নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: বাংলাদেশ ইস্যুতে ঠাকুমা ইন্দিরা গান্ধীর কৃতিত্বের কথা প্রিয়াঙ্কাকে বলতে দেওয়া হল না। অভিযোগ কংগ্রেসের। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সেদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু, বৌদ্ধদের ওপর অত্যাচার আটকাতে মোদি সরকারকে সক্রিয় হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। যদিও এ ব্যাপারে বিস্তারিত বলতে চাইলেও বার বার তাঁর মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয় বলেই অভিযোগ। একবার নয়, তিনবার তাঁর মাইক বন্ধ করা হয়। প্রতিবাদে স্লোগান দিতে দিতে সভা থেকে ‘ওয়াক আউট’ করে কংগ্রেস। সংসদ চত্বরেও চলে বিক্ষোভ। স্লোগান ওঠে, বিরোধী কো মাইক দো। বিরোধী কা অপমান বন্ধ করো।
Advertisement
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও সোমবার বাংলাদেশ ইস্যুতে সরব হন। বলেন, ওখানে হিন্দুরা অত্যাচারিত। আর আমাদের সরকার কেন মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে? কেন সরকার সংসদে কোনও পরিস্থিতি নিয়ে কিছু বলছে না? প্রধানমন্ত্রী অথবা বিদেশমন্ত্রী সংসদে এসে মঙ্গলবারের মধ্যেই জবাব দিন। বাংলাদেশে হিন্দুদের অত্যচার মেনে নেওয়া যায় না।
১৬ ডিসেম্বর ছিল বাংলাদেশ বিজয় দিবস। পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধে ১৯৭১ সালে এইদিনই বাংলাদেশ নামে পৃথক দেশ ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তাই এদিন লোকসভার জিরো আওয়ারে বিজেপি, কংগ্রেস, তৃণমূলের সাংসদরা বাংলাদেশ ইস্যু তোলেন। বিজেপির নিশিকান্ত দুবে স্রেফ ইন্দিরাকে কৃতিত্ব দিতে নারাজ। তাই তিনি নজরুল ইসলাম, বাবু জগজীবন রামের প্রসঙ্গ তোলেন। বলেন, কংগ্রেস স্রেফ ইন্দিরা গান্ধীর নাম নিয়ে এইসব বরেণ্যদের ভুলিয়ে দিতে চায়।
নিশিকান্তর কথা শেষ হওয়ার আগেই শুরু করেন প্রিয়াঙ্কা। স্পিকারের আসনে থাকা চেয়ার পার্সন সন্ধ্যা রায়ের অনুমতিতেই। সুযোগ পেয়ে প্রিয়াঙ্কা বলেন, সেই সময়ে বাঙালি ভাইবোনের কথা কেউ শুনছিল না। অত্যাচার হচ্ছিল। ইন্দিরা গান্ধী প্রধানমন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশের অধিকারের লড়াইয়ে পাশে দাঁড়ান। পাকিস্তান মাথা নত করে। অথচ এখন দিল্লির সেনা ভবন থেকে পাকিস্তান সেনার সেই মাথা নতর ছবিই সরিয়ে ফেলা হয়েছে। আর কিছু বলতে চাইলেও প্রিয়াঙ্কার মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়। রে রে করে ওঠেন কংগ্রেস সাংসদরা। ফের চালু হয় মাইক। কয়েক সেকেন্ডেই ফের বন্ধ। প্রতিবাদে প্রিয়াঙ্কার নেতৃত্বে ওয়াক আউট করে কংগ্রেস। সভায় সেই সময় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ছিলেন না।
প্রিয়াঙ্কা এদিন প্যালেস্তাইন লেখা একটি ঝোলা ব্যাগ নিয়ে সংসদে আসায় বিজেপি বিতর্ক শুরু করে। দলের সোশ্যাল মিডিয়া সেল থেকে সমালোচনা করা হয়। সংসদ চত্বরে দাঁড়িয়ে তার প্রতিবাদ করে প্রিয়াঙ্কার পাল্টা, আবোলতাবোল মন্তব্য না করে বাংলাদেশ ইস্যুতে সরকার কী করছে, সেটার জবাব দিক বিজেপি। একইসঙ্গে জানান, তাঁর এক বন্ধু ওই ব্যাগটি উপহার দিয়েছেন। তিনি কেনেননি।
১৬ ডিসেম্বর ছিল বাংলাদেশ বিজয় দিবস। পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধে ১৯৭১ সালে এইদিনই বাংলাদেশ নামে পৃথক দেশ ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তাই এদিন লোকসভার জিরো আওয়ারে বিজেপি, কংগ্রেস, তৃণমূলের সাংসদরা বাংলাদেশ ইস্যু তোলেন। বিজেপির নিশিকান্ত দুবে স্রেফ ইন্দিরাকে কৃতিত্ব দিতে নারাজ। তাই তিনি নজরুল ইসলাম, বাবু জগজীবন রামের প্রসঙ্গ তোলেন। বলেন, কংগ্রেস স্রেফ ইন্দিরা গান্ধীর নাম নিয়ে এইসব বরেণ্যদের ভুলিয়ে দিতে চায়।
নিশিকান্তর কথা শেষ হওয়ার আগেই শুরু করেন প্রিয়াঙ্কা। স্পিকারের আসনে থাকা চেয়ার পার্সন সন্ধ্যা রায়ের অনুমতিতেই। সুযোগ পেয়ে প্রিয়াঙ্কা বলেন, সেই সময়ে বাঙালি ভাইবোনের কথা কেউ শুনছিল না। অত্যাচার হচ্ছিল। ইন্দিরা গান্ধী প্রধানমন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশের অধিকারের লড়াইয়ে পাশে দাঁড়ান। পাকিস্তান মাথা নত করে। অথচ এখন দিল্লির সেনা ভবন থেকে পাকিস্তান সেনার সেই মাথা নতর ছবিই সরিয়ে ফেলা হয়েছে। আর কিছু বলতে চাইলেও প্রিয়াঙ্কার মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়। রে রে করে ওঠেন কংগ্রেস সাংসদরা। ফের চালু হয় মাইক। কয়েক সেকেন্ডেই ফের বন্ধ। প্রতিবাদে প্রিয়াঙ্কার নেতৃত্বে ওয়াক আউট করে কংগ্রেস। সভায় সেই সময় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ছিলেন না।
প্রিয়াঙ্কা এদিন প্যালেস্তাইন লেখা একটি ঝোলা ব্যাগ নিয়ে সংসদে আসায় বিজেপি বিতর্ক শুরু করে। দলের সোশ্যাল মিডিয়া সেল থেকে সমালোচনা করা হয়। সংসদ চত্বরে দাঁড়িয়ে তার প্রতিবাদ করে প্রিয়াঙ্কার পাল্টা, আবোলতাবোল মন্তব্য না করে বাংলাদেশ ইস্যুতে সরকার কী করছে, সেটার জবাব দিক বিজেপি। একইসঙ্গে জানান, তাঁর এক বন্ধু ওই ব্যাগটি উপহার দিয়েছেন। তিনি কেনেননি।



