কলকাতা, ২৮ ডিসেম্বর: অপেক্ষা আর মাত্র দিন দুয়েকের। তারপরই আসবে বর্ষবরণের রাত। গোটা বিশ্বের মতই নতুন বছরকে বরণ করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে মহানগরী কলকাতাও। বর্ষবরণের রাতে ৮ থেকে ৮০ বেরিয়ে পড়বে রাস্তায়। এটাই দস্তুর। দেদার ভিড় বাড়বে শহরের বুকে। তাই বর্ষবরণের রাতে কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হবে শহর কলকাতাকে। বড়দিনটি এবার নির্বিঘ্নেই কাটিয়েছে শহরবাসী। আবারও একটা চ্যালেঞ্জের জন্য তৈরি হচ্ছে পুলিস প্রশাসনও। উৎসবের শহরে যাতে কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে দিকে কড়া নজর রাখছে কলকাতা পুলিস। আজ শনিবার লালবাজারে সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনটাই জানালেন পুলিস কমিশনার মনোজ বর্মা। জানানো হয়েছে, বর্ষবরণে কলকাতায় বিশেষ নজর থাকবে পার্ক স্ট্রিটের দিকে। এ ছাড়াও রাতে মা উড়ালপুলে বাইক আরোহীদের ছাড় দেওয়ার কথাও ঘোষণা করলেন মনোজ।
Advertisement
বর্ষবরণে শহরের নিরাপত্তা পর্যালোচনা করে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে তা এদিন পরিস্কারভাবে জানিয়ে দেন তিনি। জানান, বর্ষবরণ উপলক্ষে শহরের যেখানে যেখানে ভিড় হয়, যেমন চিড়িয়াখানা, জাদুঘর ইত্যাদি জায়গায় পুলিস মোতায়েন থাকবে। সকলকে আইন মেনে বর্ষবরণ উৎসব পালনের আর্জিও জানান তিনি। মহিলা এবং শিশুদের নিরাপত্তার দিকে যেমন নজর রাখা হবে তেমনই আবার অসুস্থ, বয়স্ক বা অ্যাম্বুল্যান্সের যাতায়াতের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সে দিকেও কড়া নজর রাখা হবে পুলিসর তরফ থেকে। পাশাপাশি, মত্ত অবস্থায় বা বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালালে, জুটবে কড়া ‘শাস্তি’। শুধু তা-ই নয়, শ্লীলতাহানি বা মহিলাদের সঙ্গে অভব্য ব্যবহারের অভিযোগের উপরও নজর রাখা হবে। এদিন মনোজ জানান, ৩১ ডিসেম্বর এবং ১ জানুয়ারি শহরজুড়ে সাড়ে চার হাজার পুলিস মোতায়েন থাকবে। বর্ষবরণ উপলক্ষে যে হেতু পার্ক স্ট্রিট এলাকায় বেশি ভিড় হয়, তাই সেখানে পুলিসের বিশেষ নজর থাকবে। এমনকী সাদা পোশাকে পুলিস মোতায়েনও থাকবে। পাশাপাশি থাকবে অপরাধ দমন শাখার দলও। শহরে ৫০টির বেশি জায়গায় স্পেশাল নাকা চেকিংয়ের বন্দোবস্ত থাকবে। এ ছাড়া বেশ কিছু জায়গায় রাখা হবে পুলিসের সহায়তা কেন্দ্র। এই উৎসবের মরশুমে মা উড়ালপুলে রাতে বাইক আরোহীদের ক্ষেত্রে ২৪ ঘণ্টার জন্য ছাড় দেওয়া হল। তবে গতি মেনে চালাতে হবে। এর আগে সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখে বড়দিনেও এই ছাড় দেওয়া হয়েছিল। তাতে কোনও সমস্যা হয়নি। কোনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি। ফলে বর্ষবরণেও একইভাবে কাজ করা হবে। পার্ক স্ট্রিটের পাশাপাশি অ্যালেন পার্ক, বউবাজার এলাকার পানশালাগুলিতে থাকবে কড়া নজর।
কলকাতা পুলিসের স্পেশাল ফোর্স এবং উইনার্স টিম মোতায়েন করা হচ্ছে। বর্ষবরণের রাতে কলকাতায় কারা আসছে সেসব কন্ট্রোল রুম থেকে কড়া তদারকি করবেন পুলিসের শীর্ষকর্তারা। পার্ক স্ট্রিট–সহ ধর্মতলা চত্বরকে বেশ কয়েকটি জোনে ভাগ করা হয়েছে। প্রত্যেকটি জোনের দায়িত্বে থাকছেন একজন করে ডেপুটি কমিশনার। আর প্রত্যেকটি জোনে ডেপুটি কমিশনারের নেতৃত্বে অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার এবং ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার পুলিস থাকবে। কলকাতা পুলিসের উইনার্স টিম মিলেনিয়াম পার্ক, ভিক্টোরিয়া এবং ময়দানে টহলও দেবে।
কলকাতা পুলিসের স্পেশাল ফোর্স এবং উইনার্স টিম মোতায়েন করা হচ্ছে। বর্ষবরণের রাতে কলকাতায় কারা আসছে সেসব কন্ট্রোল রুম থেকে কড়া তদারকি করবেন পুলিসের শীর্ষকর্তারা। পার্ক স্ট্রিট–সহ ধর্মতলা চত্বরকে বেশ কয়েকটি জোনে ভাগ করা হয়েছে। প্রত্যেকটি জোনের দায়িত্বে থাকছেন একজন করে ডেপুটি কমিশনার। আর প্রত্যেকটি জোনে ডেপুটি কমিশনারের নেতৃত্বে অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার এবং ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার পুলিস থাকবে। কলকাতা পুলিসের উইনার্স টিম মিলেনিয়াম পার্ক, ভিক্টোরিয়া এবং ময়দানে টহলও দেবে।



