নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: বেপরোয়া বাইক চালকদের ‘শায়েস্তা’ করতে ম্যারাথন অভিযান শুরু করেছে বাঁকুড়া জেলা পুলিস। গত এক সপ্তাহে জেলায় জরিমানা বাবদ ৫২ লক্ষ টাকা আদায় হয়েছে। জেলাজুড়ে মোট ৫৮৫৬ জনকে জরিমানা করা হয়েছে। মূলত বিনা হেলমেটে বাইক চালানো ও একটি বাইকে তিনজন সওয়ার হওয়ার ঘটনাতেই বেশি জরিমানা আদায় হয়েছে বলে পুলিস আধিকারিকরা জানিয়েছেন। পাশাপাশি মদ্যপ অবস্থায় এবং দ্রুতগতিতে বাইক চালানোর কারণেও অনেকের বিরুদ্ধে পুলিস আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়েছে।
Advertisement
বাঁকুড়ার পুলিস সুপার বৈভব তেওয়ারি বলেন, আমরা গত এক সপ্তাহে ট্রাফিক আইনভঙ্গের জন্য ৫৮৫৬ জন বাইক আরোহীর কাছ থেকে ৫২ লক্ষ ৬১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছি। আগামী দিনেও ওই ধরনের অভিযান দফায় দফায় চালানো হবে। নাকা চেকিং করে বেআইনি বাইক চালকদের পথ আগলানো হচ্ছে। থানা ভিত্তিক নাকা চেকিংয়ের স্থান ও সময় বদল করেই অভিযান চালানো হবে। কেউ যাতে চেকিং ফাঁকি দিয়ে অন্য রুট ধরে যাতায়াত করতে না পারে, তার জন্য ওই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, রাজ্যের অন্যান্য জেলার মতো বাঁকুড়াতেও ট্রাফিক আইন ভেঙে যানবাহন চালানোর প্রবণতা রয়েছে। তবে গত কয়েক বছরে জেলা পুলিসের ধারাবাহিক অভিযান ও চেকিংয়ের পরিপ্রেক্ষিতে বাইক চালক এবং আরোহীদের অনেকেই হেলমেট পরছেন। তারফলে বাইক আরোহীদের সুরক্ষার বিষয়টি অনেকটাই নিশ্চিত হয়েছে। তবে বেপরোয়া যানবাহনের উপর পুলিস এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ আনতে পারেনি। সম্প্রতি গাড়ির গতিবেগ মাপার যন্ত্র নিয়ে পুলিসের তরফে অভিযানও চালানো হয়। পাশাপাশি রাস্তায় বিশেষ ধরনের ‘হাম্প’ বসানো হয়। তারপরেও বাইক সহ অন্যান্য যানবাহন মাত্রাতিরিক্ত গতিতে চলাচল করছে।
গতির নেশায় বুঁদ হয়ে চালকরা অনেক সময় হুঁশ হারিয়ে ফেলেন। ফলে মাঝেমধ্যেই দুর্ঘটনা ঘটছে। বাইক চালকদের একাংশ বাঁকুড়া শহর ও সংলগ্ন জুনবেদিয়া, সতীঘাট বাইপাস রাস্তা, ফিডার রোড, মেডিক্যাল কলেজ সংলগ্ন রাস্তা, বিষ্ণুপুর-বাঁকুড়া-রানিগঞ্জ ও বাঁকুড়া-পুরুলিয়া জাতীয় সড়ক, বাঁকুড়া-দুর্গাপুর, বাঁকুড়া-খাতড়া, বাঁকুড়া-ঝাড়গ্রাম ও বাঁকুড়া-শালতোড়া রাজ্য সড়কে বাইক ছুটিয়ে নিয়ে যান। অনেককে চলন্ত অবস্থায় বাইকে বিভিন্ন ধরনের ‘স্টান্ট’ নিতে দেখা যায়। দ্রুতগতিতে যাওয়ার যাওয়ার সময় চালক বাইকের ‘স্ট্যান্ড’ নামিয়ে দেন। রাস্তার সঙ্গে ‘স্ট্যান্ডের’ ঘর্ষণের ফলে আগুনের ফুলকি বের হয়। ওই বিষয়টি চালকদের উপভোগ করতে দেখা যায়। অনেকসময় দ্রুতগতির বাইকের সিটে যুবতীদেরও সওয়ার হতে দেখা যায়। তাঁরাও এক্ষেত্রে বাইক যাত্রা উপভোগ করে চালকদের উৎসাহ জুগিয়ে যান।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশেষ বাহিনী নামিয়ে এব্যাপারে অভিযান চালানো হচ্ছে। মদ্যপ অবস্থায় বাইক চালালে জামিনযোগ্য ধারায় গ্রেপ্তার করা হবে। গ্রেপ্তার হওয়া চালকদের থানা বা আদালত থেকে জামিন নিতে হবে। বাইকের পাশাপাশি বেপরোয়া অন্যান্য গাড়ি চালকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, রাজ্যের অন্যান্য জেলার মতো বাঁকুড়াতেও ট্রাফিক আইন ভেঙে যানবাহন চালানোর প্রবণতা রয়েছে। তবে গত কয়েক বছরে জেলা পুলিসের ধারাবাহিক অভিযান ও চেকিংয়ের পরিপ্রেক্ষিতে বাইক চালক এবং আরোহীদের অনেকেই হেলমেট পরছেন। তারফলে বাইক আরোহীদের সুরক্ষার বিষয়টি অনেকটাই নিশ্চিত হয়েছে। তবে বেপরোয়া যানবাহনের উপর পুলিস এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ আনতে পারেনি। সম্প্রতি গাড়ির গতিবেগ মাপার যন্ত্র নিয়ে পুলিসের তরফে অভিযানও চালানো হয়। পাশাপাশি রাস্তায় বিশেষ ধরনের ‘হাম্প’ বসানো হয়। তারপরেও বাইক সহ অন্যান্য যানবাহন মাত্রাতিরিক্ত গতিতে চলাচল করছে।
গতির নেশায় বুঁদ হয়ে চালকরা অনেক সময় হুঁশ হারিয়ে ফেলেন। ফলে মাঝেমধ্যেই দুর্ঘটনা ঘটছে। বাইক চালকদের একাংশ বাঁকুড়া শহর ও সংলগ্ন জুনবেদিয়া, সতীঘাট বাইপাস রাস্তা, ফিডার রোড, মেডিক্যাল কলেজ সংলগ্ন রাস্তা, বিষ্ণুপুর-বাঁকুড়া-রানিগঞ্জ ও বাঁকুড়া-পুরুলিয়া জাতীয় সড়ক, বাঁকুড়া-দুর্গাপুর, বাঁকুড়া-খাতড়া, বাঁকুড়া-ঝাড়গ্রাম ও বাঁকুড়া-শালতোড়া রাজ্য সড়কে বাইক ছুটিয়ে নিয়ে যান। অনেককে চলন্ত অবস্থায় বাইকে বিভিন্ন ধরনের ‘স্টান্ট’ নিতে দেখা যায়। দ্রুতগতিতে যাওয়ার যাওয়ার সময় চালক বাইকের ‘স্ট্যান্ড’ নামিয়ে দেন। রাস্তার সঙ্গে ‘স্ট্যান্ডের’ ঘর্ষণের ফলে আগুনের ফুলকি বের হয়। ওই বিষয়টি চালকদের উপভোগ করতে দেখা যায়। অনেকসময় দ্রুতগতির বাইকের সিটে যুবতীদেরও সওয়ার হতে দেখা যায়। তাঁরাও এক্ষেত্রে বাইক যাত্রা উপভোগ করে চালকদের উৎসাহ জুগিয়ে যান।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশেষ বাহিনী নামিয়ে এব্যাপারে অভিযান চালানো হচ্ছে। মদ্যপ অবস্থায় বাইক চালালে জামিনযোগ্য ধারায় গ্রেপ্তার করা হবে। গ্রেপ্তার হওয়া চালকদের থানা বা আদালত থেকে জামিন নিতে হবে। বাইকের পাশাপাশি বেপরোয়া অন্যান্য গাড়ি চালকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



