নিজস্ব প্রতিনিধি কৃষ্ণনগর: এবছর ৩৫তম বর্ষে পদার্পণ করল ক্লাব বীণাপাণির সরস্বতী পুজো। এবছর তাদের থিম ‘মাঘ মাসে নবান্ন উৎসব’। কৃষ্ণনগর শহরে সরস্বতীপুজোর জন্য খ্যাত এই ক্লাব গ্রামবাংলার এই উৎসবকে এবার পুজোর থিমে তুলে ধরেছে। বিগত ১০বছর ধরেই ক্লাব বীণাপাণীর সরস্বতীপুজোয় বিভিন্নরকম থিমের আয়োজন করা হয়। তাই প্রতিবছরই শহরবাসীর মধ্যে এই পুজো ঘিরে উন্মাদনা থাকে। সোমবার ক্লাবে বাগদেবীর আরাধনা হবে। প্রতি বছর সাঙে করেই প্রতিমা নিরঞ্জন করা হয়।
Advertisement
নবান্ন শব্দের অর্থ নতুন অন্ন। নতুন আমন ধান কাটার পর সেই ধান থেকে প্রস্তুত চাল প্রথম রান্না উপলক্ষ্যেই নবান্ন উৎসব আয়োজিত হয়। সাধারণত অগ্রহায়ণ মাসে অর্থাৎ হেমন্তকালে আমন ধান পাকার পর এই উৎসব হয়। তবে কোথাও কোথাও মাঘ মাসেও নবান্ন উদযাপনের প্রথা রয়েছে। এবার ব্যস্ত কৃষ্ণনগর শহরে গ্রামবাংলার নবান্ন উৎসবের ছবি তুলে ধরা হচ্ছে। সেজন্য ক্লাবের পুজোমণ্ডপ তালগাছ, পাখির বাসা, ধানের গোলা, বিচুলি, কদমফুল সহ বিভিন্ন জিনিস দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। মণ্ডপ লাল-সাদা গামছায় সাজিয়ে তোলা হয়েছে। এবার পুজোর বাজেট ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা।
ক্লাবের সদস্য প্রীতম চক্রবর্তী বলেন, আমরা বরাবরই সরস্বতী পুজো করে আসছি। শহরে আমাদের ক্লাবের সরস্বতী পুজোর জন্য খ্যাতি রয়েছে। ২০১৫ সাল থেকে বিভিন্ন থিমে পুজোমণ্ডপ সাজিয়ে তোলা হয়। আগে আমাদের মন্দিরেই পুজো হতো। এখন থিম করে ধুমধাম করে সরস্বতী আরাধনা করা হয়।
রবিবার সন্ধ্যায় পুজোমণ্ডপ উদ্বোধন করেন ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার মলয় দত্ত। সেইসঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেএনএম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অ্যাডিশনাল সুপার অতীন্দ্রনাথ মণ্ডল। তিনি বলেন, এই ক্লাবের তরফে বিভিন্নরকম সমাজসেবামূলক কাজকর্ম করা হয়। এর আগেও বহুবার এই ক্লাবের কর্মসূচিতে এসেছি।
ক্লাবের সদস্য প্রীতম চক্রবর্তী বলেন, আমরা বরাবরই সরস্বতী পুজো করে আসছি। শহরে আমাদের ক্লাবের সরস্বতী পুজোর জন্য খ্যাতি রয়েছে। ২০১৫ সাল থেকে বিভিন্ন থিমে পুজোমণ্ডপ সাজিয়ে তোলা হয়। আগে আমাদের মন্দিরেই পুজো হতো। এখন থিম করে ধুমধাম করে সরস্বতী আরাধনা করা হয়।
রবিবার সন্ধ্যায় পুজোমণ্ডপ উদ্বোধন করেন ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার মলয় দত্ত। সেইসঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেএনএম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অ্যাডিশনাল সুপার অতীন্দ্রনাথ মণ্ডল। তিনি বলেন, এই ক্লাবের তরফে বিভিন্নরকম সমাজসেবামূলক কাজকর্ম করা হয়। এর আগেও বহুবার এই ক্লাবের কর্মসূচিতে এসেছি।



