নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এ রাজ্যে নিট আন্দোলনের নামে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা হলে প্রশাসন কড়া হাতে তা সামলাবে। পাশাপাশি বিজেপির যুব মোর্চাও নামবে পথে। ছাত্র-ছাত্রীদের বেপথে যাওয়া আটকাতে সক্রিয় ভূমিকা নেবে দলের যুব সংগঠন।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এ রাজ্যে নিট আন্দোলনের নামে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা হলে প্রশাসন কড়া হাতে তা সামলাবে। পাশাপাশি বিজেপির যুব মোর্চাও নামবে পথে। ছাত্র-ছাত্রীদের বেপথে যাওয়া আটকাতে সক্রিয় ভূমিকা নেবে দলের যুব সংগঠন।
নিট আন্দোলনের আঁচ এসে পড়েছে এ রাজ্যেও। আজ, শুক্রবার কলকাতায় ছাত্র বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে কয়েকটি সংগঠন। ককরোচ জনতা পার্টিও মিছিলের অনুমতি চেয়েছে। অনেকের বক্তব্য, সরকারে আসার পর শুভেন্দু সরকার প্রথম বড়োসড়ো আন্দোলনের মুখোমুখি হতে চলেছে শুক্রবার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বৃহস্পতিবার টুইট করে কড়া হাতে আইনরক্ষার ইঙ্গিত দিয়েছেন। এর পাশাপাশি বিজেপি দলগতভাবে একই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে চলবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছে বৃহস্পতিবার। সল্টলেকে বিজেপির সদর দপ্তরে রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়, রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার, মিডিয়া সেলের কনভেনর বিমলশঙ্কর নন্দ একত্রে দল এবং সরকারের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করেন। তাৎপর্যপূর্ণভাবে বৈঠকে রাজ্য যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক আশিস বিশ্বাসও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে নেতারা অশান্তি ঠেকাতে প্রশাসনের কঠোর মনোভাবের কথা যেমন বলেছেন, তেমনই দলের যুবদের সক্রিয় থাকার কথাও স্পষ্ট করেছেন। আশিসবাবু বলেছেন, ‘ছাত্রসমাজের সঙ্গে নিবিড় সংযোগ গড়ে তোলার কাজ হবে। পাশাপাশি তাঁদের যাতে আন্দোলনের নামে প্ররোচিত না করা হয়, তার দিকেও সজাগ লক্ষ্য থাকবে মোর্চার।’
এর পাশাপাশি নিট আন্দোলনে বিদেশি শক্তির ভুমিকা, টুকরে টুকরে গ্যাংয়ের প্ররোচনা, দেশবিরোধী শক্তির প্ররোচনা আছে বলে মন্তব্য করেন তাপস রায়, দেবজিৎ সরকার ও বিমলশঙ্কর নন্দ। তাঁরা কংগ্রেস সরকারের সময় এবং বিভিন্ন রাজ্যে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের আমলে হওয়া শিক্ষা দুর্নীতির খতিয়ান বিস্তৃতভাবে তুলে ধরেন বৈঠকে।