Bartaman Logo
৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

এসআইআরের পর ভোট, খাঁ খাঁ করছে এনবিএমসির রিজিওনাল ব্লাড সেন্টার

এসআইআরের রেশ কাটতে না কাটতেই ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে সবদলই ভোট প্রচারে নেমে পড়েছে। কর্মীরা প্রচারে ব্যস্ত, তাই রক্তদান শিবির বন্ধ।

এসআইআরের পর ভোট, খাঁ খাঁ করছে এনবিএমসির রিজিওনাল ব্লাড সেন্টার
  • ২১ মার্চ, ২০২৬ ১৫:০৩
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: এসআইআরের রেশ কাটতে না কাটতেই ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে সবদলই ভোট প্রচারে নেমে পড়েছে। কর্মীরা প্রচারে ব্যস্ত, তাই রক্তদান শিবির বন্ধ। ফলে রক্তের চরম সংকট দেখা দিয়েছে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ রিজিওনাল ব্লড সেন্টারে। 

Advertisement

ডোনার নিয়ে এলে তবেই মিলছে রক্ত। অনেক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট গ্রুপের ডোনারকে নিয়ে যেতে হচ্ছে। এই সংকটের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন রিজিওনাল ব্লাড সেন্টারের ডিরেক্টর ডাঃ মৃদুময় দাস। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই রক্তদান শিবির হচ্ছে না। পাড়ায় পাড়ায় যোগাযোগ করে আবেদন করে শুনতে হয়েছে এসআইআর নিয়ে ব্যস্ততার কথা। কেউ বলেছেন, ভোটার লিস্টে নাম নেই। কেউ বলেছেন শুনানিতে ডাক পড়েছে। নাম তোলা নিয়ে ব্যস্ত। এখন রক্তদান শিবির করার সময় নেই। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই সব রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা এখন ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন ভোটের প্রচারে। ফলে ভোটের আগে রক্তদান শিবির হওয়ার কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না ডাঃ মৃদুময় দাস। 
এদিকে, চাহিদা বাড়ছে। উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দিনে গড়ে ১০০ ইউনিট রক্তের চাহিদা থাকে। থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত ও প্রসূতি মায়েদের রক্তের জোগান দেওয়া বাধ্যতামূলত। এছাড়া বাইরের সরকারি হাসপাতাল ও নার্সিংহোমে রক্তের চাহিদা থাকে। রক্তদান শিবির না হলে এত রক্ত কোথা থেকে আসবে, তা বুঝতে পারছেন না ডাঃ মৃদুময় দাস। তিনি বলেন, চেনা পরিচিত, বিভিন্ন ক্লাব, সংগঠনের কর্মকর্তা, যার সঙ্গেই দেখা হচ্ছে বলছি, রক্তদান শিবির করার কথা। সকলের এক কথা ভোটের আগে সম্ভব না। কিন্তু রক্তদান শিবির না হলে গরিব মানুষ কোথা থেকে রক্ত পাবে। যাঁদের সামর্থ্য আছে তাঁরা, বেসরকারি ব্লাড ব্যাংক থেকে রক্ত কিনছেন। কিন্তু উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সরকারি হাসপাতালে আসা গরিব মানুষ রক্ত পাবে কোথা থেকে? 
উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ রিজিওনাল ব্লাড সেন্টার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত সাত দিন দার্জিলিংয়ে একটি এবং সমতলের বিধাননগরে একটি মোট দু’টি রক্তদান শিবির হয়েছে। সেখান থেকে মোট ৩০ ইউনিট রক্ত এসেছে। যেখানে দিনে ১০০ ইউনিটের চাহিদা সেখানে ৩০ ইউনিট রক্ত কিছুই নয় বলে জানান ডাঃ মৃদুময় দাস।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ