সংবাদদাতা, বারুইপুর: বারুইপুরের রাসমাঠে রায়চৌধুরীদের ৩০০ বছরের রাস উৎসব। এবার রাসের প্রধান আকর্ষণ রোলেক্স সার্কাস। শুক্রবার রাস মেলা শুরু। সে দিন সার্কাসও শুরু হবে। আধুনিক সার্কাসের দল যেমন আসে। তেমনই আসে পুরনো দিনের বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের দল। জমিদারি রীতি মেনে বসে তরজা গানের আসর, পুতুল নাচ হয় এখনও।
Advertisement
বৃন্দাবনে রাস উৎসব যে নিয়মরীতি মেনে হয় রায়চৌধুরীদের রাসও সে নিয়মেই হয়ে আসছে। এ বাড়ির ভিতর নাটমন্দির। সেখান থেকে রাধাকৃষ্ণকে দশজন বাহক কাঁধে তুলে শোভাযাত্রা করে নিয়ে আসেন রাসমঞ্চে।
পুজোর পর বাজি ফাটানো হয়। যা দেখতে দূর দূরান্ত থেকে মানুষ আসে। পরিবারের সদস্য অমিয়কৃষ্ণ রায়চৌধুরী বলেন, ‘জমিদারি চলে গিয়েছে। কিন্তু ইতিহ্য মেনেই বংশপরম্পরায় সব কিছু হচ্ছে।’ তিনি জানান, প্রথম দিন ঠাকুরের রাখাল বেশ। দ্বিতীয় দিন তিনি নটবর। তৃতীয় দিন রাজবেশ পরিয়ে রাস মাঠের রাসমঞ্চে নিয়ে আসা হয়। এখন মঞ্চ সাজিয়ে তোলার কাজ চলছে।
এবার মেলার আকর্ষণ হয়ে উঠেছে সার্কাস। মেলা চলে একমাস। গাছ-গাছালির দোকান থেকে জিলিপি-বাদাম, গৃহস্থালির সরঞ্জামের দোকান বসে। ইতিমধ্যেই দোকানপাট বসার প্রস্তুতি চলছে। সার্কাসের তাঁবু ফেলার কাজ চলছে। সার্কাসের কর্মকর্তা সাদিক রহমান ও নুর হোসেন মণ্ডল বলেন, ‘এবার সার্কাসে ৬৫ জন কলাকুশলী আছেন। ১৩ জন মণিপুরি ছেলে-মেয়ে আছেন। তাঁরা জিমন্যাস্টিকের খেলা দেখিয়ে দর্শকদের মন ভরাবেন। তিন জন জোকার মজার খেলা দেখাবেন।
পুজোর পর বাজি ফাটানো হয়। যা দেখতে দূর দূরান্ত থেকে মানুষ আসে। পরিবারের সদস্য অমিয়কৃষ্ণ রায়চৌধুরী বলেন, ‘জমিদারি চলে গিয়েছে। কিন্তু ইতিহ্য মেনেই বংশপরম্পরায় সব কিছু হচ্ছে।’ তিনি জানান, প্রথম দিন ঠাকুরের রাখাল বেশ। দ্বিতীয় দিন তিনি নটবর। তৃতীয় দিন রাজবেশ পরিয়ে রাস মাঠের রাসমঞ্চে নিয়ে আসা হয়। এখন মঞ্চ সাজিয়ে তোলার কাজ চলছে।
এবার মেলার আকর্ষণ হয়ে উঠেছে সার্কাস। মেলা চলে একমাস। গাছ-গাছালির দোকান থেকে জিলিপি-বাদাম, গৃহস্থালির সরঞ্জামের দোকান বসে। ইতিমধ্যেই দোকানপাট বসার প্রস্তুতি চলছে। সার্কাসের তাঁবু ফেলার কাজ চলছে। সার্কাসের কর্মকর্তা সাদিক রহমান ও নুর হোসেন মণ্ডল বলেন, ‘এবার সার্কাসে ৬৫ জন কলাকুশলী আছেন। ১৩ জন মণিপুরি ছেলে-মেয়ে আছেন। তাঁরা জিমন্যাস্টিকের খেলা দেখিয়ে দর্শকদের মন ভরাবেন। তিন জন জোকার মজার খেলা দেখাবেন।



