Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬

বাণিজ্য ঘাটতিতে বেহাল রাজকোষ, কেন্দ্রীয় বহু প্রকল্পে বাজেট বরাদ্দ ছাঁটাইয়ের আশঙ্কা

বাণিজ্য ঘাটতিতে বেহাল রাজকোষ, কেন্দ্রীয় বহু প্রকল্পে বাজেট বরাদ্দ ছাঁটাইয়ের আশঙ্কা
  • ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: দু’মাস ধরে আমদানি ও রপ্তানির মধ্যে ফারাক ক্রমেই বাড়ছিল। ডিসেম্বর মাসের ১৫ তারিখ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রকের রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, মাত্র এক মাসে সব রেকর্ড ভেঙে গিয়েছে। বাণিজ্য ঘাটতি ৩ হাজার ৭০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। বিগত বছরের সমকালীন সময়সীমার তুলনায় প্রায় ৫ শতাংশ কমে গিয়েছে পণ্য রপ্তানির হার। সেইসঙ্গে বাড়ছে রাজকোষ ঘাটতি। আগামী কেন্দ্রীয় বাজেটে বহু প্রকল্পের বরাদ্দে এর প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
Advertisement
আমদানি বাড়ছে, রপ্তানি কমছে—এই প্রবণতা নতুন নয়। যা নতুন সেটি হল, বিগত তিন মাস ধরে সোনার আমদানি বেড়েছে বিপুলভাবে। শুধু নভেম্বর মাসে সোনার আমদানি ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে সাড়ে ৩৫০ শতাংশ। যা সর্বকালীন রেকর্ড। ভারত সোনা আমদানি করতে গিয়ে বিপুল পরিঘমাণ বিদেশি মুদ্রা ব্যয় করছে। অথচ ভারতের যে রপ্তানি সবথেকে বেশি লাভজনক, সেই  রত্ন ও গয়না রপ্তানি কমে গিয়েছে ২৬ শতাংশ। ইতিমধ্যেই বাজেট প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে অর্থমন্ত্রক। এমন সময়ে উল্লেখযোগ্য বাণিজ্য ঘাটতি এবং সোনার আমদানি বৃদ্ধির রিপোর্ট উদ্বেগে ফেলেছে নর্থ ব্লককে। বিগত দেড় বছর ধরে বাণিজ্য ঘাটতি সরকারের ঘোষিত সীমায় আসছে না। যার জেরে বেড়ে চলেছে রাজস্ব ঘাটতিও। সূত্রের খবর, আগামী আর্থিক বছরের বাজেটে তাই ঘাটতি কমানোর একমাত্র উপায় হিসেবে সরকার নিতে চলেছে বরাদ্দ কমানোর পন্থা।  এদিকে, আজ, শনিবার জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক হবে জয়পুরে। সেখানেও বেশ কিছু জিএসটি হারের বদল হওয়া নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যেমন জীবন ও স্বাস্থ্য বিমার প্রিমিয়ামের জিএসটি মকুব। কিছু পণ্যের জিএসটি কমানো। কিন্তু পাশাপাশি জিএসটি ক্ষতিপূরণ সেস নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা হবে বৈঠকে।
সম্পর্কিত সংবাদ