সুজিত ভৌমিক, কলকাতা: রাতের অন্ধকারে নিরাপত্তারক্ষীদের বন্দি করে, কলকাতা বন্দরের শেডে লুটপাট চালিয়েছিল একদল লুটেরা। ঘটনার পর ১৫ দিন কেটে গিয়েছে। কিন্তু একজন দুষ্কৃতীকেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি সাউথ পোর্ট থানার পুলিস। বাধ্য হয়ে এবার প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ শুনে গোয়েন্দা শিল্পীদের দিয়ে সম্ভাব্য দুষ্কৃতীদের ছবি আঁকানোর (পোর্ট্রেট পার্লে) সিদ্ধান্ত নিল লালবাজার।
Advertisement
কলকাতা পুলিসের এক সূত্র জানাচ্ছে, ‘গার্ডেনরিচ রোডে কলকাতা বন্দরের টি টি শেড রয়েছে। সেখানেই রাতের অন্ধকারে এই লুটপাট হয়েছিল। চলতি বছরের ২৪ অক্টোবর রাত তিনটে থেকে সাড়ে চারটের মধ্যে এই ঘটনা ঘটে। অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীদের একটি দল নৌকা বেয়ে গঙ্গা পথে গার্ডেনরিচ রোডে কলকাতা বন্দরের টিটি শেডে ঢুকে পড়ে।
প্রথমেই কলকাতা বন্দরের নিরাপত্তারক্ষীদের মারধর করে বন্দি করে ফেলে দুষ্কৃতী দলটি। তারপর অবাধে চলে লুটপাট। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরের (কলকাতা) সিকিউরিটি ইন্সপেক্টরটি ঘনশ্যাম সিং কলকাতার সাউথপোর্ট থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন, ‘দুষ্কৃতী দলটি ১০টি সিলিং ফ্যান, দুটি লোহার শিট (৩ ফুট বাই ২ ফুট) এবং ১০টি অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র লুট করে পালায়।’ বন্দর কর্তৃপক্ষের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সাউথপোর্ট থানার পুলিস বেআইনি অনুপ্রবেশ, রক্ষীদের অবৈধভাবে আটকে রাখা এবং লুটপাটের মতো একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করে। কিন্তু ওই পর্যন্তই।
ঘটনার পর এক পক্ষকাল কেটে গেলেও, এখনও অন্ধকারে কার্যত হাতরাচ্ছে সাউথপোর্ট থানার পুলিস। বিষয়টির সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের নাম জড়িয়ে। তাই এই লুটপাটের কিনারা করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে কলকাতা পুলিস। লালবাজার সূত্রের খবর, এই লুটপাটের ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ শুনে, গোয়েন্দা চিত্রকর দিয়ে সম্ভাব্য দুষ্কৃতীদের ছবি আঁকানো হচ্ছে। পরে এই ছবি কলকাতা পুলিসের সমস্ত থানার পাশাপাশি কলকাতা সংলগ্ন হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মতো জেলাতেও ছড়িয়ে দেওয়া হবে। যাতে দ্রুত এই লুটপাটের কিনারা করা যায়।
প্রথমেই কলকাতা বন্দরের নিরাপত্তারক্ষীদের মারধর করে বন্দি করে ফেলে দুষ্কৃতী দলটি। তারপর অবাধে চলে লুটপাট। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরের (কলকাতা) সিকিউরিটি ইন্সপেক্টরটি ঘনশ্যাম সিং কলকাতার সাউথপোর্ট থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন, ‘দুষ্কৃতী দলটি ১০টি সিলিং ফ্যান, দুটি লোহার শিট (৩ ফুট বাই ২ ফুট) এবং ১০টি অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র লুট করে পালায়।’ বন্দর কর্তৃপক্ষের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সাউথপোর্ট থানার পুলিস বেআইনি অনুপ্রবেশ, রক্ষীদের অবৈধভাবে আটকে রাখা এবং লুটপাটের মতো একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করে। কিন্তু ওই পর্যন্তই।
ঘটনার পর এক পক্ষকাল কেটে গেলেও, এখনও অন্ধকারে কার্যত হাতরাচ্ছে সাউথপোর্ট থানার পুলিস। বিষয়টির সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের নাম জড়িয়ে। তাই এই লুটপাটের কিনারা করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে কলকাতা পুলিস। লালবাজার সূত্রের খবর, এই লুটপাটের ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ শুনে, গোয়েন্দা চিত্রকর দিয়ে সম্ভাব্য দুষ্কৃতীদের ছবি আঁকানো হচ্ছে। পরে এই ছবি কলকাতা পুলিসের সমস্ত থানার পাশাপাশি কলকাতা সংলগ্ন হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মতো জেলাতেও ছড়িয়ে দেওয়া হবে। যাতে দ্রুত এই লুটপাটের কিনারা করা যায়।



