ব্রাজিল-৩ : হাইতি-০
(কুনহা-২, ভিনিসিয়াস)
ব্রাজিল-৩ : হাইতি-০
(কুনহা-২, ভিনিসিয়াস)
ফিলাডেলফিয়া: ২২ মিনিটের ছোট্ট স্পেল। আর তাতেই হাইতিকে উড়িয়ে দিয়ে ঝলমলে ব্রাজিল। ভিনিসিয়াস-কুনহাদের পারফরম্যান্সে ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত স্পষ্ট। দ্বিতীয় ম্যাচের পর ৪ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরাই গ্রুপ শীর্ষে। শেষ ম্যাচে আনসেলোত্তি ব্রিগেডের সামনে স্কটল্যান্ড। তবে হাইতির বিরুদ্ধে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়েছেন উইং হাফ রাফিনহা। তাঁকে নিয়ে গভীর উদ্বেগে ব্রাজিল শিবির।
ফিলাডেলফিয়ায় ম্যাচ শুরুর আগে ব্রাজিল শিবিরে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েছিলেন রোনাল্ডিনহো। ভিআইপি বক্সে রোনাল্ডো, কাকা, কাফুর মতো তারকা। হেভিওয়েট প্রাক্তনদের সামনে শুরু থেকেই ভিনিসিয়াসদের তাগিদ ছিল স্পষ্ট। আসলে মরক্কোর বিরুদ্ধে ড্র করার পর ল্যাপটপ নিয়ে তৈরি ছিলেন সমালোচকরা। বেগতিক বুঝে প্রথম দলে ম্যাথিউজ কুনহাকে খেলালেন ডন কার্লো। কিছুটা ডিপ থেকে অপারেট করলেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাটেডে খেলা কুনহা। বল হোল্ড করার পাশাপাশি নম্বর নাইনের ভূমিকাতেও অনবদ্য। তাতেই বাজিমাত। ২৩ মিনিটে প্রথম গোলের নেপথ্য কারিগর অবশ্যই ভিনিসিয়াস জুনিয়র। বাঁ দিক থেকে কাট করে ঢুকে চিলতে জায়গায় জোরালো শট নিয়েছিলেন ভিনি। হাইতি গোলরক্ষক তা সাময়িক প্রতিহত করলে কুনহার পায়ে লেগে জালে জড়ায় (১-০)। ৩৬ মিনিটে ভিনিসিয়াসের পাস ধরে কুনহার বাঁ পায়ের গোলার মতো শট টপ নেটে আছড়ে পড়ে (২-০)। বিরতির আগেই লক্ষ্যভেদ ভিনির। এক্ষেত্রে পাকুয়েতার ওভারহেড লব ধরে গতির বিস্ফোরণ ঘটান তিনি। ঠান্ডা মাথায় আগুয়ান গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন তারকা উইঙ্গার (৩-০)। নেইমারের অনুপস্থিতিতি ভিনিসিয়াসই দলকে টানছেন। দুরন্ত গতি এবং জোরালো শটের সংমিশ্রণই তাঁর ইউএসপি। দ্বিতীয়ার্ধে মূলত পজেশনাল ফুটবলেই মন দেয় ব্রাজিল। এই পর্বে এনড্রিকের গোল অফসাইডের জন্য বাতিল হয়।