা, জেনারেল মেডিসিন (পিজিটি)। ওই চিকিৎসক বারাসত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার। পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি চিকিৎসক কীভাবে ডিগ্রির জায়গায় ‘এমডি’ লিখছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
Advertisement
বারাসত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে মেডিক্যাল অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন ডাঃ ফারুক মণ্ডল। আগে তিনি কল্যাণীর এনএসএস টিবি হসপিটালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি রোজ বারাসত হাসপাতালে রাউন্ডে আসেন। কিন্তু কয়েকদিন আগে তাঁর দেখা এক রোগীকে নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। চিকিৎসক তাঁর ডিগ্রি হিসেবে যা লিখেছেন, তা বিভ্রান্তিকর বলেই মনে করছে চিকিৎসকমহল। এক রোগীর পরিবারের সদস্যের অভিযোগ, অন্য চিকিৎসকদের এই প্রেসক্রিপশন দেখানো হয়েছিল। ওঁরা স্পষ্ট বলেছেন, এই ধরনের ডিগ্রি হয় না। বারাসত মেডিক্যাল কলেজের ওই চিকিৎসক কীভাবে এইরকম ডিগ্রি লিখছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। এনিয়ে তাঁরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ জানাবেন বলেও দাবি করেছেন।
এনিয়ে ওই চিকিৎসককে একাধিকবার ফোন করা হয়। তাঁর স্ত্রী ফোন ধরে বলেন, পরে ফোন করবেন তিনি। পরে অবশ্য আর ফোন আসেনি। ফলে তাঁর প্রতিক্রিয়াও মেলেনি। এ বিষয়ে বারাসত মেডিক্যাল কলেজের এমএসভিপি ডাঃ অভিজিৎ সাহা বলেন, বিষয়টি জানা নেই। লিখিত অভিযোগ এলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এনিয়ে ওই চিকিৎসককে একাধিকবার ফোন করা হয়। তাঁর স্ত্রী ফোন ধরে বলেন, পরে ফোন করবেন তিনি। পরে অবশ্য আর ফোন আসেনি। ফলে তাঁর প্রতিক্রিয়াও মেলেনি। এ বিষয়ে বারাসত মেডিক্যাল কলেজের এমএসভিপি ডাঃ অভিজিৎ সাহা বলেন, বিষয়টি জানা নেই। লিখিত অভিযোগ এলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



