নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: বল্লভপুর ডিয়ার পার্কে ঘুরতে এখন থেকে আর গাঁটের কড়ি খরচ করতে হবে না। পর্যটকদের প্রবেশের ক্ষেত্রে এবার এন্ট্রি-ফি তুলে নিল বনদপ্তর। তবে ওই ডিয়ার পার্কে ঢোকার জন্য বনদপ্তরের তরফে কিছু নিয়মও জারি করা হয়েছে। বনদপ্তরের কর্তাদের একাংশের মতে, এন্ট্রি ফি উঠে যাওয়ায় পর্যটকদের ভিড় বাড়বে। সেকারণে সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে।
Advertisement
একসময় বক্সা টাইগার রিজার্ভে পর্যটকদের প্রবেশে এন্ট্রি-ফি দিতে হতো। বিষয়টি নজরে আসতেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এনিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন। তারপরই ফ্রি-তে প্রবেশের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়। বীরভূমের বোলপুরের বল্লভপুর ডিয়ার পার্কেও পর্যটকদের প্রবেশের ক্ষেত্রে এন্ট্রি ফি তুলে দেওয়া হয়েছে। কয়েকদিন আগে থেকেই ওই পার্কে পর্যটকদের ঢোকায় কোনও টাকা নেওয়া হচ্ছে না। এতে খুশি পর্যটকরা। তবে এর জেরে পার্কের ভিতরে যাতে বিশৃঙ্খলা না হয় সেদিকে কড়া নজর রাখা হচ্ছে। মূলত পর্যটকদের ভিড়ে বন্যপ্রাণীরা যেন বিরক্ত না হয় সেদিকটি নজরে রাখা হয়েছে। সেক্ষেত্রে বনদপ্তরের সিদ্ধান্ত, নির্দিষ্ট সময়ে ১০০জনের বেশি পর্যটক ঢুকতে দেওয়া হবে না। পর্যটকদের প্রবেশের ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশনের কাজ শুরু হয়েছে। পার্কে ঢোকার মুখেই পর্যটকদের নাম নথিভুক্ত করা হচ্ছে। সেইসঙ্গে কখন তাঁরা পার্কে ঢুকছেন সেই বিষয়টিও উল্লেখ করা হচ্ছে। ভিড় এড়াতে পার্কের নিরাপত্তারক্ষীরা নজরদারি চালাচ্ছেন।
রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে শান্তিনিকেতন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি তা ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের স্বীকৃতিও পেয়েছে। ফলে দেশের পর্যটন মানচিত্রে শান্তিনিকেতনের গুরুত্ব আরও বেড়েছে। পর্যটকরা বিশ্বভারতী, সোনাঝুরি খোয়াইয়ের হাট, কঙ্কালীতলা, কোপাই ঘুরতে ও সময় কাটাতে পছন্দ করেন। পাশাপাশি বল্লভপুর অভয়ারণ্যও তাঁদের অন্যতম গন্তব্য। বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এন্ট্রি ফি মকুব করা হলেও পার্কে ঢোকার জন্য পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। প্রবেশপথেই তা যাচাই করে নাম নথিভুক্ত করা হবে। তারপরই কোনও পর্যটক পার্কের ভিতরে ঢুকতে পারবেন।
ডিএফও রাহুল কুমার বলেন, নির্দেশিকা পাওয়ার পরই এন্ট্রি ফি তুলে নেওয়া হয়েছে। তবে পর্যটকদের পরিচয়পত্র দেখা হচ্ছে। একটি নির্দিষ্ট সময়ে যাতে খুব ভিড় না হয় সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।
রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে শান্তিনিকেতন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি তা ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের স্বীকৃতিও পেয়েছে। ফলে দেশের পর্যটন মানচিত্রে শান্তিনিকেতনের গুরুত্ব আরও বেড়েছে। পর্যটকরা বিশ্বভারতী, সোনাঝুরি খোয়াইয়ের হাট, কঙ্কালীতলা, কোপাই ঘুরতে ও সময় কাটাতে পছন্দ করেন। পাশাপাশি বল্লভপুর অভয়ারণ্যও তাঁদের অন্যতম গন্তব্য। বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এন্ট্রি ফি মকুব করা হলেও পার্কে ঢোকার জন্য পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। প্রবেশপথেই তা যাচাই করে নাম নথিভুক্ত করা হবে। তারপরই কোনও পর্যটক পার্কের ভিতরে ঢুকতে পারবেন।
ডিএফও রাহুল কুমার বলেন, নির্দেশিকা পাওয়ার পরই এন্ট্রি ফি তুলে নেওয়া হয়েছে। তবে পর্যটকদের পরিচয়পত্র দেখা হচ্ছে। একটি নির্দিষ্ট সময়ে যাতে খুব ভিড় না হয় সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।



