নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: ‘বাংলার বাড়ি’ নিয়ে শনিবার হাবড়া ২ ব্লকের গুমাতে ‘সতর্কতার’ বার্তা দিলেন অশোকনগরের বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী। বললেন, এই প্রকল্পে কোনও ব্যক্তি অন্যায় সুবিধা নিতে চাইলে সোজা ‘দিদিকে বলো’-তে অভিযোগ জানান।
Advertisement
‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে হাবড়া ২ ব্লকে প্রায় চার হাজার উপভোক্তা আছেন। এই প্রকল্পের উপভোক্তাদের নিয়ে শনিবার সকালে গুমা নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়ের মাঠে সভা হয়। বিধায়ক ছাড়াও সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিডিও, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, সহ-সভাপতি, আটটি পঞ্চায়েতের প্রধান, উপপ্রধানরা। বিধায়ক নারায়ণবাবু বলেন, গুড়, চিনি, মিষ্টি যেখানে থাকে, সেখানে পিঁপড়েরা হাজির হয়। বাংলার বাড়ি প্রকল্পেও যদি এমন কোনও পিঁপড়ে আসে, তাহলে সরাসরি দিদিকে বলো’তে ফোন করে জানিয়ে দিন।
মঞ্চ থেকে শ্রোতা, দর্শকদের নিজের ফোন নম্বর দিয়ে তাঁর সংযোজন, গরিবের জন্য পাঠানো টাকাতে একমাত্র তাঁদেরই অধিকার। এখান থেকে কেউ যেন এক কাপ চাও খেতে চাইবেন না। সিন্ডিকেট রাজ নিয়েও এদিন হুঁশিয়ারির সুর শোনা গেল বিধায়কের গলায়। বললেন, কোন ভাটা থেকে ইট নেবেন, কোন গোলা থেকে বালি, পাথর, সিমেন্ট নেবেন, সেটা আপনারাই ঠিক করবেন। পাড়ার কেউ বললে শুনবেন না। মাতব্বরি করার অধিকার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কাউকে দেননি।
মঞ্চ থেকে শ্রোতা, দর্শকদের নিজের ফোন নম্বর দিয়ে তাঁর সংযোজন, গরিবের জন্য পাঠানো টাকাতে একমাত্র তাঁদেরই অধিকার। এখান থেকে কেউ যেন এক কাপ চাও খেতে চাইবেন না। সিন্ডিকেট রাজ নিয়েও এদিন হুঁশিয়ারির সুর শোনা গেল বিধায়কের গলায়। বললেন, কোন ভাটা থেকে ইট নেবেন, কোন গোলা থেকে বালি, পাথর, সিমেন্ট নেবেন, সেটা আপনারাই ঠিক করবেন। পাড়ার কেউ বললে শুনবেন না। মাতব্বরি করার অধিকার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কাউকে দেননি।



