নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: পড়ুয়ারা যাতে বাড়ির কাছের স্কুলেই পড়তে পারে, সেই লক্ষ্যে জলপাইগুড়ি জেলায় এবার ২১০টি প্রাথমিকে জুড়ল পঞ্চম শ্রেণি। আগামী বছর আরও ৮১টি প্রাইমারি স্কুলে যাতে পঞ্চম শ্রেণির চালুর অনুমোদন দেওয়া হয়, সেব্যাপারে রাজ্যের কাছে আর্জি রেখেছেন জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক শ্যামলচন্দ্র রায়। তবে পঞ্চম শ্রেণি চালু হয়ে গেলেও বহু প্রাইমারিতে পরিকাঠামোর অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ। কোথাও পর্যাপ্ত ক্লাসরুম নেই, কোথাও আবার ঘর থাকলেও অভাব রয়েছে চেয়ার-টেবিল কিংবা বেঞ্চের। জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শকের অবশ্য বক্তব্য. যেসব স্কুলে পঞ্চম শ্রেণি চালু হয়েছে, তাদের যদি পরিকাঠামোগত কোনও সমস্যা থাকে, তাহলে তা দ্রুত জানাতে বলা হয়েছে। রাজ্য শিক্ষাদপ্তরের সঙ্গে কথা বলে বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হবে।
Advertisement
জেলা প্রাথমিক শিক্ষাদপ্তর সূত্রে খবর, ২০১৯ সালে জলপাইগুড়ির ৬০৬টি প্রাথমিকে পঞ্চম শ্রেণি চালুর নির্দেশ দেয় রাজ্য। কিন্তু তারপরই করোনা মহামারী শুরু হয়ে যাওয়ায় সেসময় বহু স্কুল ওই নির্দেশ কার্যকর করতে পারেনি। এরপর ২০২৪ সালে রাজ্যের তরফে জলপাইগুড়ি জেলায় নতুন করে আরও ২৯টি স্কুলকে পঞ্চম শ্রেণি চালু করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক বলেন, ২০১৯ সালে রাজ্যের তরফে যে ৬০৬টি প্রাইমারিতে পঞ্চম শ্রেণিতে চালু করতে বলা হয়েছিল, তার মধ্যে ১৮১টি স্কুলে তা কার্যকর করা বাকি থেকে গিয়েছিল। এবার ওই স্কুলগুলির সঙ্গে নতুন করে নির্দেশ আসা ২৯টি স্কুল মিলিয়ে মোট ২১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আমরা পঞ্চম শ্রেণি চালু করে দিয়েছি। ওই শিক্ষাকর্তা বলেন, পড়ুয়ারা সাধারণত নিজেদের এলাকাতেই প্রাথমিক স্কুলে পড়ে। কিন্তু হাইস্কুলে ভর্তি হলে তাদের অনেকটা দূর যেতে হয়। সেকারণে পঞ্চম শ্রেণিতে ছাত্রছাত্রীরা যাতে এলাকার প্রাইমারিতেই পড়তে পারে, সেকথা মাথায় রেখেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, ধাপে ধাপে আমরা সব প্রাথমিক বিদ্যালয়েই পঞ্চম শ্রেণি চালু করব। আগামী শিক্ষাবর্ষে যাতে জেলার আরও ৮১টি স্কুলে পঞ্চম শ্রেণি যুক্ত করা যায়, সেব্যাপারে রাজ্যকে চিঠি লেখা হয়েছে।
এদিকে, প্রাথমিক স্কুলে পড়ুয়ার সামঞ্জস্য রক্ষায় এবছর থেকে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে জলপাইগুড়ি জেলা প্রাথমিক শিক্ষাদপ্তর। দেখা যাচ্ছে, কোনও প্রাইমারিতে দশজনও পড়ুয়া নেই, কোথাও আবার পড়ুয়ার সংখ্যা হাজারেরও বেশি। মূলত যেসব প্রাইমারির সঙ্গে হাইস্কুল রয়েছে, সেখানেই সন্তানদের ভর্তি করতে ঝুঁকছেন অভিভাবকরা। ফলে অন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলি পড়ুয়া পাচ্ছে না। ছাত্রছাত্রীর অভাবে ধুঁকতে থাকা প্রাইমারির শিক্ষকরা এনিয়ে জেলা শিক্ষাদপ্তরে একাধিকবার অভিযোগও করেছেন। বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক বলেন, এবার থেকে আমরা বলে দিয়েছি, যেসব প্রাইমারির সঙ্গে হাইস্কুল রয়েছে, তারা একশোর বেশি পড়ুয়া ভর্তি নিতে পারবে না।
জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক বলেন, ২০১৯ সালে রাজ্যের তরফে যে ৬০৬টি প্রাইমারিতে পঞ্চম শ্রেণিতে চালু করতে বলা হয়েছিল, তার মধ্যে ১৮১টি স্কুলে তা কার্যকর করা বাকি থেকে গিয়েছিল। এবার ওই স্কুলগুলির সঙ্গে নতুন করে নির্দেশ আসা ২৯টি স্কুল মিলিয়ে মোট ২১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আমরা পঞ্চম শ্রেণি চালু করে দিয়েছি। ওই শিক্ষাকর্তা বলেন, পড়ুয়ারা সাধারণত নিজেদের এলাকাতেই প্রাথমিক স্কুলে পড়ে। কিন্তু হাইস্কুলে ভর্তি হলে তাদের অনেকটা দূর যেতে হয়। সেকারণে পঞ্চম শ্রেণিতে ছাত্রছাত্রীরা যাতে এলাকার প্রাইমারিতেই পড়তে পারে, সেকথা মাথায় রেখেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, ধাপে ধাপে আমরা সব প্রাথমিক বিদ্যালয়েই পঞ্চম শ্রেণি চালু করব। আগামী শিক্ষাবর্ষে যাতে জেলার আরও ৮১টি স্কুলে পঞ্চম শ্রেণি যুক্ত করা যায়, সেব্যাপারে রাজ্যকে চিঠি লেখা হয়েছে।
এদিকে, প্রাথমিক স্কুলে পড়ুয়ার সামঞ্জস্য রক্ষায় এবছর থেকে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে জলপাইগুড়ি জেলা প্রাথমিক শিক্ষাদপ্তর। দেখা যাচ্ছে, কোনও প্রাইমারিতে দশজনও পড়ুয়া নেই, কোথাও আবার পড়ুয়ার সংখ্যা হাজারেরও বেশি। মূলত যেসব প্রাইমারির সঙ্গে হাইস্কুল রয়েছে, সেখানেই সন্তানদের ভর্তি করতে ঝুঁকছেন অভিভাবকরা। ফলে অন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলি পড়ুয়া পাচ্ছে না। ছাত্রছাত্রীর অভাবে ধুঁকতে থাকা প্রাইমারির শিক্ষকরা এনিয়ে জেলা শিক্ষাদপ্তরে একাধিকবার অভিযোগও করেছেন। বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক বলেন, এবার থেকে আমরা বলে দিয়েছি, যেসব প্রাইমারির সঙ্গে হাইস্কুল রয়েছে, তারা একশোর বেশি পড়ুয়া ভর্তি নিতে পারবে না।



