সংবাদদাতা বেলদা: বেলদায় শিল্প করার নামে এক আদিবাসী বর্গাদারকে উচ্ছেদ করে বেআইনিভাবে জমি কেনার অভিযোগ উঠল বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে। নারায়ণগড়ের তৃণমূল বিধায়ক সূর্যকান্ত অট্ট ওই পদ্মনেতার বিরুদ্ধে ভূমি ও ভূমিসংস্কার দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছেন। জেলা ভূমি ও ভূমিসংস্কার আধিকারিক অভিযোগ পেয়ে ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। স্বপন পণ্ডিত নামে ওই বিজেপি নেতা অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
Advertisement
জেলা ভূমি ও ভূমিসংস্কার আধিকারিক সুমন মোহান্তি বলেন, নারায়ণগড়ের বিধায়ক অভিযোগ জানিয়েছেন। ওই জমি নিয়ে সমস্ত প্রক্রিয়া বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করার জন্য মহকুমা আধিকারিককে নির্দেশ দিয়েছি।
জমির পাট্টা, বর্গা প্রভৃতি নিয়ে ভূমিসংস্কার দপ্তরে ঘুঘুর বাসা তৈরি হয়েছে। খোদ মুখ্যমন্ত্রীকে এনিয়ে বারবার অভিযোগ করতে শোনা গিয়েছে। এবার নারায়ণগড় ব্লকে এমনই অভিযোগ পাওয়া গেল। বেলদা থানার তুতরাঙা পঞ্চায়েতের চকপুরুষোত্তমপুরে বেলদা-দীঘা রাজ্য সড়কের পাশে প্রায় ৮২ ডেসিমেল জমিকে ঘিরে এই বিতর্ক দেখা দিয়েছে।
এই জমিতে এক আদিবাসী ব্যক্তি বর্গাদার ছিলেন। অভিযোগ, শিল্প করার কথা বলে ‘রাধাগোবিন্দ এন্টারপ্রাইজ’-এর নামে ওই জমি মালিকের থেকে কিনে নেন আস্তি গ্রামের বাসিন্দা স্বপন পণ্ডিত। বিধায়কের অভিযোগ, ওই জমিটি জলাজমি হিসেবে চিহ্নিত রয়েছে। সেখানে কোনও সীমানা প্রাচীর নেই। জমিতে কারখানা গড়ে তোলা হয়েছে, এমন কোনও পরিকাঠামোও নেই। জমির চরিত্রের কোনও পরিবর্তন হয়নি। তা সত্ত্বেও আবেদন করার ২৩দিনের মধ্যে আদিবাসী বর্গাদারকে উচ্ছেদ করে দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত বিজেপি নেতা বলেন, আইন মেনেই সমস্ত কিছু করেছি। যদি কোনও অভিযোগ থাকে, তা তদন্ত করে দেখা যেতে পারে। জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক গৌরীশঙ্কর অধিকারী বলেন, স্বপনবাবু বিজেপি করতে পারেন। তবে তিনি এখন কোনও পদে নেই। এটি ব্যক্তিগত বিষয়। এর সঙ্গে রাজনীতির যোগ নেই। প্রশাসন তদন্ত করে দেখুক।
বিধায়ক বলেন, রাজ্য সরকার বর্গা উচ্ছেদের বিরুদ্ধে। যেভাবে এক আদিবাসী কৃষক তথা বর্গাদারকে তাঁর জমি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে, তা ঠিক নয়। বেআইনিভাবে এই কাজ করা হয়েছে বলে এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে চর্চা রয়েছে। তাই আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য জেলা ভূমি ও ভূমিসংস্কার দপ্তরকে অভিযোগ জানিয়েছি।
জমির পাট্টা, বর্গা প্রভৃতি নিয়ে ভূমিসংস্কার দপ্তরে ঘুঘুর বাসা তৈরি হয়েছে। খোদ মুখ্যমন্ত্রীকে এনিয়ে বারবার অভিযোগ করতে শোনা গিয়েছে। এবার নারায়ণগড় ব্লকে এমনই অভিযোগ পাওয়া গেল। বেলদা থানার তুতরাঙা পঞ্চায়েতের চকপুরুষোত্তমপুরে বেলদা-দীঘা রাজ্য সড়কের পাশে প্রায় ৮২ ডেসিমেল জমিকে ঘিরে এই বিতর্ক দেখা দিয়েছে।
এই জমিতে এক আদিবাসী ব্যক্তি বর্গাদার ছিলেন। অভিযোগ, শিল্প করার কথা বলে ‘রাধাগোবিন্দ এন্টারপ্রাইজ’-এর নামে ওই জমি মালিকের থেকে কিনে নেন আস্তি গ্রামের বাসিন্দা স্বপন পণ্ডিত। বিধায়কের অভিযোগ, ওই জমিটি জলাজমি হিসেবে চিহ্নিত রয়েছে। সেখানে কোনও সীমানা প্রাচীর নেই। জমিতে কারখানা গড়ে তোলা হয়েছে, এমন কোনও পরিকাঠামোও নেই। জমির চরিত্রের কোনও পরিবর্তন হয়নি। তা সত্ত্বেও আবেদন করার ২৩দিনের মধ্যে আদিবাসী বর্গাদারকে উচ্ছেদ করে দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত বিজেপি নেতা বলেন, আইন মেনেই সমস্ত কিছু করেছি। যদি কোনও অভিযোগ থাকে, তা তদন্ত করে দেখা যেতে পারে। জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক গৌরীশঙ্কর অধিকারী বলেন, স্বপনবাবু বিজেপি করতে পারেন। তবে তিনি এখন কোনও পদে নেই। এটি ব্যক্তিগত বিষয়। এর সঙ্গে রাজনীতির যোগ নেই। প্রশাসন তদন্ত করে দেখুক।
বিধায়ক বলেন, রাজ্য সরকার বর্গা উচ্ছেদের বিরুদ্ধে। যেভাবে এক আদিবাসী কৃষক তথা বর্গাদারকে তাঁর জমি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে, তা ঠিক নয়। বেআইনিভাবে এই কাজ করা হয়েছে বলে এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে চর্চা রয়েছে। তাই আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য জেলা ভূমি ও ভূমিসংস্কার দপ্তরকে অভিযোগ জানিয়েছি।



