নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বারাকপুর সেনা চত্বরে (আর্মি ক্যান্টনমেন্ট) পরিশুদ্ধ পানীয় জলের সরবরাহ করতে ‘রেট’ তিনগুণ করল কলকাতা পুরসভা। সম্প্রতি, পুরসভার মেয়র পরিষদের বৈঠকে এই প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। এতদিন জল সরবরাহ করতে এক হাজার লিটার পিছু দেড় টাকা করে নেওয়া হতো। এবার, সেই ‘রেট’ বেড়ে হচ্ছে ৪ টাকা ৬০ পয়সা। যদিও, পুরসভা জানাচ্ছে, তিনগুণ টাকা চাওয়া হচ্ছে, তেমনটা নয়। এতদিন ভর্তুকি দিয়ে পানীয় জল দেওয়া হচ্ছিল। তবে, এবার থেকে আর ভর্তুকি নয়, সমপরিমাণ জল উৎপাদনে পুরসভার যত টাকা খরচ হয়, সেনার থেকে শুধু সেই টাকাই নেওয়া হবে। এই নয়া রেটবৃদ্ধি নিয়ে সেনাও সম্মত হয়েছে বলেই জানাচ্ছে পুরসভার জল সরবরাহ বিভাগ।
Advertisement
২০১৪ সাল থেকে এক হাজার লিটার পিছু দেড় টাকা করে নেওয়ার চুক্তি হয়। ২০১৯ সালে তা বেড়ে ৪ টাকা ৬০ পয়সা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিভিন্ন কারণে তা হয়নি। এবার সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে। পাশাপাশি, যেহেতু ২০১৯ সাল থেকে এই রেটবৃদ্ধির কথা হয়েছিল, তাই গত পাঁচ বছরের এরিয়ারও নেওয়া হবে সেনার থেকে। সেই বাবদ একলপ্তে ১ কোটি ৬১ লক্ষ টাকা পাবে পুরসভা।
কী পদ্ধতিতে এই রেট নির্ধারণ হয়েছে? এক কর্তা বলেন, যেহেতু বারাকপুরে সেনার জমির ভিতর দিয়ে পলতা জল প্রকল্পের পাইপলাইন পাতা হয়েছে, তাই ২০১৪ সাল থেকে সেনাকে ওই ভর্তুকি দিয়ে হাজার লিটার জলের জন্য মাত্র দেড় টাকা করে নেওয়া হতো। সেইসময় ওই সমপরিমাণ জল তৈরির উৎপাদন খরচ পড়ত ৪ টাকা ৬০ পয়সা। পরবর্তীকালে ঠিক হয়, ২০১৯ সাল থেকে শুধুমাত্র সেই উৎপাদন খরচের হারেই সেনা চত্বরে জল সরবরাহ করা হবে। সেই চুক্তি রূপায়িত হল এতদিনে।
কী পদ্ধতিতে এই রেট নির্ধারণ হয়েছে? এক কর্তা বলেন, যেহেতু বারাকপুরে সেনার জমির ভিতর দিয়ে পলতা জল প্রকল্পের পাইপলাইন পাতা হয়েছে, তাই ২০১৪ সাল থেকে সেনাকে ওই ভর্তুকি দিয়ে হাজার লিটার জলের জন্য মাত্র দেড় টাকা করে নেওয়া হতো। সেইসময় ওই সমপরিমাণ জল তৈরির উৎপাদন খরচ পড়ত ৪ টাকা ৬০ পয়সা। পরবর্তীকালে ঠিক হয়, ২০১৯ সাল থেকে শুধুমাত্র সেই উৎপাদন খরচের হারেই সেনা চত্বরে জল সরবরাহ করা হবে। সেই চুক্তি রূপায়িত হল এতদিনে।



