নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: গত আগস্ট মাসের শেষের দিকে রাতের অন্ধকারে বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়েছিল যাত্রী প্রতীক্ষালয়। পুরুলিয়া শহরের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের রাঘবপুরের এই ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছিল শহরজুড়ে। নাগরিকদের ক্ষোভ সামাল দিতে দুর্গাপুজোর আগেই নতুন প্রতীক্ষালয় তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন পুরুলিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান নব্যেন্দু মাহালি। কিন্তু, প্রতিশ্রুতিই সার। সেই প্রতীক্ষালয় আজও না হওয়ায় ফের ক্ষোভে ফুঁসতে শুরু করেছে শহরবাসী। যদিও চেয়ারম্যানের আশ্বাস, শীঘ্রই যাত্রী প্রতীক্ষালয় তৈরি করে দেওয়া হবে।
Advertisement
পুরুলিয়া পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০৩ রাঘবপুর মোড়ে যাত্রী প্রতীক্ষালয়টি তৈরি করে রোটারি ক্লাব। তা দেখভাল করত পুরসভাই। গত ২৬ আগস্ট রাতের অন্ধকারে বুলডোজার দিয়ে সেটি ভেঙে ফেলা হয়। যা নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরির হয় শহরজুড়ে। বাসিন্দারা প্রশ্ন তুলেছিলেন, সারারাতই ওই রাস্তা দিয়ে মানুষজন যাতাযাত করে। পুলিস পেট্রলিং তো আছেই। থানা থেকে দূরত্ব মাত্র দেড় কিলোমিটার। এরকম একটা ব্যস্ততম এলাকায় এধরনের ঘটনা ঘটল কী করে? পুলিসই বা কী করছিল সেই প্রশ্নও তোলেন বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রের খবর, প্রতীক্ষালয়ের পিছনে ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জমি রয়েছে। জমিটি পাঁচিল দিয়ে ঘেরা। সেই জমি এখন শহরের এক বড় ব্যবসায়ীর কব্জায়। সেখানে ফ্ল্যাট তৈরির তোড়জোড় হচ্ছে বলে খবর। সেই জমিতে প্রবেশের জন্য সামনের দিকে একটি ছোট দরজাও রয়েছে। কিন্তু, প্রবেশপথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় প্রতীক্ষালয়টি। সেই কারণেই কি প্রতীক্ষালয়টি ভাঙা হয়েছিল? প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। এই ঘটনার পিছনে জড়িত হিসেবে নাম উঠে এসেছিল পুরসভার এক প্রথম সারির নেতা থেকে শুরু করে প্রোমোটার সহ অনেকেরই। যদিও এই ঘটনায় কোনও বিশেষ পদক্ষেপই করতে দেখা যায়নি পুলিসকে। গত চারমাস পার হয়ে গেলেও ঘটনার মূল চক্রীদের টিকিও ছোঁয়া যায়নি।
তবে এই ঘটনার প্রবল নিন্দা জানিয়ে চেয়ারম্যান আশ্বাস দিয়েছিলেন, দুর্গাপুজোর আগেই পুরসভার নিজস্ব তহবিল থেকে অত্যাধুনিক প্রতীক্ষালয় নির্মাণ করে দেওয়া হবে। কিন্তু, এখনও তা নির্মাণ হয়নি। ফলে বাসিন্দাদের প্রশ্ন, প্রোমোটারের সঙ্গে কি পুরসভার ‘সেটিং’ হয়ে গেল? যদিও এসব জল্পনা উড়িয়ে চেয়ারম্যান বলেন, এরকম ভাবার কোনও ব্যাপারই নেই। পুরসভার তহবিলের সমস্যা থাকায় আমরা এব্যাপারে রোটারি ক্লাবের সঙ্গে কথা বলি।
এর আগে যেহেতু ওরাই বাসস্ট্যান্ড নির্মাণ করেছিল, তাই ওরাই প্রতীক্ষালয় তৈরি করে দেবে বলেছে। পুরসভার সিআইসি তথা তৃণামূলের শহর সভাপতি প্রদীপ ডাগা বলেন, প্রতীক্ষালয় হবেই। যে জায়গায় ছিল, সেই জায়গাতেই হবে।
স্থানীয় সূত্রের খবর, প্রতীক্ষালয়ের পিছনে ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জমি রয়েছে। জমিটি পাঁচিল দিয়ে ঘেরা। সেই জমি এখন শহরের এক বড় ব্যবসায়ীর কব্জায়। সেখানে ফ্ল্যাট তৈরির তোড়জোড় হচ্ছে বলে খবর। সেই জমিতে প্রবেশের জন্য সামনের দিকে একটি ছোট দরজাও রয়েছে। কিন্তু, প্রবেশপথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় প্রতীক্ষালয়টি। সেই কারণেই কি প্রতীক্ষালয়টি ভাঙা হয়েছিল? প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। এই ঘটনার পিছনে জড়িত হিসেবে নাম উঠে এসেছিল পুরসভার এক প্রথম সারির নেতা থেকে শুরু করে প্রোমোটার সহ অনেকেরই। যদিও এই ঘটনায় কোনও বিশেষ পদক্ষেপই করতে দেখা যায়নি পুলিসকে। গত চারমাস পার হয়ে গেলেও ঘটনার মূল চক্রীদের টিকিও ছোঁয়া যায়নি।
তবে এই ঘটনার প্রবল নিন্দা জানিয়ে চেয়ারম্যান আশ্বাস দিয়েছিলেন, দুর্গাপুজোর আগেই পুরসভার নিজস্ব তহবিল থেকে অত্যাধুনিক প্রতীক্ষালয় নির্মাণ করে দেওয়া হবে। কিন্তু, এখনও তা নির্মাণ হয়নি। ফলে বাসিন্দাদের প্রশ্ন, প্রোমোটারের সঙ্গে কি পুরসভার ‘সেটিং’ হয়ে গেল? যদিও এসব জল্পনা উড়িয়ে চেয়ারম্যান বলেন, এরকম ভাবার কোনও ব্যাপারই নেই। পুরসভার তহবিলের সমস্যা থাকায় আমরা এব্যাপারে রোটারি ক্লাবের সঙ্গে কথা বলি।
এর আগে যেহেতু ওরাই বাসস্ট্যান্ড নির্মাণ করেছিল, তাই ওরাই প্রতীক্ষালয় তৈরি করে দেবে বলেছে। পুরসভার সিআইসি তথা তৃণামূলের শহর সভাপতি প্রদীপ ডাগা বলেন, প্রতীক্ষালয় হবেই। যে জায়গায় ছিল, সেই জায়গাতেই হবে।



