Bartaman Logo
২৮ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বাংলা শস্য বিমার সুবিধা বহু পুরসভায়,   এমনকী কিছু কর্পোরেশন এলাকাতেও!

বাংলা শস্য বিমার সুবিধা বহু পুরসভায়,   এমনকী কিছু কর্পোরেশন এলাকাতেও!
  • ২৯ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শুধু গ্রাম নয়, বেশকিছু পুরসভা এমনকী কর্পোরেশন এলাকায়ও বাংলা শস্য বিমার (বিএসবি) সুবিধা মিলবে! রবি ও বোরো মরশুমে শস্য বিমা প্রকল্পের জন্য রাজ্য কৃষিদপ্তর যে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে তাতে অনেকগুলি পুরসভা এবং দুটি কর্পোরেশন এলাকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মোট ১৩টি ফসল রবি-বোরো মরশুমে বিএসবি’র আওতায় আছে। প্রতিটি ফসলের জন্য বিমার সুবিধা কোন কোন এলাকায় পাওয়া যাবে তা নির্দিষ্ট করা আছে। এই তালিকায় বিভিন্ন ব্লকের অন্তর্গত গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা ছাড়াও বেশকিছু পুরসভার নাম নির্দিষ্ট করা আছে। কৃষিদপ্তর সূত্রের খবর, ওই পুরসভাগুলির এলাকায় চাষবাস হয়। তাই শস্য বিমার আওতায় এই এলাকাগুলির নাম আছে।
Advertisement
পুরসভা ও কর্পোরেশন এলাকাতেও রোরো ধান, আলু, ডাল, গম প্রভৃতি চাষ করার জন্য শস্য বিমার সুবিধা মিলবে। এই তালিকায় দুর্গাপুর কর্পোরেশন এলাকা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে গম ও মুসুর ডাল চাষের জন্য। চন্দননগর কর্পোরেশন এলাকা চিহ্নিত হয়েছে আলু চাষের জন্য। অর্থাৎ এই কর্পোরেশন এলাকাগুলিতে ওইসব ফসল চাষ করলে শস্য বিমা প্রকল্পের সুবিধা মিলবে। বেশকিছু পুর এলাকায় শস্য বিমার সুযোগ মিলবে বোরো ধান চাষে। এই পুরসভাগুলির মধ্যে রয়েছে—উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলা, দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর ও বুনিয়াদপুর পুরসভা। দক্ষিণবঙ্গের বেশকিছু পুরসভা বোরো ধান চাষের আওতায় আছে। এর মধ্যে রয়েছে—নদীয়ার  কৃষ্ণনগর, শান্তিপুর, বীরনগর, চাকদহ, নবদ্বীপ ও তাহেরপুর; উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া; হুগলির আরামবাগ, বাঁশবেড়িয়া, ভদ্রেশ্বর, বৈদ্যবাটি, তারকেশ্বর ও ডানকুনি; পুর্ব বর্ধমানের কাটোয়া, দাঁইহাট, মেমারি ও গুসকরা; পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা, ঘাটাল, খড়ার, রামজীবনপুর ও ক্ষীরপাই; পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক, পাঁশকুড়া, হলদিয়া, কাঁথি ও এগরা। হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর ও পুর্ব বর্ধমান জেলার কয়েকটি পুরসভায় আলুচাষ করলেও তা বাংলা শস্য বিমার আওতায় আসবে। কোনও এলাকাকে পুরসভা হিসেবে চিহ্নিত করা হবে কি না তার নির্দিষ্ট মাপকাঠি আছে। সদস্যরা বিধানসভায় মাঝেমধ্যেই তাঁদের কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকাকে ‘পুরসভা’ হিসেবে ঘোষণার দাবি জানান। সরকারের তরফে তখন জানানো হয়, ‘এখনই নতুন করে কোনও পুরসভা তৈরি করার বিষয়টি বিবেচনা করা যাচ্ছে না। কারণ পুরসভা হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কিছু মাপকাঠি পূরণ করতে হয়। ওই এলাকাগুলি সেই মাপকাঠি পূরণ করতে পারছে না।’ সরকারি মাপকাঠিতে বলা আছে, কোনও এলাকা পুরসভা হিসেবে গণ্য হতে গেলে সেখানকার কর্মক্ষম পুরুষের অন্তত ৫০ শতাংশের আয়ের উৎস হতে হবে অকৃষি ক্ষেত্র। যেসব পুর এলকায় চাষবাস বাংলা শস্য বিমার আওতায় রয়েছে, সেগুলির অধিকাংশই তৈরি হয়েছিল বাম জমানায়। ওইসময় সংশ্লিষ্ট পুরসভাগুলির চরিত্র যাচাইয়ের কাজ কতটা হয়েছিল, সেই প্রশ্নই উঠছে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ