নয়াদিল্লি ও ঢাকা: সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া নিয়ে সংঘাতের আবহে এবার বাংলাদেশকে পাল্টা চাপ দিল ভারত। রবিবার এই নিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনারকে ডেকে পাঠিয়েছিল বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক। একদিনের মধ্যেই সোমবার বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনার নুরুল ইসলামকে ডেকে পাঠাল দিল্লি। এদিন তাঁকে তলব করে বিদেশ মন্ত্রক। এদিন নুরুলকে সাউথ ব্লকে বিদেশ মন্ত্রকের কার্যালয় থেকে বেরোতে দেখা যায়। তবে তাঁকে ভারতের তরফে কী বার্তা দেওয়া হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। মহম্মদ ইউনুসের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতি হচ্ছে। অনুপ্রবেশের আশঙ্কায় সীমান্ত সুরক্ষায় জোর দিয়েছে বিএসএফ। কিন্তু মালদহ, কোচবিহারে খোলা সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া নিয়ে ক্রমাগত বাধা দিয়ে চলেছে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি)। কাঁটাতারের বেড়া নিয়ে অসন্তোষের কথা জানাতেই ভারতীয় হাই কমিশনারকে ডেকে পাঠায় ঢাকা। কিন্তু এই ইস্যুতে ভারতও যে ছেড়ে কথা বলবে না, তা একদিনের মধ্যেই স্পষ্ট করে দিল দিল্লি।
Advertisement
এদিকে, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চাপ বাড়াতে নতুন পদক্ষেপ নিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার। জুলাই-আগস্ট মাসে আন্দোলন চলাকালীন হাসিনার ফোন কলের রেকর্ড ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জমা পড়েছে। সোমবার ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান মহম্মদ গোলাম মোর্তাজা মজুমদার সেগুলি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছেন। সরকার পক্ষের আইনজীবীরা এদিন দাবি করেছেন, আন্দোলন চলাকালীন হাসিনা একাধিক মন্ত্রী, আমলা ও বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন। সেই কথোপকথন খুঁটিয়ে দেখে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ১২ বছর আগে জামাত-ই-ইসলামির এক কর্মীকে গুলি করে খুনের চেষ্টার অভিযোগে হাসিনার বিরুদ্ধে নতুন একটি মামলা দায়ের হয়েছে। ওই মামলায় মোট ৯০ জন অভিযুক্ত। হাসিনা ছাড়াও প্রাক্তন মন্ত্রী ওবায়েদুল কাদের সহ একাধিক আওয়ামি লিগ নেতার নাম অভিযুক্তের তালিকায় রয়েছে।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটান আদালতে বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের মামলায় জামিন পেলেন ৬৩ জন আইনজীবী। গত ২৬ নভেম্বর রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় বাংলাদেশ সনাতনী সম্মিলিত জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণদাসকে এজলাসে নিয়ে যাওয়ার সময় রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে চট্টগ্রাম আদালত চত্বর। সংঘর্ষের মধ্যে খুন হন এক আইনজীবী। ঘওই আইনজীবীর ভাই ১১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তাতে ৬৬ জন আইনজীবীর নামও ছিল। যদিও অভিযোগ ওঠে, চিন্ময়ের হয়ে যাতে মামলা লড়তে না পারেন, তার জন্য বেছে বেছে হিন্দু ধর্মাবলম্বী আইনজীবীদের নামে মামলা করা হয়েছে। সোমবার ৬৩ জন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। তারপরই তাঁদের জামিন মঞ্জুর করে আদালত।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটান আদালতে বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের মামলায় জামিন পেলেন ৬৩ জন আইনজীবী। গত ২৬ নভেম্বর রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় বাংলাদেশ সনাতনী সম্মিলিত জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণদাসকে এজলাসে নিয়ে যাওয়ার সময় রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে চট্টগ্রাম আদালত চত্বর। সংঘর্ষের মধ্যে খুন হন এক আইনজীবী। ঘওই আইনজীবীর ভাই ১১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তাতে ৬৬ জন আইনজীবীর নামও ছিল। যদিও অভিযোগ ওঠে, চিন্ময়ের হয়ে যাতে মামলা লড়তে না পারেন, তার জন্য বেছে বেছে হিন্দু ধর্মাবলম্বী আইনজীবীদের নামে মামলা করা হয়েছে। সোমবার ৬৩ জন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। তারপরই তাঁদের জামিন মঞ্জুর করে আদালত।



