Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

গোবরডাঙায় দেহ উদ্ধার, মা লেখা ট্যাটু দেখে শনাক্ত করল পরিবার

বুধবার সকালে গোবরডাঙায় রেললাইনের ধারে ড্রেন থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের পরিচয় জানা গেল।

গোবরডাঙায় দেহ উদ্ধার,  মা লেখা ট্যাটু দেখে শনাক্ত করল পরিবার
  • ১০ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: বুধবার সকালে গোবরডাঙায় রেললাইনের ধারে ড্রেন থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের পরিচয় জানা গেল। মৃতের ডান হাতে ‘মা’ লেখা ট্যাটু দেখেই পরিবারের লোকজন যুবকের দেহ শনাক্ত করেন। মৃত যুবকের নাম অভিজিৎ মাহেলি (৩২)। পরিবারের দাবি, ইঞ্জিন ভ্যান বিক্রি নিয়ে শত্রুতার জেরে কেউ বা কারা অভিজিৎকে খুন করেছে। এদিকে, বনগাঁ জিআরপি একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। এনিয়ে থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিজিতের বাড়ি মছলন্দপুরে। পেশায় তিনি ইঞ্জিন ভ্যানচালক। বাড়িতে এক ছেলে ও স্ত্রী রয়েছে। স্ত্রী কাজল অন্যের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করেন। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্যবসার জন্য ঋণ নিয়েছিলেন অভিজিৎ। সপ্তাহে টাকা পরিশোধ করতে গিয়ে সংসার সামাল দিতে হিমশিম খেতে হতো দম্পতিকে। একদিকে বাড়ির খরচ অন্যদিকে ঋণের টাকা পরিশোধ করা নিয়ে অশান্তি ছিল। এছাড়াও ইঞ্জিন ভ্যান নিয়ে মছলন্দপুরের দু’একজনের সঙ্গেও ঝামেলা ছিল অভিজিতের। অশান্তির জেরেই কিছুদিন ধরে অভিজিতের স্ত্রী কাজল বাপের বাড়িতে চলে যান। মঙ্গলবার সকালে দিকে স্ত্রীর সঙ্গে কথাও হয়েছিল অভিজিতের। বাড়িতে ফিরে আসার কথা বলেছিল অভিজিৎ। স্ত্রী তাঁকে জানিয়েছিলেন আগে ঘর কর, তারপর ফিরব। এরপরই মঙ্গলবার অভিজিৎ ইঞ্জিন ভ্যান বিক্রি করেছিলেন ৪০ হাজার টাকায়। সেই টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরে আসেন। পরবর্তীতে ৪০ হাজার টাকা নিয়েই অভিজিৎ বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকেই অভিজিতের হদিশ পাওয়া যায়নি। শেষে বুধবার সকালে রেললাইনের ধারে ড্রেনের মধ্যে গলায় বেল্ট জড়ানো, ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। মৃতের স্ত্রী কাজল বলেন, দু’একজনের সঙ্গে ওঁর শত্রুতা ছিল। খুনিদের কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ