Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬

বকেয়া ডিএ মিলবে না, পে কমিশন ঘোষণার খুশিতেও ক্ষোভ কর্মীদের

বকেয়া ডিএ মিলবে না, পে কমিশন ঘোষণার খুশিতেও ক্ষোভ কর্মীদের
  • ১৮ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: পে কমিশনের আনন্দের মধ্যেই বঞ্চনার বেদনা। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের এখন এমনই অবস্থা। বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হয়েছে অষ্টম পে কমিশন গঠিত হবে। সুতরাং সব জল্পনা ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটল। আবার ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ৪৯ লক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীর বিপুল বেতন বাড়বে। অনিশ্চয়তা ছিল যে, আদৌ কি মোদি সরকার আবার কোনও পে কমিশন গঠন করবে? নাকি পে কমিশন ব্যাপারটাই বন্ধ করে দেওয়া হবে? বৃহস্পতিবার মোদি সরকার সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়েছে। পে কমিশন হচ্ছে। কিন্তু শুক্রবার কেন্দ্রীয় কর্মীদের মধ্যে চর্চা, পে কমিশন গঠনের ঘোষণার অর্থ হল বকেয়া ডিএ আর পাওয়া যাবে না। করোনাকালে তিন কিস্তির ডিএ ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছিল। যেহেতু লকডাউনের কারণে দেশজুড়ে সমস্তরকম আর্থিক লেনদেন বন্ধ ছিল। তার জেরে সরকারের কর সংগ্রহ মুখ থুবড়ে পড়ে। রাজ্য সরককারগুলির পক্ষ থেকেও আর্থিক সহায়তা দাবি করা হয়েছিল। সেই বিপুল আর্থিক চাপে ২০২০ সালের দু’টি এবং ২০২১ সালের একটি ডিএ কেন্দ্রীয় কর্মীদের দেওয়া হয়নি। বলা হয়েছিল পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বকেয়া ডিএ দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। তবে নিশ্চিত কোনও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি। ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী সংগঠনের প্রতিনিধিরা দেখা করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে। দাবি করেন বকেয়া ডিএ এবং পে কমিশনের। উভয় ইস্যুতে বলা হয়েছিল অপেক্ষা করতে। দেড় মাসের মধ্যেই পে কমিশন ঘোষণা হয়ে গেল। আর পে কমিশন একবার যখন ঘোষণা করা হয়েছে, তখন ওই তিন কিস্তির বকেয়া ডিএ আর পাওয়া যাবে না বলেই ধরে নিচ্ছেন কেন্দ্রীয় কর্মীরা। আর এক্ষেত্রে সবথেকে লাভ অর্থমন্ত্রকের। কারণ ৩ শতাংশ করে ডিএ বৃদ্ধি হলে অন্তত ৯ থেকে ১০ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা বইতে হতো সরকারকে। অতএব তিন কিস্তি ডিএ না দেওয়ার অর্থ, অন্তত ৩০ হাজার কোটি টাকা বেঁচে গেল! 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ