সংবাদদাতা, বারুইপুর: উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে পরিষেবা অনিয়মিত। বোর্ডে লেখা সকাল ৯টা থেকে দুপুর ৩টে পর্যন্ত খোলা থাকবে কেন্দ্র। কিন্তু এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, দুপুর ১২টা বেজে গেলেই বন্ধ হয়ে যায় উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র। আবার কোনও দিন কেন্দ্র খোলাই হয় না। গর্ভবতী মহিলা সহ এলাকার বাসিন্দাদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ছুটতে হয় ন’ কিলোমিটার দূরে রায়দিঘি গ্রামীণ হাসপাতালে। এমনই চিত্র রায়দিঘির নগেন্দ্রপুর পঞ্চায়েতের বরদানগর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলির উপর কোনও নজরদারি নেই প্রশাসনের। এই প্রসঙ্গে মথুরাপুর ২ নম্বর ব্লকের স্বাস্থ্য আধিকারিক বিনীত রঞ্জন বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।
Advertisement
নগেন্দ্রপুরের খাটুয়াপাড়া মোড় থেকে কিছুটা দূরে সুসজ্জিত এই উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র। এখানে দু’জন এন এম ও তিনজন আশাকর্মী আছেন। গর্ভবতী মহিলাদের শারীরিক পরীক্ষা সহ সুগার, প্রেসার পরীক্ষা করা হয় এখানে। খাটুয়াপাড়া, বরদানগর, খ্রিষ্টানপাড়ার লোকজন এই উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপর নির্ভরশীল। এলাকার বাসিন্দারা বলেন, সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত চলে এই কেন্দ্রটি। কিন্তু পরিষেবা অনিয়মিত। কারণ, দুপুর ১২টার পর বাইরে কাজ আছে সবাই বেরিয়ে চলে যান। সামান্য প্রেসার, সুগার পরীক্ষা করাতে ৯ কিলোমিটার দূরে রায়দিঘি গ্রামীণ হাসপাতালে যেতে হয়।
উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কাছে গিয়ে দেখা গেল, সামনে বাছুর চড়ছে। প্রায় সময়েই স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধ থাকে বলে এলাকার বাসিন্দারা এখানে গরু-বাছুর বেঁধে রেখে চলে যান। -নিজস্ব চিত্র
উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কাছে গিয়ে দেখা গেল, সামনে বাছুর চড়ছে। প্রায় সময়েই স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধ থাকে বলে এলাকার বাসিন্দারা এখানে গরু-বাছুর বেঁধে রেখে চলে যান। -নিজস্ব চিত্র



