পাটনা: মহারাষ্ট্রে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার হারিয়েছেন শিবসেনা নেতা একনাথ সিন্ধে। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন বিজেপির নেতা দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। মহারাষ্ট্রের এই রাজনৈতিক পালাবদল দেখে বিহারে চাপা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে নীতীশ কুমারের জেডিইউয়ে। এমনিতে বিজেপি আশ্বাস দিয়েছে, ২০২৫ সালে মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের নেতৃত্বেই বিধানসভা ভোটে লড়বে এনডিএ। যদিও তাতে চিঁড়ে ভিজছে না। জেডিইউ নেতাদের আশঙ্কা, ভোটের পর বিহারেও ‘মহারাষ্ট্র মডেল’ অনুসরণ করতে পারে পদ্মপার্টি।
Advertisement
অর্থাৎ মহরাষ্ট্রে সিন্ধের মতো বিহারেও নীতীশের নেতৃত্বে ভোটে জিতে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার দখল করার কৌশল নিতে পারে মোদি-অমিত শাহের দল। ২৪৩ বিধানসভা আসনের বিহারে ম্যাজিক ফিগার ১২২। সেক্ষেত্রে মহারাষ্ট্রের মতো বিহারেও বাড়তি আসনে লড়ে এককভাবে ম্যাজিক ফিগারের যত কাছাকাছি সম্ভব পৌঁছে যাওয়ার চেষ্টা করবে বিজেপি।
জেডিইউ নেতারা প্রকাশ্যে এবিষয়ে মন্তব্য করতে চাইছেন না। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁরা আশঙ্কা গোপন করছেন না। জেডিইউয়ের প্রবীণ নেতারা বলছেন, একনাথ সিন্ধের দল থেকে বিজেপিকে অনুরোধ করা হয়েছিল মহারাষ্ট্রেও ‘বিহার মডেল’ অনুসরণ করা হোক। বিহারে যেমন বিজেপি (৭৪টি আসন) বড় শরিক হওয়া সত্ত্বেও নীতীশকে (৪৩টি আসন) চেয়ার ছাড়া হয়েছে, মহারাষ্ট্রেও সেই ফর্মুলা মেনে ফের সিন্ধেকে মুখ্যমন্ত্রী করা হোক। যদিও শেষ পর্যন্ত শিবসেনার সেই অনুরোধ বিজেপি মানেনি। স্বাভাবিকভাবেই বিজেপির এই ‘মহারাষ্ট্র মডেল’ দেখে গুঞ্জন শুরু হয়েছে বিহারের জেডিইউ শিবিরে।
জেডিইউয়ের এক নেতা বলেন, মহারাষ্ট্রের ঘটনাবলিতে আমাদের দলেও যে চাপা টেনশন তৈরি হয়েছে, তা অস্বীকার করা যায় না। তবে বিহারের পরিস্থিতি আলাদা। মহারাষ্ট্রে সিন্ধের শিবসেনার সামাজিক ভিত্তি অপেক্ষাকৃত দুর্বল। কিন্তু বিহারে ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটেও দেখা গিয়েছে জেডিইউয়ের পাশে ১৬.৫ শতাংশ সমর্থন রয়েছে। সেই শক্তির জোরেই রাজ্যের ৪০টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩০টিতে জয়ী হয়েছে এনডিএ। জেডিইউ মুখপাত্র নীরজ কুমার বলেন, ‘আপনি নীতীশ কুমারকে ভালোবাসতে পারেন, নাও পারেন। কিন্তু তাঁকে অবজ্ঞা করতে পারবেন না। এনডিএ ও ইন্ডিয়া, দুই শিবিরই নীতীশের রাজনীতির শক্তিকে মানত্য দেয়।’ রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডি এম দিবাকর বলেন, ‘বিভিন্ন কৌশলে নীতীশকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে বিজেপি। নীতীশ ও বিজেপি কেউ কাউকেই বিশ্বাস করে না। তাদের জোট বাস্তবে সুবিধা আদায়ের বিবাহ।’
জেডিইউ নেতারা প্রকাশ্যে এবিষয়ে মন্তব্য করতে চাইছেন না। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁরা আশঙ্কা গোপন করছেন না। জেডিইউয়ের প্রবীণ নেতারা বলছেন, একনাথ সিন্ধের দল থেকে বিজেপিকে অনুরোধ করা হয়েছিল মহারাষ্ট্রেও ‘বিহার মডেল’ অনুসরণ করা হোক। বিহারে যেমন বিজেপি (৭৪টি আসন) বড় শরিক হওয়া সত্ত্বেও নীতীশকে (৪৩টি আসন) চেয়ার ছাড়া হয়েছে, মহারাষ্ট্রেও সেই ফর্মুলা মেনে ফের সিন্ধেকে মুখ্যমন্ত্রী করা হোক। যদিও শেষ পর্যন্ত শিবসেনার সেই অনুরোধ বিজেপি মানেনি। স্বাভাবিকভাবেই বিজেপির এই ‘মহারাষ্ট্র মডেল’ দেখে গুঞ্জন শুরু হয়েছে বিহারের জেডিইউ শিবিরে।
জেডিইউয়ের এক নেতা বলেন, মহারাষ্ট্রের ঘটনাবলিতে আমাদের দলেও যে চাপা টেনশন তৈরি হয়েছে, তা অস্বীকার করা যায় না। তবে বিহারের পরিস্থিতি আলাদা। মহারাষ্ট্রে সিন্ধের শিবসেনার সামাজিক ভিত্তি অপেক্ষাকৃত দুর্বল। কিন্তু বিহারে ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটেও দেখা গিয়েছে জেডিইউয়ের পাশে ১৬.৫ শতাংশ সমর্থন রয়েছে। সেই শক্তির জোরেই রাজ্যের ৪০টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩০টিতে জয়ী হয়েছে এনডিএ। জেডিইউ মুখপাত্র নীরজ কুমার বলেন, ‘আপনি নীতীশ কুমারকে ভালোবাসতে পারেন, নাও পারেন। কিন্তু তাঁকে অবজ্ঞা করতে পারবেন না। এনডিএ ও ইন্ডিয়া, দুই শিবিরই নীতীশের রাজনীতির শক্তিকে মানত্য দেয়।’ রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডি এম দিবাকর বলেন, ‘বিভিন্ন কৌশলে নীতীশকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে বিজেপি। নীতীশ ও বিজেপি কেউ কাউকেই বিশ্বাস করে না। তাদের জোট বাস্তবে সুবিধা আদায়ের বিবাহ।’



