Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬

বর্ষশেষে বোধোদয়! হিংসা নিয়ে ক্ষমাপ্রার্থনা মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর

বর্ষশেষে বোধোদয়! হিংসা নিয়ে ক্ষমাপ্রার্থনা মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর
  • ১ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
ইম্ফল: বিলম্বিত বোধোদয়! দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে হিংসার আগুনে জ্বলছে মণিপুর। ২০২৪ সালের শেষ দিনে এজন্য ক্ষমা চাইলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং।  অতীত ভুলে নতুন করে শান্তির পথে পা বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছেন তিনি। রাজ্যের মানুষের কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করে তাঁর বার্তা, অতীতে যা হয়েছে ভুলে যান। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যে আদৌ সন্তুষ্ট নয় বিরোধীরা। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও নিশানা করছে তারা। হিংসা শুরু হওয়ার পর থেকে মণিপুর নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন মোদি। উত্তর-পূর্বের ওই রাজ্যে একবারের জন্যও আসেননি তিনি। সেই প্রস্ঙ্গ তুলে কংগ্রেসের প্রশ্ন, মোদি কেন ক্ষমা চাইছেন না?
Advertisement
মঙ্গলবার ইম্ফলে সাংবাদিক বৈঠকে মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বছরজুড়ে নানা অবাঞ্ছিত ঘটনা ঘটছে। এই সমস্ত ঘটনার জন্য আমি রাজ্যের মানুষের কাছে ক্ষমা চাইছি। বহু মানুষ তাঁদের প্রিয়জনদের হারিয়েছেন। অনেকে ঘরবাড়ি খুইয়েছেন। এজন্য আমার খুব খারাপ লাগে। আমি ক্ষমাপ্রার্থী।’ তবে নতুন বছরে রাজ্যে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন বীরেন সিং। তাঁর বক্তব্য, ‘গত তিন-চার মাস ধরে ধীরে ধীরে শান্তি ফিরছে। আমার আশা, ২০২৫ সালের মধ্যে রাজ্যে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে।’
বছর শেষে ক্ষমা চেয়ে মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী যখন সব সমালোচনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টায় ব্যস্ত, তখন পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছে বিরোধীরা। তাদের লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রী মোদি। প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যকে ‘উপেক্ষা’র অভিযোগ করেছেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ। এদিন নিজের এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কেন মণিপুরে যাচ্ছেন না এবং সেখানে গিয়ে একই কথা বলছেন না? উনি দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। অথচ মণিপুরে যাচ্ছেন না। মণিপুরবাসী এই উপেক্ষার কারণ বুঝতে পারছে না।’  ২০২৩ সালের মে মাস থেকে জাতিহিংসার কারণে মণিপুরে প্রাণ হারিয়েছে অন্তত ২৫০ জন। 
এদিকে, সোমবার ইম্ফল ইস্ট জেলার সাগাইশাবি রোয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ বাজেয়াপ্ত করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। 
সম্পর্কিত সংবাদ