নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: এবার থেকে ঝাড়গ্রাম বেলপাহাড়ী গ্রামীণ হাসপাতালে হবে সিজারিয়ান প্রসব। রক্ত সংরক্ষণ ইউনিটও তৈরি করা হবে। বৃহস্পতিবার রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের আধিকারিকরা জেলার স্বাস্থ্য পরিষেবা খতিয়ে দেখতে আসেন। একাধিক বৈঠক করেন। জেলার স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়নে একাধিক পদক্ষেপ করার কথা জানানো হয়। রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের অধিকর্তা স্বপন সোরেন এদিন বলেন, বেলপাহাড়ী গ্রামীণ হাসপাতালে আমরা সিমক্স সেন্টার তৈরি করতে চলেছি। কোনও প্রসূতি মায়ের যদি অপারেশন করতে হয় তা করা যাবে। অপারেশন করার জন্য একটা রক্ত সংরক্ষণ ইউনিটের প্রয়োজন হয়। সেই ইউনিটও তৈরি করা হবে। তিনি বলেন, চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি আছে। সেইসব সমস্যার সমাধান হবে। ঝাড়গ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে কিছু অভিযোগ ওঠে সেগুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে বলে তিনি জানান। ঝাড়গ্রামের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ঢেলে সাজানোর কাজ চলছে। ঝাড়গ্রামে ঝাড়গ্রাম, নয়াগ্রাম ও গোপীবল্লভপুরে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল তৈরি করা হয়েছে। ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালকে ঝাড়গ্রাম গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে রূপান্তর করা হয়েছে। গ্ৰামীণ এলাকায় মানুষের জন্য সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। আয়ুর্বেদ, হোমিওপ্যাথি, যোগের মতো চিকিৎসার ব্যাবস্থা করা হয়েছে। টেলি মেডিসিন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। শহর ছাড়াও গ্ৰামীণ চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসার সুবিধা মিলছে। পঠন পাঠনও শুরু হয়েছে মেডিক্যাল কলেজে। স্বাস্থ্যদপ্তরের নতুন উদ্যোগে খুশি বেলপাহাড়ীর বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দা কাজলকান্তি পাল বলেন, বেলপাহাড়ী থেকে প্রসূতি মায়েদের ঝাড়গ্রাম মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যেত হতো। বেলপাহাড়ী গ্রামীণ হাসপাতালে সিজার চালু হলে প্রসূতি মায়েরা ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবেন। দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ায় আমরা খুশি। সিএমওএইচ ভুবনচন্দ্র হাঁসদা বলেন, রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরের আধিকারিকরা এদিন জেলার স্বাস্থ্য পরিষেবা খতিয়ে দেখতে এসেছিলেন। কিছু পদক্ষেপ করার কথা ঘোষণা করেছেন।



