সংবাদদাতা, পতিরাম: হাজার বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে অবশেষে ১২ বছর পর বালুরঘাট-হিলি রেললাইন সম্প্রসারণের কাজ শুরু হয়েছে। সেই কাজ শুরু হতেই এবার স্থানীয়দের বাধার মুখে প্রকল্প। বৃহস্পতিবার সকালে বালুরঘাট শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের চকভৃগুর পর্ষদের মাঠে পাথর ফেলার কাজ বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। বাসিন্দাদের অভিযোগ, সম্প্রতি ওই রাস্তা নতুন করেছে পুরসভা। তাই পাথর বোঝাই ৫০ টনের ডাম্পার চলাচল করলে রাস্তা নষ্ট হবে। এই আশঙ্কাতেই এদিন পাথর ফেলার কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয় পর্ষদের মাঠ হারানোর আশঙ্কাতেও তাঁরা এই বিক্ষোভ দেখান। এদিন ওই কাজ বন্ধের বিষয়ে রেলের তরফে কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বিষয়টিকে রাজনৈতিক অভিসন্ধি বলে আখ্যা দিয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেস এই কাজ ইচ্ছাকৃতভাবেই বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ। যদিও তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
Advertisement
এবিষয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, বালুরঘাট-হিলি রেল প্রকল্প দীর্ঘদিনের স্বপ্ন জেলাবাসীর। দীর্ঘদিন পর এই প্রকল্পের কাজ চালু হয়েছে। গোটা জেলার মানুষ খুশি। শুনেছি আজ যারা এই কাজ বন্ধ করেছে তারা শাসক দলের কর্মী। তারা এই কাজের কাটমানি পায়নি তাই ইচ্ছাকৃতভাবে কাজ বন্ধ করেছে। শাসক দল তথা তৃণমূল উন্নয়ন বিরোধী তা আবারও পরিষ্কার হল। এভাবে মানুষের কাজ আটকানো সম্ভব নয়। পুরো বিষয়টি রেল কর্তৃপক্ষ দেখছে।
এনিয়ে ওই ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তথা পুরসভার এমসিআইসি অনোজ সরকার বলেন, সাংসদের এই অভিযোগ পুরোপুরি ভিত্তিহীন। কিছুদিন আগেই পুরসভার তরফে রাস্তাটি করা হয়েছে। রাস্তা দিয়ে ১০ টনের বেশি ভারী গাড়ি চলাচল করা নিষিদ্ধ। সেখানে রেলের ভারী ভারী লরি পাথর নিয়ে যাতায়াত করছে। এতে রাস্তাটি নষ্ট হচ্ছে। তাই স্থানীয় বাসিন্দারা পাথর ফেলা বন্ধ করে দিয়েছেন। অন্য কোথাও পাথর ফেলে ট্রাক্টর করে সেই পাথরগুলি নিয়ে গেলে এই সমস্যা হবে না।
দক্ষিণ দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি ও রাজস্ব) হরিশ রাশিদ বলেন, আমাকে তো রেল বিষয়টি জানায়নি। আমি ওই বাসিন্দাদের হেয়ারিংয়ে ডেকে বিষয়টি সমাধানের করার চেষ্টা করব।
এনিয়ে ওই ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তথা পুরসভার এমসিআইসি অনোজ সরকার বলেন, সাংসদের এই অভিযোগ পুরোপুরি ভিত্তিহীন। কিছুদিন আগেই পুরসভার তরফে রাস্তাটি করা হয়েছে। রাস্তা দিয়ে ১০ টনের বেশি ভারী গাড়ি চলাচল করা নিষিদ্ধ। সেখানে রেলের ভারী ভারী লরি পাথর নিয়ে যাতায়াত করছে। এতে রাস্তাটি নষ্ট হচ্ছে। তাই স্থানীয় বাসিন্দারা পাথর ফেলা বন্ধ করে দিয়েছেন। অন্য কোথাও পাথর ফেলে ট্রাক্টর করে সেই পাথরগুলি নিয়ে গেলে এই সমস্যা হবে না।
দক্ষিণ দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি ও রাজস্ব) হরিশ রাশিদ বলেন, আমাকে তো রেল বিষয়টি জানায়নি। আমি ওই বাসিন্দাদের হেয়ারিংয়ে ডেকে বিষয়টি সমাধানের করার চেষ্টা করব।



