সংবাদদাতা, কান্দি: বন্যায় বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হওয়ায় জমির ফসল ঘরে তুলতে পারেননি অনেক চাষি। এরপর কৃষিদপ্তরে শস্যবিমা পাওয়ার আশায় তাঁরা আবেদন করেছিলেন। কিন্তু খড়গ্রাম ব্লকের বিভিন্ন পঞ্চায়েত এলাকার চাষিরা শস্যবিমার টাকা পেলেও স্থানীয় পদমকান্দি পঞ্চায়েতের একজন চাষিও ক্ষতিপূরণ পাননি। ফলে উদ্বিগ্ন চাষিরা। স্থানীয় পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে বিষয়টি প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে লিখিতভাবে জানান হয়েছে। ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় চাষিরা কৃষিদপ্তরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে স্থানীয় পদমকান্দি পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকা বন্যার জলে প্লাবিত হয়েছিল। বসন্তপুর, সাবলদহ, বিশ্বনাথপুর, কাদিপুর, পদমকান্দি, ঝাঁঝড়া, এবং সর্বমঙ্গলাপুর সাতটি মৌজায় দ্বারকা নদের জলে ব্যাপকভাবে ধানের ও তুঁতের জমি জলমগ্ন হয়ে পড়ে। টানা কয়েকদিন ধরে জমিগুলি জলে ডুবে থাকায় চাষিরা ফসল ঘরে তুলতে পারেননি। এরপর চাষিরা কৃষিদপ্তরে শস্যবিমার ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য আবেদন করেন। কিন্তু, ওই পঞ্চায়েত এলাকার একজন চাষিও ক্ষতিপূরণের টাকা পাননি।
ওই পঞ্চায়েতের বিশ্বনাথপুরের চাষি সেপট্রন শেখ বলেন, গত বছর বন্যার জলে গোটা এলাকা প্লাবিত হয়েছিল। বহু চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। অথচ আবেদন করার পরেও একজনও ক্ষতিপূরণের টাকা পাননি। মিরহাটি গ্রামের চাষি সাহেব শেখ বলেন, বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। জেলা প্রশাসনের কর্তা সহ খড়গ্রামের বিডিও এলাকা পরিদর্শন করেছিলেন। অথচ আমরাই ক্ষতিপূরণ পাচ্ছি না। পাতডাঙা গ্রামের জয়ন্ত পাল, সাবলদহ গ্রামের তরুণকুমার মার্জিতরা জানান, গত বছর ব্যাঙ্ক ছাড়াও মহাজনের কাছে ঋণ নিয়েও চাষ করেছিলেন। এরপর শস্যবিমার টাকা না পাওয়ায় প্রত্যেকে চরম সমস্যায় পড়েছেন।
চাষিদের একাংশ এর জন্য কৃষিদপ্তরকেই দায়ী করেছেন। চাষিরা জানান, বিমার কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরেও নিয়মিত কৃষিদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছিল। এমনকী আবেদন করার পরে কৃষিদপ্তরের কর্মীদের কাছে জমি পরিদর্শন করার আবেদন করা হয়েছিল। তবে অনেক ক্ষেত্রে দপ্তরের কর্মীরা ওইসময় মাঠে আসেননি। তাই ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় চাষিরা কৃষিদপ্তরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন।
স্থানীয় পদমকান্দি পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে শস্যবিমার ক্ষতিপূরণ না পাওয়ার বিষয়টি জানানো হয়েছে। পঞ্চায়েত প্রধান শবনম ইয়ামসিন বলেন, রাজ্যে শস্যবিমা চালু হওয়ার পর এই এলাকার চাষিদের বহুবার ফসল নষ্ট হলেও একবারও চাষিরা ক্ষতিপূরণ পাননি। তাই বিষয়টি লিখিত আকারে প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।
এবিষয়ে জেলা উপ কৃষি অধিকর্তা মোহনলাল কুমারের সঙ্গে বারবার মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। এমনকী হোয়াটস অ্যাপে বিষয়টি জানিয়ে মেসেজ করলেও কোনও উত্তর দেননি। যদিও খড়গ্রামের বিডিও মিলনী দাস বলেন, ঘটনার কথা জানা নেই। বিষয়টির খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ওই পঞ্চায়েতের বিশ্বনাথপুরের চাষি সেপট্রন শেখ বলেন, গত বছর বন্যার জলে গোটা এলাকা প্লাবিত হয়েছিল। বহু চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। অথচ আবেদন করার পরেও একজনও ক্ষতিপূরণের টাকা পাননি। মিরহাটি গ্রামের চাষি সাহেব শেখ বলেন, বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। জেলা প্রশাসনের কর্তা সহ খড়গ্রামের বিডিও এলাকা পরিদর্শন করেছিলেন। অথচ আমরাই ক্ষতিপূরণ পাচ্ছি না। পাতডাঙা গ্রামের জয়ন্ত পাল, সাবলদহ গ্রামের তরুণকুমার মার্জিতরা জানান, গত বছর ব্যাঙ্ক ছাড়াও মহাজনের কাছে ঋণ নিয়েও চাষ করেছিলেন। এরপর শস্যবিমার টাকা না পাওয়ায় প্রত্যেকে চরম সমস্যায় পড়েছেন।
চাষিদের একাংশ এর জন্য কৃষিদপ্তরকেই দায়ী করেছেন। চাষিরা জানান, বিমার কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরেও নিয়মিত কৃষিদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছিল। এমনকী আবেদন করার পরে কৃষিদপ্তরের কর্মীদের কাছে জমি পরিদর্শন করার আবেদন করা হয়েছিল। তবে অনেক ক্ষেত্রে দপ্তরের কর্মীরা ওইসময় মাঠে আসেননি। তাই ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় চাষিরা কৃষিদপ্তরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন।
স্থানীয় পদমকান্দি পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে শস্যবিমার ক্ষতিপূরণ না পাওয়ার বিষয়টি জানানো হয়েছে। পঞ্চায়েত প্রধান শবনম ইয়ামসিন বলেন, রাজ্যে শস্যবিমা চালু হওয়ার পর এই এলাকার চাষিদের বহুবার ফসল নষ্ট হলেও একবারও চাষিরা ক্ষতিপূরণ পাননি। তাই বিষয়টি লিখিত আকারে প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।



