নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে প্রথম ধাপের টাকা সিংহভাগ উপভোক্তার অ্যাকাউন্টেই ঢুকে গিয়েছে। বাকি উপভোক্তারাও তাড়াতাড়ি টাকা পাবেন। প্রথম ধাপের টাকা পেয়ে অনেকেই নতুন ঘর তৈরির কাজেও হাত দিয়েছেন। সেই সুযোগে বাড়তি মুনাফা লাভের আশায় একদল অসাধু ব্যবসায়ী বালির দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসনের কর্তাদের নজর এড়ায়নি। ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়। জেলাশাসক বিধান রায়ের উপস্থিতিতে এনিয়ে বৈঠকও হয়। সেই বৈঠকেই স্পষ্ট করা হয়েছে আবাসের উপভোক্তারা যাতে ন্যায্য মূল্যে বালি পান তা নিশ্চিত করতে হবে।
Advertisement
আবাসে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ রয়েছে। তারই মাঝে রাজ্য সরকার কল্পতরুর ভূমিকা পালন করে। বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ঘর তৈরির জন্য উপভোক্তাদের হাতে টাকা তুলে দেওয়া হয়। প্রথম ধাপের টাকা হাতে পেতেই উপভোক্তারা বাড়ি তৈরির কাজে লেগেছেন। বালির দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই বিপাকে পড়েছেন। তবে এনিয়ে কোথাও কোনও লিখিত অভিযোগ জমা না পড়লেও বিষয়টি বিডিও সহ জেলা প্রশাসনের নজরে আসে। এরপরই জেলা প্রশাসন ভূমি দপ্তর সহ বিভিন্ন ব্লকের বিডিওদের নিয়ে বৈঠক করে। ওই বৈঠকেই বালির অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির বিষয়টি বিডিওদের জানানো হয়েছে। অভিযোগ, প্রতি সিএফটি বালির দাম ১০-১৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে। আগে এক সিএফটি বালির দাম ১৮-২০ টাকা ছিল। এখন তা বাড়িয়ে ৩০-৩৫ টাকা করা হয়েছে। আবার বেশি দাম দিয়েও চাহিদা মতো বালি পাওয়া যাচ্ছে না।
বাংলার বাড়ি প্রকল্পে বীরভূম জেলায় ৫২ হাজার উপভোক্তার পাকা বাড়ির স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে। বালির দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই চিন্তায় পড়েছেন। নির্দিষ্ট অর্থ ও সময়ের মধ্যে প্রথম ধাপের কাজ আদৌ শেষ করতে পারবেন কি না তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন তাঁরা। সাঁইথিয়া ব্লকের ফুলুর পঞ্চায়েতের উপভোক্তা অরুণ দাসের বাড়িতেও ইট, বালি ও পাথর পৌঁছে গিয়েছে। দিনকয়েকের মধ্যেই ঘর তৈরির কাজ শুরু হবে। তাঁর ছেলে মৃণাল দাস বিষয়টি দেখাশোনা করছেন। তিনি বলেন, বালির দাম অনেকটাই বেড়েছে। বাধ্য হয়ে বেশি টাকা দিয়েই বালি কিনতে হচ্ছে। কিন্তু, সবসময় চাহিদামতো বালি পাওয়া যাচ্ছে না। আপাতত কাজ শুরু করাই লক্ষ্য।
জেলাশাসক বলেন, এনিয়ে বৈঠক করা হয়েছে। উপভোক্তারা যাতে ন্যায্য মূল্যে ঘর তৈরির উপকরণ পান সেবিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বাংলার বাড়ি প্রকল্পে বীরভূম জেলায় ৫২ হাজার উপভোক্তার পাকা বাড়ির স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে। বালির দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই চিন্তায় পড়েছেন। নির্দিষ্ট অর্থ ও সময়ের মধ্যে প্রথম ধাপের কাজ আদৌ শেষ করতে পারবেন কি না তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন তাঁরা। সাঁইথিয়া ব্লকের ফুলুর পঞ্চায়েতের উপভোক্তা অরুণ দাসের বাড়িতেও ইট, বালি ও পাথর পৌঁছে গিয়েছে। দিনকয়েকের মধ্যেই ঘর তৈরির কাজ শুরু হবে। তাঁর ছেলে মৃণাল দাস বিষয়টি দেখাশোনা করছেন। তিনি বলেন, বালির দাম অনেকটাই বেড়েছে। বাধ্য হয়ে বেশি টাকা দিয়েই বালি কিনতে হচ্ছে। কিন্তু, সবসময় চাহিদামতো বালি পাওয়া যাচ্ছে না। আপাতত কাজ শুরু করাই লক্ষ্য।
জেলাশাসক বলেন, এনিয়ে বৈঠক করা হয়েছে। উপভোক্তারা যাতে ন্যায্য মূল্যে ঘর তৈরির উপকরণ পান সেবিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।



