নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: চলতি সপ্তাহের মধ্যে বাঁকুড়ার ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের কর্মী-আধিকারিকদের রাজ্য সরকারের ‘হেল্থ স্কিমে’ নাম নথিভুক্ত করতে বলা হয়েছে। বাঁকুড়া জেলা প্রশাসনের তরফে কর্মীদের কাছে ওই বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের একটি হোয়টসঅ্যাপ গ্রুপে আধিকারিকরা তা জানিয়ে দিয়েছেন। নিজেদের উদ্যোগেই রাজ্য সরকারের নির্দিষ্ট পোর্টালে ঢুকে কর্মীদের নাম নথিভুক্ত করতে হবে। তবে নিজেরা নাম নথিভুক্ত করলে ভুলভ্রান্তি হতে পারে বলে কর্মীদের একাংশ মনে করছে। ফলে ব্লকস্তরে দপ্তরের তরফে শিবির করে নাম নথিভুক্ত করার ব্যবস্থা করলে ভালো হয় বলে কর্মীরা জানিয়েছেন। তাঁরা এব্যাপারে জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন আধিকারিকের(ডিপিআরডিও) কাছে দাবি জানিয়েছেন।
Advertisement
বাঁকুড়া জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন আধিকারিক অনির্বাণ রায় বলেন, যত দ্রুত সম্ভব কর্মীদের ‘হেল্থ স্কিমে’ অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা চলছে। সেই কারণে চলতি সপ্তাহের মধ্যে নাম পোর্টালে নথিভুক্ত করতে বলা হয়েছে। তবে দপ্তর এব্যাপারে কোনও ব্যবস্থা করতে পারবে না। কর্মীদেরই তা করতে হবে। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের পঞ্চায়েতি রাজ শাখার বাঁকুড়া জেলা কমিটির সভাপতি শরদিন্দু পণ্ডা বলেন, দপ্তরের নির্দেশ আমাদের কাছে এসে পৌঁছেছে। কিন্তু, কর্মীরা নাম নথিভুক্ত করলে ভুল হতে পারে। সেক্ষেত্রে পরবর্তীকালে বিমার টাকা পেতে সমস্যা হবে। তাই প্রশাসনের তরফে ব্লকস্তরে শিবির করে নাম ও তথ্য পোর্টালে আপলোডের ব্যবস্থা করলে ভালো হয়। বিষয়টি নিয়ে আমরা ডিপিআরডিও-র কাছে ডেপুটেশন দিয়েছি।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর পনেরো আগে থেকে রাজ্য সরকারের কর্মীরা ‘হেল্থ স্কিমের’ সুযোগ পেয়ে আসছেন। তারজন্য কর্মীদের বেতন থেকে মাসে ৫০০ টাকা কেটে নেওয়া হয়। এতদিন পঞ্চায়েতের মতো স্বশাসিত সরকারি দপ্তরগুলির কর্মীরা ওই সুবিধা পেতেন না। তৃণমূল সরকার তাঁদের ওই সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে উদ্যোগী হয়েছে। তারজন্য কর্মীদের বেতন থেকে একইরকমভাবে ৫০০ টাকা কাটা যাবে। তার পরিবর্তে কর্মীরা পরিবারের সদস্যদের জন্য ‘মেডিক্লেমের’ সুযোগ পাবেন। পঞ্চায়েতে ত্রিস্তর মিলিয়ে বাঁকুড়ায় সহস্রাধিক কর্মী-আধিকারিক রয়েছেন। তাঁরা যাতে দ্রুত ওই সুবিধা পান, তারজন্য জেলা প্রশাসন সক্রিয় হয়েছে। তবে এব্যাপারে কর্মীদেরই যে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে, তা জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন। ফলে পঞ্চায়েত কর্মীদের ব্লকস্তরের শিবির আয়োজনের দাবি মানা হবে না বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর পনেরো আগে থেকে রাজ্য সরকারের কর্মীরা ‘হেল্থ স্কিমের’ সুযোগ পেয়ে আসছেন। তারজন্য কর্মীদের বেতন থেকে মাসে ৫০০ টাকা কেটে নেওয়া হয়। এতদিন পঞ্চায়েতের মতো স্বশাসিত সরকারি দপ্তরগুলির কর্মীরা ওই সুবিধা পেতেন না। তৃণমূল সরকার তাঁদের ওই সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে উদ্যোগী হয়েছে। তারজন্য কর্মীদের বেতন থেকে একইরকমভাবে ৫০০ টাকা কাটা যাবে। তার পরিবর্তে কর্মীরা পরিবারের সদস্যদের জন্য ‘মেডিক্লেমের’ সুযোগ পাবেন। পঞ্চায়েতে ত্রিস্তর মিলিয়ে বাঁকুড়ায় সহস্রাধিক কর্মী-আধিকারিক রয়েছেন। তাঁরা যাতে দ্রুত ওই সুবিধা পান, তারজন্য জেলা প্রশাসন সক্রিয় হয়েছে। তবে এব্যাপারে কর্মীদেরই যে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে, তা জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন। ফলে পঞ্চায়েত কর্মীদের ব্লকস্তরের শিবির আয়োজনের দাবি মানা হবে না বলে মনে করা হচ্ছে।



