শ্রীকান্ত পড়্যা, কাঁথি: রাজ্য নেতৃত্বের হস্তক্ষেপ সত্ত্বেও কন্টাই কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে ১১টি ডিরেক্টর আসনে তৃণমূলের লড়াই দলের বিরুদ্ধেই। মঙ্গলবার ১৫টি আসনে মোট ২৬টি মনোনয়ন জমা পড়েছে। তারমধ্যে চারজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের পথে। বাকি ১১টি আসনে দলের মধ্যেই জোর লড়াই হবে। এদিন সকালে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় একপ্রস্থ উত্তেজনা তৈরি হয়। উত্তম বারিক-ঘনিষ্ঠ একজনকে কটূক্তি করা নিয়ে উত্তেজনা চরমে পৌঁছে যায়। অখিল গিরি ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের পিছু ধাওয়া করে তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। যদিও এদিন মনোনয়ন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে কাঁথি এবং এগরা মহকুমার অন্তর্গত সবকটি থানার আইসি এবং ওসি সহ বিশাল বাহিনী মোতায়েন করা ছিল।
Advertisement
কন্টাই কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের পরিচালকমণ্ডলীর নির্বাচনে ভোটাভুটি এড়ানোর জন্য দৌত্যের ভূমিকা নিয়েছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সমবায় সেলের নেতা আশিস চক্রবর্তী। সোমবার আশিসবাবু কাঁথিতে পৌঁছান। ভোররাতে আসেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁরা দফায় দফায় উত্তম বারিক এবং অখিল গিরি শিবিরের সঙ্গে বৈঠক সারেন। কাঁথিতে সেচদপ্তরের গেস্ট হাউসে ওই দুই রাজ্যনেতা এক ঝাঁক নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক সারেন। সেখানে এগরার বিধায়ক তরুণ মাইতি, মহিষাদলের বিধায়ক তিলক চক্রবর্তী, নন্দকুমারের বিধায়ক সুকুমার দে সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় গোটা পরিস্থিতির কথা রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সিকে ফোনে জানান।
কাঁথি ও হলদিয়ায় দু’টি মহিলা সংরক্ষিত আসনে কোনও ভোটাভুটি হচ্ছে না। এছাড়াও কোলাঘাট এসসি সংরক্ষিত আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের পথে অসিত সাহা। ১৫টি ডিরেক্টর পদের মধ্যে তিনটি সংরক্ষিত ও ১২টি অসংরক্ষিত। একমাত্র পটাশপুর অসংরক্ষিত আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের পথে মৃণালকান্তি দাস। বাকি ১১টি আসনে মুখোমুখি লড়াই। বেলদা থেকে রামনগর, এগরা থেকে হেঁড়িয়া, নন্দকুমার এবং কাঁথিতে উত্তম বারিক বনাম অখিল গিরি গোষ্ঠীর জোর টক্কর। মোট ১০৮জন নির্বাচিত প্রতিনিধি(ডেলিগেট) ওই প্রার্থীদের ভোট দেবেন।
কন্টাই কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের পরিচালন সমিতির চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদকে পাখির চোখ করেই শাসক দলের দুই শিবির মুখোমুখি লড়াইয়ে নেমেছে। ব্যাঙ্কের রাশ দুই শিবিরই হাতে রাখতে মরিয়া। ভোটাভুটির জায়গায় পৌঁছানো ১১টি কেন্দ্রের মধ্যে সবচেয়ে নজরকাড়া হেঁড়িয়া। ওই কেন্দ্রে একদিকে দু’বারের বিধায়ক অমিয়কান্তি ভট্টাচার্য অখিল গিরি শিবিরের বাজি। অপরদিকে, তাঁর বিপক্ষে উত্তম বারিক শিবিরের প্রার্থী জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মানব পড়ুয়া। নন্দীগ্রাম, খেজুরি, ভগবানপুর বিধানসভা এলাকা ওই কেন্দ্রের মধ্যে পড়ে। এগরায় বিধায়ক তরুণকুমার মাইতির বিরুদ্ধে অখিল গিরি শিবির প্রার্থী দেওয়ায় অনেকেই অবাক। মঙ্গলবার সকাল থেকেই রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় দু’পক্ষের সঙ্গে পৃথক আলোচনা করে কিছু আসনে ভোটাভুটি এড়ানোর জন্য কথাবার্তা চালান। উত্তম বারিক শিবির থেকে নন্দকুমার, হেঁড়িয়া, এগরা, বেলদা এবং কাঁথি-৫আসন ছেড়ে দেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়। কিন্তু, অখিল গিরি শিবির থেকে ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হয়। যেকারণে দুই শিবির লড়াইয়ের ময়দানে পরস্পরকে বুঝে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়। মঙ্গলবার মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন ছিল। এদিন বিকেল ৪টে পর্যন্ত সময়সীমা থাকলেও বেলা ১টার মধ্যেই ২৬জন মনোনয়ন জমা দিয়ে দেন।
আগামী ৩১জানুয়ারি মোট ১৫জন ডিরেক্টর নির্বাচিত হবেন। তাঁরা ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করবেন। দুই শিবির ১৫জনের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ অন্তত আটজন ডিরেক্টর নিজেদের পক্ষে জিততে মরিয়া। এদিন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ব্যাঙ্কের নির্বাচনে অনেকেই ডিরেক্টর হওয়ার জন্য উৎসাহী। আমরা বুঝিয়ে কিছু জায়গায় মনোনয়ন প্রত্যাহার করা যায় কি না আলোচনা চালাচ্ছি। তবে, কিছু আসনে বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াই হতে পারে।
কাঁথি ও হলদিয়ায় দু’টি মহিলা সংরক্ষিত আসনে কোনও ভোটাভুটি হচ্ছে না। এছাড়াও কোলাঘাট এসসি সংরক্ষিত আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের পথে অসিত সাহা। ১৫টি ডিরেক্টর পদের মধ্যে তিনটি সংরক্ষিত ও ১২টি অসংরক্ষিত। একমাত্র পটাশপুর অসংরক্ষিত আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের পথে মৃণালকান্তি দাস। বাকি ১১টি আসনে মুখোমুখি লড়াই। বেলদা থেকে রামনগর, এগরা থেকে হেঁড়িয়া, নন্দকুমার এবং কাঁথিতে উত্তম বারিক বনাম অখিল গিরি গোষ্ঠীর জোর টক্কর। মোট ১০৮জন নির্বাচিত প্রতিনিধি(ডেলিগেট) ওই প্রার্থীদের ভোট দেবেন।
কন্টাই কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের পরিচালন সমিতির চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদকে পাখির চোখ করেই শাসক দলের দুই শিবির মুখোমুখি লড়াইয়ে নেমেছে। ব্যাঙ্কের রাশ দুই শিবিরই হাতে রাখতে মরিয়া। ভোটাভুটির জায়গায় পৌঁছানো ১১টি কেন্দ্রের মধ্যে সবচেয়ে নজরকাড়া হেঁড়িয়া। ওই কেন্দ্রে একদিকে দু’বারের বিধায়ক অমিয়কান্তি ভট্টাচার্য অখিল গিরি শিবিরের বাজি। অপরদিকে, তাঁর বিপক্ষে উত্তম বারিক শিবিরের প্রার্থী জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মানব পড়ুয়া। নন্দীগ্রাম, খেজুরি, ভগবানপুর বিধানসভা এলাকা ওই কেন্দ্রের মধ্যে পড়ে। এগরায় বিধায়ক তরুণকুমার মাইতির বিরুদ্ধে অখিল গিরি শিবির প্রার্থী দেওয়ায় অনেকেই অবাক। মঙ্গলবার সকাল থেকেই রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় দু’পক্ষের সঙ্গে পৃথক আলোচনা করে কিছু আসনে ভোটাভুটি এড়ানোর জন্য কথাবার্তা চালান। উত্তম বারিক শিবির থেকে নন্দকুমার, হেঁড়িয়া, এগরা, বেলদা এবং কাঁথি-৫আসন ছেড়ে দেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়। কিন্তু, অখিল গিরি শিবির থেকে ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হয়। যেকারণে দুই শিবির লড়াইয়ের ময়দানে পরস্পরকে বুঝে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়। মঙ্গলবার মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন ছিল। এদিন বিকেল ৪টে পর্যন্ত সময়সীমা থাকলেও বেলা ১টার মধ্যেই ২৬জন মনোনয়ন জমা দিয়ে দেন।
আগামী ৩১জানুয়ারি মোট ১৫জন ডিরেক্টর নির্বাচিত হবেন। তাঁরা ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করবেন। দুই শিবির ১৫জনের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ অন্তত আটজন ডিরেক্টর নিজেদের পক্ষে জিততে মরিয়া। এদিন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ব্যাঙ্কের নির্বাচনে অনেকেই ডিরেক্টর হওয়ার জন্য উৎসাহী। আমরা বুঝিয়ে কিছু জায়গায় মনোনয়ন প্রত্যাহার করা যায় কি না আলোচনা চালাচ্ছি। তবে, কিছু আসনে বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াই হতে পারে।



