নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: রবিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করতে এসে মোবাইল খোয়ালেন তিনজন। তাঁদের প্রত্যেকেরই দাবি, ভিড়ের মাঝে পকেট থেকে মোবাইল চুরি গিয়েছে। আর এতেই প্রশ্ন উঠেছে, জলপাইগুড়ি শহরের বিভিন্ন বাজারে কি ভিড়ের মাঝে মিশে রয়েছে মোবাইল চুরির গ্যাং?
Advertisement
এদিন সকালে দিনবাজারে বাজার করতে এসে মোবাইল চুরি যায় নিউ টাউনপাড়ার বাসিন্দা তপন কর্মকারের। অন্যদিকে, স্টেশন বাজারে সব্জি কেনার পর পকেট থেকে টাকা বের করতে গিয়ে শহরের রেসকোর্স পাড়ার বাসিন্দা দীপক চৌধুরী দেখেন, তাঁর মোবাইল নেই। পান্ডাপাড়া বউবাজারে বাজার করতে এসে মোবাইল খোয়া যায় এক সরকারি কর্মীর। তাঁরা প্রত্যেকেই থানার দ্বারস্থ হন।
পুলিস সূত্রে খবর, ভিক্ষার নাম করে কিছু মহিলা কোলে বাচ্চা নিয়ে বাজারে ঘুরছে। এদের কেউ কেউ সুযোগ বুঝে বাজার করতে আসা লোকজনের কাছ থেকে মোবাইল হাতিয়ে নিচ্ছে। কোতোয়ালি থানার আইসি সঞ্জয় দত্ত বলেন, পুলিস বিষয়টির উপর নজর রাখছে। শনিবার রাতেও চুরির অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযোগ, বাজারে মোবাইল চুরির ঘটনা যেমন ঘটছে, তেমনই দিনেরাতে বাড়ি থেকে চুরি যাচ্ছে সোনার গয়না থেকে টাকাপয়সা, মোবাইল, বাসনপত্র। রবিবার দুপুরে কোতোয়ালি থানায় চুরির অভিযোগ জানাতে এসেছিলেন ২২ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব অরবিন্দনগরের বাসিন্দা শিবানী ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, শনিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন, দরজার তালা ভাঙা। ঘরের ভেন্টিলেটরও ভাঙা। কিছু কাঁসা-পিতলের বাসন উধাও। দু’দিন আগেই কোতোয়ালি থানায় চুরির অভিযোগ দায়ের করেছেন শহরের সেবাগ্রামের বাসিন্দা শিবশঙ্কর ঘোষ। বৃহস্পতিবার তাঁর বাড়ি থেকে সোনার গয়না, টাকা চুরি যায় বলে অভিযোগ। বেসরকারি সংস্থার কর্মী শিবশঙ্করের দাবি, বাড়ির সবাই যে যার মতো কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এরই ফাঁকে চোর ঘরে ঢুকে টেবিলে রাখা সোনার আংটি ও বেশকিছু টাকা হাতিয়ে নিয়ে চম্পট দেয়।
দিন কয়েক আগেই জলপাইগুড়ি শহরের সেনপাড়ায় দিনেদুপুরে বাড়ি থেকে মোবাইল চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে এক যুবক। এলাকার লোকজন তাকে মারধর দিয়ে পুলিসের হাতে তুলে দেন।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, দোকান থেকেও মাঝেমধ্যে চুরির ঘটনা ঘটছে। জয় আগরওয়াল নামে দিনবাজারের এক ব্যবসায়ীর দাবি, কিছুদিন আগে দুই মহিলা ক্রেতা সেজে তাঁর দোকানে আসে। তারপর গায়ে জড়ানো শালের নীচে পর্দা, চাদর ঢুকিয়ে নিয়ে গা ঢাকা দেয়। পরে দোকানের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে চুরির ওই ঘটনা টের পান তিনি।
পুলিস সূত্রে খবর, ভিক্ষার নাম করে কিছু মহিলা কোলে বাচ্চা নিয়ে বাজারে ঘুরছে। এদের কেউ কেউ সুযোগ বুঝে বাজার করতে আসা লোকজনের কাছ থেকে মোবাইল হাতিয়ে নিচ্ছে। কোতোয়ালি থানার আইসি সঞ্জয় দত্ত বলেন, পুলিস বিষয়টির উপর নজর রাখছে। শনিবার রাতেও চুরির অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযোগ, বাজারে মোবাইল চুরির ঘটনা যেমন ঘটছে, তেমনই দিনেরাতে বাড়ি থেকে চুরি যাচ্ছে সোনার গয়না থেকে টাকাপয়সা, মোবাইল, বাসনপত্র। রবিবার দুপুরে কোতোয়ালি থানায় চুরির অভিযোগ জানাতে এসেছিলেন ২২ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব অরবিন্দনগরের বাসিন্দা শিবানী ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, শনিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন, দরজার তালা ভাঙা। ঘরের ভেন্টিলেটরও ভাঙা। কিছু কাঁসা-পিতলের বাসন উধাও। দু’দিন আগেই কোতোয়ালি থানায় চুরির অভিযোগ দায়ের করেছেন শহরের সেবাগ্রামের বাসিন্দা শিবশঙ্কর ঘোষ। বৃহস্পতিবার তাঁর বাড়ি থেকে সোনার গয়না, টাকা চুরি যায় বলে অভিযোগ। বেসরকারি সংস্থার কর্মী শিবশঙ্করের দাবি, বাড়ির সবাই যে যার মতো কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এরই ফাঁকে চোর ঘরে ঢুকে টেবিলে রাখা সোনার আংটি ও বেশকিছু টাকা হাতিয়ে নিয়ে চম্পট দেয়।
দিন কয়েক আগেই জলপাইগুড়ি শহরের সেনপাড়ায় দিনেদুপুরে বাড়ি থেকে মোবাইল চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে এক যুবক। এলাকার লোকজন তাকে মারধর দিয়ে পুলিসের হাতে তুলে দেন।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, দোকান থেকেও মাঝেমধ্যে চুরির ঘটনা ঘটছে। জয় আগরওয়াল নামে দিনবাজারের এক ব্যবসায়ীর দাবি, কিছুদিন আগে দুই মহিলা ক্রেতা সেজে তাঁর দোকানে আসে। তারপর গায়ে জড়ানো শালের নীচে পর্দা, চাদর ঢুকিয়ে নিয়ে গা ঢাকা দেয়। পরে দোকানের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে চুরির ওই ঘটনা টের পান তিনি।



