Bartaman Logo
২১ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

নির্মল ঘোষের বাড়িতে বোমাবাজি সোদপুরে, পানিহাটিতে ধৃত কাউন্সিলারের ছেলে-শ্যালক

সোদপুরে নির্মল ঘোষের বাড়িতে বোমাবাজির ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে, তীর্থঙ্কর ঘোষও গ্রেপ্তার। বিস্তারিত পড়ুন।

নির্মল ঘোষের বাড়িতে বোমাবাজি সোদপুরে, পানিহাটিতে ধৃত কাউন্সিলারের ছেলে-শ্যালক
  • ২০ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: শনিবার দুপুরে পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষের ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষকে এলাকায় ঘুরিয়েছিল পুলিশ। রাতে সোদপুর স্টেশন লাগোয়া নির্মলবাবুর বাড়ি লক্ষ্য করে পরপর বোমাবাজির ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, তিনটি বোমা ছুড়ে  চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। খড়দহ থানার পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। 

Advertisement

শনিবার রাতে নির্মলবাবুর পরিবারের লোকেরা বাড়িতে ছিলেন। সেই সময় আচমকা বাড়ি লক্ষ্য করে বোমা ছোড়া হয়। তিনটি বোমা ফাটার শব্দে এলাকায় আতঙ্ক ছড়ায়। নির্মল ঘোষের মেয়ে ছন্দা ঘোষ বলেন, আমরা বাড়ির ভিতরে ছিলাম। পরপর তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ পাই। বাইরে এসে দেখি, বোমা পড়েছে, চারদিকে ধোঁয়া। তারপর পুলিশে খবর দিই। স্থানীয় এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, হামলাকারীরা হেলমেট পরে বাইকে এসেছিল। পুলিশ এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। 
প্রসঙ্গত, বিজেপি নেতার বাড়িতে বোমাবাজি সহ একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন নির্মলবাবুর ছেলে তীর্থঙ্কর। ছ’দিনের পুলিশ হেপাজত শেষে রবিবার তাঁকে বারাকপুর আদালতে হাজির করানো হয়েছিল। পুলিশের আবেদন মেনে বিচারক তাঁকে আরও সাতদিনের পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। নির্মলবাবুও বাড়ি ছাড়া। 
এদিকে, জোর করে জমি ও দোকান দখলসহ একগুচ্ছ অভিযোগে খড়দহ থানার পুলিশ পানিহাটির তৃণমূল কাউন্সিলার ও তাঁর শ্যালককে শনিবার গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম বাপ্পা দাস ও কুট্টি মণ্ডল।
পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলার স্বপন দাসের ছেলে বাপ্পা, কুট্টি তাঁর শ্যালক। রবিবার তাঁদের আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় একের পর এক ডিম ছোড়া হয়। উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে বিশাল পুলিশ তাঁদের আদালতে পাঠায়। বিচারক দু’জনকেই চার দিনের পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এদিন এই মামা ও ভাগ্নেকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার আগে থানার বাইরে প্রচুর বিজেপি কর্মী জড়ো হয়। থানা থেকে বিটি রোডের প্রিজন ভ্যানে তাঁদের নিয়ে যাওয়ার সময় দেদার ডিম ছোড়া হয়। চোর চোর স্লোগান দেওয়া হয়। বিজেপির উত্তর শহরতলি জেলা সভাপতি চণ্ডীচরণ রায় বলেন, ডিম ছোড়া বিজেপির সংস্কৃতি নয়। ক্ষমতায় থাকাকালীন যে অত্যাচার হয়েছে, তারই বহিপ্রকাশ ঘটছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ