নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: খোদ পুলিস সুপার কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাওয়াই দেওয়ার পরেও হুঁশ ফেরেনি কর্মী-আধিকারিকদের। বাঁকুড়ায় পুলিস লেখা বোর্ড ও স্টিকার সাঁটিয়ে তাঁরা অবাধে ঘুরছেন। বাহিনীর লোকজন পুলিস সুপারের নির্দেশকে তোয়াক্কা না করায় উর্দিধারীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এব্যাপারে অবিলম্বে এসপি’র কড়া পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে জেলাবাসী দাবি তুলেছে। খোদ রক্ষকরাই এভাবে আইনভঙ্গ করায় সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে।
Advertisement
বাঁকুড়ার পুলিস সুপার বৈভব তেওয়ারি বলেন, ব্যক্তিগত যানবাহনে ‘পুলিস’ লেখা যায় না। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। আমরা কড়া ব্যবস্থা নেব। ট্রাফিক পুলিস ও থানাগুলিকে এব্যাপারে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ব্যক্তিগত যানবাহনে পদ বা পেশার নাম লেখা বোর্ড বা স্টিকার ব্যবহার করা যায় না। অথচ রাজ্যের অন্যান্য জেলার মতো বাঁকুড়াতেও তা দেদার ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রেস, পুলিস, আর্মি লেখা যানবাহনে কার্যত জেলা ছেয়ে গিয়েছে। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত নন, এমন অনেকেও বাইক, চারচাকায় প্রেস স্টিকার সাঁটিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ। একইরকমভাবে পুলিস কর্মী ও আধিকারিকরা বাইক ও চারচাকা যানবাহনে বোর্ড ও স্টিকার লাগিয়ে বাজারহাট করতে পর্যন্ত যাচ্ছেন। সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধেও বাইকে পুলিস লিখে ঘুরে বেড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এমনকী পুলিস ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের আত্মীয় পরিজনরাও গাড়িতে বেআইনিভাবে বোর্ড ও স্টিকার লাগাচ্ছেন। ওই ধরনের বোর্ড লাগিয়ে অপরাধমূলক কাজকর্মও করা হচ্ছে বলে পুলিস জানতে পেরেছে। সম্প্রতি জেলার একাধিক থানা এলাকায় ওই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। ফলে পুলিস সুপার বিষয়টি নিয়ে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না বলে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু, তারপরেও খোদ পুলিস কর্মী-আধিকারিকরা আইন না মানায় বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
শনিবার বাঁকুড়া শহরে এক অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর (এএসআই) পদমর্যাদার আধিকারিককে পুলিস বোর্ড লেখা গাড়ি চালাতে দেখা গেল। পোশাক পরে গাড়ি চালানোর সময় ওই আধিকারিক সিট বেল্ট পর্যন্ত বাঁধেননি। তাঁর পোশাকে আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিস কমিশনারেটের লোগো ছিল। যদিও সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের কোনও উত্তর ওই আধিকারিক দেননি। পাশাপাশি এদিনই মাচানতলা এলাকায় পুলিস স্টিকার সাঁটানো একটি বাইক বিনা হেলমেটে এক যুবককে চালাতে দেখা গেল। সাংবাদিক দেখে তিনি বাইক নিয়ে উধাও হয়ে যান। সাদা পোশাকে থাকা ওই যুবক পুলিস কি না তা অবশ্য জানা যায়নি। পুলিসের মতোই অন্যান্য পেশার লোকজনও বেআইনিভাবে যানবাহনে বোর্ড লাগিয়ে অবাধে ঘুরছেন। বিষয়টি নিয়ে পুলিস ও পরিবহণ দপ্তরের সক্রিয়তা জরুরি বলে ওয়াকিবহাল মহলের অভিমত।
বাঁকুড়া আঞ্চলিক পরিবহণ দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, যানবাহনে নিয়ম বহির্ভূতভাবে বোর্ড ও স্টিকার লাগানোর বিরুদ্ধে আমরাও অভিযানে নামব। বিষয়টি নিয়ে পুলিসের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। প্রয়োজনে জেলা প্রশাসনের কর্তাদের সাহায্য নেওয়া হবে। -নিজস্ব চিত্র
উল্লেখ্য, ব্যক্তিগত যানবাহনে পদ বা পেশার নাম লেখা বোর্ড বা স্টিকার ব্যবহার করা যায় না। অথচ রাজ্যের অন্যান্য জেলার মতো বাঁকুড়াতেও তা দেদার ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রেস, পুলিস, আর্মি লেখা যানবাহনে কার্যত জেলা ছেয়ে গিয়েছে। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত নন, এমন অনেকেও বাইক, চারচাকায় প্রেস স্টিকার সাঁটিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ। একইরকমভাবে পুলিস কর্মী ও আধিকারিকরা বাইক ও চারচাকা যানবাহনে বোর্ড ও স্টিকার লাগিয়ে বাজারহাট করতে পর্যন্ত যাচ্ছেন। সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধেও বাইকে পুলিস লিখে ঘুরে বেড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এমনকী পুলিস ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের আত্মীয় পরিজনরাও গাড়িতে বেআইনিভাবে বোর্ড ও স্টিকার লাগাচ্ছেন। ওই ধরনের বোর্ড লাগিয়ে অপরাধমূলক কাজকর্মও করা হচ্ছে বলে পুলিস জানতে পেরেছে। সম্প্রতি জেলার একাধিক থানা এলাকায় ওই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। ফলে পুলিস সুপার বিষয়টি নিয়ে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না বলে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু, তারপরেও খোদ পুলিস কর্মী-আধিকারিকরা আইন না মানায় বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
শনিবার বাঁকুড়া শহরে এক অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর (এএসআই) পদমর্যাদার আধিকারিককে পুলিস বোর্ড লেখা গাড়ি চালাতে দেখা গেল। পোশাক পরে গাড়ি চালানোর সময় ওই আধিকারিক সিট বেল্ট পর্যন্ত বাঁধেননি। তাঁর পোশাকে আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিস কমিশনারেটের লোগো ছিল। যদিও সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের কোনও উত্তর ওই আধিকারিক দেননি। পাশাপাশি এদিনই মাচানতলা এলাকায় পুলিস স্টিকার সাঁটানো একটি বাইক বিনা হেলমেটে এক যুবককে চালাতে দেখা গেল। সাংবাদিক দেখে তিনি বাইক নিয়ে উধাও হয়ে যান। সাদা পোশাকে থাকা ওই যুবক পুলিস কি না তা অবশ্য জানা যায়নি। পুলিসের মতোই অন্যান্য পেশার লোকজনও বেআইনিভাবে যানবাহনে বোর্ড লাগিয়ে অবাধে ঘুরছেন। বিষয়টি নিয়ে পুলিস ও পরিবহণ দপ্তরের সক্রিয়তা জরুরি বলে ওয়াকিবহাল মহলের অভিমত।
বাঁকুড়া আঞ্চলিক পরিবহণ দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, যানবাহনে নিয়ম বহির্ভূতভাবে বোর্ড ও স্টিকার লাগানোর বিরুদ্ধে আমরাও অভিযানে নামব। বিষয়টি নিয়ে পুলিসের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। প্রয়োজনে জেলা প্রশাসনের কর্তাদের সাহায্য নেওয়া হবে। -নিজস্ব চিত্র



