Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

গাজিয়াবাদে ব্ল্যাকে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের দর ৪ হাজার টাকা

১৪ কেজির প্রতিটি গ্যাস সিলিন্ডার সাড়ে তিন হাজার থেকে চার হাজার টাকা। ছোট সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে দাম প্রতি কেজিতে ৪০০ টাকা করে।

গাজিয়াবাদে ব্ল্যাকে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের দর ৪ হাজার টাকা
  • ১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৪:০৩
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ১৪ কেজির প্রতিটি গ্যাস সিলিন্ডার সাড়ে তিন হাজার থেকে চার হাজার টাকা। ছোট সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে দাম প্রতি কেজিতে ৪০০ টাকা করে। যোগীরাজ্য উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে কালোবাজারে আকাশ ছোঁয়া দামে দেদার বিক্রি হচ্ছে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার। প্রসঙ্গত, দেশের রাজধানী শহর দিল্লির একেবারে উপকণ্ঠেই অবস্থিত উত্তরপ্রদেশের এই জেলা গাজিয়াবাদ। কার্যত কেন্দ্রের মোদি সরকারের নাকের ডগায় বসে রমরমিয়ে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার নিয়ে রমরমিয়ে এহেন কালোবাজারি হলেও পুলিস-প্রশাসনের নজরদারি আক্ষরিক অর্থেই শিকেয় উঠেছে।  স্থানীয়দের অভিযোগ, এমন কালোবাজারির জন্যই স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার পেতে চরম সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। সাধারণ প্রক্রিয়ায় যেখানে সিলিন্ডার ‘বুক’ করার পর বেশ কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে। সেখানে গাজিয়াবাদে এহেন ‘বুকিং’য়ের দেড় দিনের মধ্যেই দিব্যি সরবরাহ করা হচ্ছে কালোবাজারের গ্যাস।  

Advertisement

অভিযোগ, গাজিয়াবাদের ইন্দিরাপুরম, বৈশালী, বসুন্ধরা, এমনকি নয়ডার মতো তুলনায় ‘শহুরে’ এলাকাগুলিতেও রমরম করে চলছে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে কালোবাজারি ব্যবসা। একান্তই বাধ্য হয়ে খোলা বাজার থেকে এমন রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার নিয়েছেন, এমন দাবি করা স্থানীয়রা জানিয়েছেন, যখন পশ্চিম এশিয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল, তখন কালোবাজারে এহেন একেকটি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করা হতো ১ হাজার ৫০ টাকা করে। অর্থাৎ, যুদ্ধ আবহে একধাক্কায় কালোবাজারে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বেড়ে গিয়েছে আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা করে। 
এলাকার মানুষের একটি অংশের দাবি, সাধারণত দেড় দিনের মধ্যেই খোলা বাজারের গ্যাস সরবরাহ হলেও কখনও দেরি হচ্ছে। সেইসময় অন্য উপায় না পেয়ে কেউ কেউ ছোট সিলিন্ডার ব্যবহার করছেন। বাইরে থেকে গ্যাস ভরানোর জন্য সেখানেও প্রায় দ্বিগুণ টাকা বাড়তি দিতে হচ্ছে ব্যবহারকারীদের। জানা যাচ্ছে, রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের এহেন কালোবাজারির সঙ্গে জড়িত দালালরা একেকজন ৫০ থেকে ৬০ জনের ‘দায়িত্ব’ নিচ্ছে। কোনো এলাকায় চাহিদা বেড়ে গেলে গ্যাস সরবরাহের দায়িত্ব চলে যাচ্ছে অন্য দালালের হাতে।গাজিয়াবাদের পুলিস-প্রশাসনের অবশ্য দাবি, কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচার চালানো হচ্ছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ