বিশেষ সংবাদদাতা, আগরতলা: বাংলাদেশে বাড়ছে অশান্তি। চড়ছে ভারত বিরোধিতার সুর। সেইসঙ্গে প্রতিবেশী দেশে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের ঘটনাও বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে সোমবার ত্রিপুরার আগরতলায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনে বিক্ষোভ ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। এই ঘটনার পর রাত সাড়ে তিনটে পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে পুলিস ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। কর্তব্যে গাফিলতির দায়ে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে পুলিসের তিন সাব-ইনসপেক্টরকেও। পশ্চিম জেলার পুলিস সুপার কিরণ কুমার একথা জানিয়েছেন। পাশাপাশি কোনওরকম অনভিপ্রেত ঘটনা এড়াতে ত্রিপুরায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আগরতলার আখাউড়া চেকপোষ্টে প্রবেশের পথে আখাউড়া রোডে তিন তিনটি জায়গায় পুলিসের পক্ষ থেকে লাগানো হয়েছে ব্যারিকেড। সাধারণ মানুষ ও স্থানীয়দের চলাচলে জারি হয়েছে বিধিনিষেধ। এরইমধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য দরজা বন্ধ করল ত্রিপুরার সমস্ত হোটেল।
Advertisement
অল ত্রিপুরা হোটেল ও রেস্টুরেন্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন এক যৌথ বৈঠকের বাংলাদেশিদের বয়কটের কথা ঘোষণা করেছে। অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সম্পাদক তপন সাহা জানিয়েছেন, ‘বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি ভয়াবহ। সেদেশে ভারতের জাতীয় পতাকার অপমান করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে যতদিন না পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়, ততদিন বাংলাদেশের নাগরকিদের ত্রিপুরার কোনও হোটেল ও রেস্তরাঁয় থাকা ও খাওয়ার জায়গা দেওয়া হবে না।
সোমবার ‘হিন্দু সংঘর্ষ সমিতি’ নামে একটি সংগঠনের সদস্যরা নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে সার্কিট হাউসের হাইকমিশন অফিসের ভিতরে ঢুকে পড়ে। জিনিসপত্র ভাঙচুরের পাশাপাশি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা পুড়িয়ে দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর নিরাপত্তাজনিত কারণে আগরতলা থেকে বাংলাদেশের ভিসা ও কনস্যুলার পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনার অফিসে। মোতায়ন হয়েছে পুলিস ও আধা সামরিক বাহিনী। সোমবারের ঘটনায় বাংলাদেশে ভারতের রাষ্ট্রদূত প্রণয় ভর্মাকে ডেকে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, আগরতলার বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনে নিরাপত্তাভঙ্গের ঘটনাকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছে বিদেশ মন্ত্রক। এক বিবৃতিতে মন্ত্রক দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ডেপুটি হাইকমিশন কার্যালয়গুলিতে নিরাপত্তা জোরদার করার কথা জানিয়েছে।
সোমবার ‘হিন্দু সংঘর্ষ সমিতি’ নামে একটি সংগঠনের সদস্যরা নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে সার্কিট হাউসের হাইকমিশন অফিসের ভিতরে ঢুকে পড়ে। জিনিসপত্র ভাঙচুরের পাশাপাশি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা পুড়িয়ে দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর নিরাপত্তাজনিত কারণে আগরতলা থেকে বাংলাদেশের ভিসা ও কনস্যুলার পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনার অফিসে। মোতায়ন হয়েছে পুলিস ও আধা সামরিক বাহিনী। সোমবারের ঘটনায় বাংলাদেশে ভারতের রাষ্ট্রদূত প্রণয় ভর্মাকে ডেকে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, আগরতলার বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনে নিরাপত্তাভঙ্গের ঘটনাকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছে বিদেশ মন্ত্রক। এক বিবৃতিতে মন্ত্রক দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ডেপুটি হাইকমিশন কার্যালয়গুলিতে নিরাপত্তা জোরদার করার কথা জানিয়েছে।



