Bartaman Logo
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

নির্বাচনের আগে তৈরি বোমা মজুত করা হয়েছিল বাড়িতে, নারায়ণপুর বিস্ফোরণে ধৃত বেড়ে ৪

নারায়ণপুর সুপারিবাগান এলাকায় বিস্ফোরণ কাণ্ডে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতের নাম মহম্মদ শরিফ। তার বাড়ি মধ্যমগ্রামে।

নির্বাচনের আগে তৈরি বোমা মজুত করা হয়েছিল বাড়িতে, নারায়ণপুর বিস্ফোরণে ধৃত বেড়ে ৪
  • ২২ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: নারায়ণপুর সুপারিবাগান এলাকায় বিস্ফোরণ কাণ্ডে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতের নাম মহম্মদ শরিফ। তার বাড়ি মধ্যমগ্রামে। এ নিয়ে এই কাণ্ডে মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, ধৃত শরিফ মূল পাণ্ডা কানা শামিমের সহযোগী। বোমা তৈরি ও মজুত করার পিছনে তার হাত রয়েছে। ধৃতদের জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে, যে বোমা সুপারিবাগানের ভাড়া বাড়িতে মজুত করা হয়েছিল, সেগুলি প্রায় তিন মাস আগে অর্থাৎ, ভোটের আগে তৈরি করা হয়েছিল। মূলত এলাকা দখল এবং ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্যই বোমাগুলি মধ্যমগ্রামের একটি গোপন ডেরায় রাখা ছিল। ধরা পড়ার ভয়ে সেগুলি নারায়ণপুরের ভাড়াবাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে নিজে থেকেই বোমাগুলি বিস্ফোরণ ঘটে।

Advertisement

প্রসঙ্গত, বাড়ির দালাল মহম্মদ শাহেনশার মাধ্যমে সুপারিবাগানে বাড়ি ভাড়া নিয়েছিল মহম্মদ শামিম ওরফে কানা শামিম। খাবার আছে বলে শুক্রবার রাতে সে দুই তরুণকে দিয়ে ভাড়া বাড়িতে একটি ব্যাগ পাঠিয়েছিল। ওই ব্যাগেই ছিল শক্তিশালী বোমা। ব্যাগ রেখে যাওয়ার মিনিট পাঁচের মধ্যেই বিস্ফোরণ ঘটে। চাঙড় ভেঙে পাশের বাড়ির একজন জখম হন। প্রথমে শামিম এবং পরে শাহেনশাকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। পরে শামিমের এক সহযোগী হোসেনও গ্রেপ্তার হয়। তাদের জেরা করে পুলিশ শরিফের খোঁজ পায়। তারপরই সোমবার রাতে শরিফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হোসেন এবং শরিফ দু’জনেই বোমা তৈরির সঙ্গে যুক্ত। তারা বোমার কারিবারি। কানা শামিমের সঙ্গে তাদের পুরানো যোগাযোগ ছিল। তবে, ভাড়া বাড়িতে কতগুলি বোমা মজুত করা হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ধৃতরা তিনটি বোমার কথা বললেও বিস্ফোরণের পর দু’টি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। বিস্ফোরণের পরেও কীভাবে ওই দু’টি বোমা অক্ষত থাকল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, আরও বেশি বোমা মজুত করা হয়েছিল। একসঙ্গে একাধিক বোমা ফেটেছে। বৃষ্টির কারণে বোমাগুলি কিছুটা মিইয়ে যাওয়ায় আরও বড়ো ক্ষয়ক্ষতি হতে পারত। এখনও অন্য জায়গায় বোমা মজুত রয়েছে বলে অনুমান। তাই পুরো চক্রের কিনারা করতে খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ