নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: ভারতীয় পুরুষদের সঙ্গে বিয়ের সম্পর্ক গড়ে চলত অভিনব কায়দায় প্রতারণা! শুধু তাই নয়, সেই উদ্দেশ্যে যুবতী বানিয়েছিলেন বৈধ পাসপোর্ট। বাংলাদেশ থেকে তিনি এপারে আসতেন মেডিক্যাল ভিসা নিয়ে। গত কয়েক বছরে কমপক্ষে ছ’বার ভারতে এসেছেন ধৃত বাংলাদেশি যুবতী। বিয়ে করেছেন তিন-চারজন ভারতীয়কে! নারায়ণপুরে ধৃত বাংলাদেশি যুবতীর ঘটনায় তদন্তে নেমে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানতে পেরেছে বিধাননগর কমিশনারেট। তবে, বিয়ে করার সময় তিনি নিজেকে বাংলাদেশি বলে পরিচয় দিতেন না। তিনি নিজেকে ভারতীয় তরুণী বলেই পরিচিয় দিতেন। তার জন্য ভুয়ো নথিপত্রও তৈরি করেছিলেন।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই বাংলাদেশি তরুণীর বয়স ৩২ বছর। নাম ‘সাহানা’। মূলত রাজারহাট-নিউটাউন এলাকায় ছিল তাঁর ডেরা। বাংলাদেশ থেকে বৈধপথে ভারতে এসেই এখানে ‘ছেলেধরা অভিযান’ শুরু করতেন। যুবকদের সঙ্গে পরিচয় করে কিছুদিন প্রেম করতেন। তারপরই বিয়ে করে নিতেন। রেজিস্ট্রি বিয়ে করতেন না। বিয়ের ছ’মাসের মধ্যেই তিনি স্থানীয় থানায় গিয়ে স্বামীর নামে ভুয়ো বধূ নির্যাতনের অভিযোগ দায়ের করতেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস ‘অভিযুক্ত’ স্বামীকে গ্রেপ্তারও করত। কিন্তু, পরে তিনি স্বামীর কাছ থেকে টাকা আদায় করে অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিতেন। তারপর লুটের টাকা নিয়ে চলে যেতেন বাংলাদেশ। কয়েকমাস পর আবার বাংলাদেশ থেকে আসতেন ভারতে। আবার বিয়ে। আবার একই কৌশল।
গত অক্টোবরে শেষবার ভারতে এসেছিলেন তিনি। পুলিস জানতে পেরেছে, তিনি মেডিক্যাল ভিসা নিয়ে এসেছেন। এখনও তাঁর ভিসার মেয়াদ রয়েছে। জেরায় জানা গিয়েছে, আগেও তিনি মেডিক্যাল ভিসা নিয়ে আসতেন। যেহেতু, বৈধপথে তিনি ভারতে ঢুকতেন আবার বাংলাদেশে ফিরে যেতেন, তাই তাঁকে সন্দেহ হয়নি কারও। তবে, গত বৃহস্পতিবার নারায়ণপুর থানায় স্বামীর নামে অভিযোগ করতে গিয়েই বিপত্তি শুরু। অভিযোগের পর পুলিস স্বামীকে গ্রেপ্তারও করে। এবার নির্যাতনের সঙ্গে ওই যুবতী জানিয়েছিলেন, তাঁর স্বামী তাঁর অশ্লীল ছবি তুলেছেন এবং ভাইরাল করার হুমকি দিচ্ছেন। কিন্তু, ধৃত স্বামী কাঁচুমাচু করে জানান, স্যার আমি কিছুই করিনি!
তদন্তে নেমে পুলিস জানতে পারেন, এই যুবতী এর আগে তাঁর একাধিক স্বামীর নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এরপর যুবতীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিস জানিয়েছে, বাংলাদেশি পাসপোর্ট এবং ভারতে আসার জন্য তাঁর ভিসাটি বৈধ। তবে, তিনি যে ভারতীয় নথিপত্র জোগাড় করেছিলেন, তা ভুয়ো। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ছ’বার ভারতে এসে তিনি কতজনকে বিয়ে করেছেন, তার খোঁজ চলছে।
গত অক্টোবরে শেষবার ভারতে এসেছিলেন তিনি। পুলিস জানতে পেরেছে, তিনি মেডিক্যাল ভিসা নিয়ে এসেছেন। এখনও তাঁর ভিসার মেয়াদ রয়েছে। জেরায় জানা গিয়েছে, আগেও তিনি মেডিক্যাল ভিসা নিয়ে আসতেন। যেহেতু, বৈধপথে তিনি ভারতে ঢুকতেন আবার বাংলাদেশে ফিরে যেতেন, তাই তাঁকে সন্দেহ হয়নি কারও। তবে, গত বৃহস্পতিবার নারায়ণপুর থানায় স্বামীর নামে অভিযোগ করতে গিয়েই বিপত্তি শুরু। অভিযোগের পর পুলিস স্বামীকে গ্রেপ্তারও করে। এবার নির্যাতনের সঙ্গে ওই যুবতী জানিয়েছিলেন, তাঁর স্বামী তাঁর অশ্লীল ছবি তুলেছেন এবং ভাইরাল করার হুমকি দিচ্ছেন। কিন্তু, ধৃত স্বামী কাঁচুমাচু করে জানান, স্যার আমি কিছুই করিনি!
তদন্তে নেমে পুলিস জানতে পারেন, এই যুবতী এর আগে তাঁর একাধিক স্বামীর নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এরপর যুবতীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিস জানিয়েছে, বাংলাদেশি পাসপোর্ট এবং ভারতে আসার জন্য তাঁর ভিসাটি বৈধ। তবে, তিনি যে ভারতীয় নথিপত্র জোগাড় করেছিলেন, তা ভুয়ো। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ছ’বার ভারতে এসে তিনি কতজনকে বিয়ে করেছেন, তার খোঁজ চলছে।



