Bartaman Logo
২৫ আগস্ট, ২০২৬

গণবিবাহের গয়না নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ বধূদের

গণবিবাহ কর্মসূচি। সৌজন্যে মুখ্যমন্ত্রী কন্যা বিবাহ যোজনা। গত ১০ ফেব্রুয়ারি দুঃস্থ পরিবারের কন্যাদের বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল ছত্তিশগড়ের এমসিবি জেলার মহামায়া মন্দির কমপ্লেক্সে।

গণবিবাহের গয়না নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ বধূদের
  • ১৬ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

রায়পুর: গণবিবাহ কর্মসূচি। সৌজন্যে মুখ্যমন্ত্রী কন্যা বিবাহ যোজনা। গত ১০ ফেব্রুয়ারি দুঃস্থ পরিবারের কন্যাদের বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল ছত্তিশগড়ের এমসিবি জেলার মহামায়া মন্দির কমপ্লেক্সে। ১৮০ জন যুগলের সেখানে বিবাহ সম্পন্ন হয়। সরকারি যোজনা অনুযায়ী, প্রত্যেক নববিবাহিতাকে ১৫ হাজার টাকার রুপোর মঙ্গলসূত্র দেওয়া হয়।  কিন্তু কয়েক সপ্তাহ পরেই সেই মঙ্গলসূত্র থেকে রুপোলি রং উঠে একেবারে কালো হয়ে যায়। অধিকাংশ নববধূদের অভিযোগ এমনই। তাঁরা এই ঘটনায় অত্যন্ত ক্ষুব্ধ। নববিবাহিতাদের দাবি, দাম্পত্য জীবনে মঙ্গলসূত্রর গুরুত্ব অপরিসীম। সেখানে এহেন এক পবিত্র গয়না নিয়ে এই প্রতারণা মেনে নেওয়া যায় না। 

Advertisement

পাঁচ নববধূ সম্প্রতি এই মঙ্গলসূত্র স্থানীয় গয়নার দোকানে নিয়ে যান। সেখানে জানানো হয়, ওই মঙ্গলসূত্র কোনোভাবেই রুপোর গয়না নয়। তামা, জিঙ্ক আর নিকেল দিয়ে তৈরি সামান্য গিলে। এরপরই নারী ও শিশু কল্যাণ বিভাগের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে শামিল হন নববধূরা। সঞ্জনা দয়াল নামে এক সদ্য বিবাহিতা বলেন, ১৫ হাজার টাকার রুপোর মঙ্গলসূত্র দেওয়া হবে বলে সরকারের তরফে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। অথচ বাস্তবে প্রতারণা হয়েছে। 
এদিকে এই ঘটনা নিয়ে বিজেপি সরকারকে একহাত নিয়েছে বিরোধী কংগ্রেস। দলের মিডিয়া সেলের চেয়ারম্যান সুশীল আনন্দ বলেন, নববধূদের রুপোর নামে নিকেলের মঙ্গলসূত্র দেওয়াটা অত্যন্ত লজ্জাজনক। এর সঙ্গে ধর্মীয় ভাবাবেগ জড়িয়ে রয়েছে। বিজেপি সেখানেই আঘাত করেছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ